Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

আন্দালুসের নীল পাণ্ডুলিপি

আন্দালুসের নীল পাণ্ডুলিপি

৳300
৳165
৯৬১ খ্রিষ্টাব্দ, কর্ডোবা।গভীর রাত। রাজকীয় লাইব্রেরির বিশাল গম্বুজের নিচে হাজারো মোমবাতির ভিড়ে এখন জ্বলছে কেবল একটি। সেই কম্পমান শিখার নিচে বসে আছেন বৃদ্ধ দার্শনিক ও প্রধান লাইব্রেরিয়ান, উস্তাদ ইবনে বাজ্জা। তার সামনে গাঢ় নীল হরিণের চামড়ায় বাঁধাই করা
  লেখক   আব্দুল্লাহ ইয়াছিন শরীফী
  প্রকাশনী

 কারভান পাবলিকেশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  Language   বাংলা
  Number of Pages   159
  Cover Type   পেপার ব্যাক

৯৬১ খ্রিষ্টাব্দ, কর্ডোবা।গভীর রাত। রাজকীয় লাইব্রেরির বিশাল গম্বুজের নিচে হাজারো মোমবাতির ভিড়ে এখন জ্বলছে কেবল একটি। সেই কম্পমান শিখার নিচে বসে আছেন বৃদ্ধ দার্শনিক ও প্রধান লাইব্রেরিয়ান, উস্তাদ ইবনে বাজ্জা। তার সামনে গাঢ় নীল হরিণের চামড়ায় বাঁধাই করা একটি রহস্যময় পাণ্ডুলিপি। মলাটে কোনো নাম নেই, আছে শুধু একটি সোনালি চোখের জ্যামিতিক নকশা—যা মোমবাতির আলোয় জ্বলছে এক আদিম সতর্কবার্তার মতো।বাগদাদ থেকে আসা এই নিষিদ্ধ গ্রন্থে মিশে আছে গ্রীক ও পারসিক বিদ্যার এক ভয়ংকর সংমিশ্রণ। এর প্রতিটি পাতায় যেমন আছে জীবন বাঁচানোর অলৌকিক সূত্র, তেমনি আছে মুহূর্তের মধ্যে একটি সুজলা-সুফলা নগরীকে শ্মশানে পরিণত করার পৈশাচিক কৌশল।হঠাৎ লাইব্রেরির নিস্তব্ধতা চুরমার করে বারান্দায় বেজে উঠল ভারী বুটের শব্দ। ওরা আসছে। ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ সেই শিকারিরা, যারা জ্ঞানকে চায় ধ্বংসের অস্ত্র হিসেবে। উস্তাদ জানেন, পালানোর পথ নেই। কম্পিত হাতে তিনি শেষ ভরসা হিসেবে লিখলেন একটি নাম—‘জায়েদ’।বুকের ভেতর নিষিদ্ধ বইটি লুকিয়ে তিনি উঠে দাঁড়ালেন। ভোরের সূর্য হয়তো তিনি আর দেখবেন না, কিন্তু সত্যকে কি দেওয়াল দিয়ে রুখে দেওয়া যায়?ইতিহাস, রহস্য আর রক্তের এক রোমাঞ্চকর উপাখ্যান।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।