| লেখক | শেখ সোহাইব |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | জীবনী , স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 256 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
এ পাতাগুলোতে আছে সেসব মানুষের গল্প, যারা ‘আয়নাঘর’-এর ভয়াবহতা নিজের দেহে, মনে বহন করে বেঁচে আছেন। তাদের প্রতিটি কথা, প্রতিটি স্মৃতি যেন একটি করে তীর, যা বিদ্ধ করবে পাঠকের হৃদয়কে। এ বইয়ের পাঠক অনুভব করবেন অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নির্যাতিতের অসহনীয় যন্ত্রণা আর তীব্র আতঙ্ক। তার কানে বাজবে সেই নীরব চিৎকার, যা প্রতিধ্বনিত হয়েছিল ‘আয়নাঘর’-এর নিঃসঙ্গ দেওয়ালে। চোখের সামনে ভেসে উঠবে সেই অন্ধকার রাত্রিগুলো, যখন একজন মা তার হারানো সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেছে, একজন স্ত্রী তার স্বামীর ফিরে আসার আশায় দিন গুনেছে। এ বই শুধু অতীতের দলিল নয়, এটি ভবিষ্যতের জন্য এক জ্বলন্ত সতর্কবাণী। এটি চিৎকার করে বলছে- আর নয়, আর কখনও নয়। যেন আর কোনো সন্তান তার পিতাকে না হারায়, কোনো ভাই তার সহদরকে খুঁজে না পায়। এর প্রতিটি পৃষ্ঠা পাঠকের মনে এক নতুন চেতনা জাগ্রত করবে। জন্ম নেবে এক নতুন প্রতিজ্ঞা- এ দেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ গড়ে উঠবে না। গড়ে উঠবে এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, প্রতিটি কণ্ঠস্বর মুক্ত, প্রতিটি স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেওয়ার সুযোগ পায়। এ বইটি পাঠ শেষে যখন আপনার চোখ ভিজে উঠবে, তখন বুঝবেন- এ অশ্রু শুধু বেদনার নয়, এটি এক নতুন প্রতিজ্ঞার। কারণ প্রতিটি পাঠকের সচেতনতার শক্তিই পারে এ নিস্তব্ধতা ভাঙতে, প্রতিটি মানুষের সাহসই পারে এ অন্ধকারকে দূর করতে। পাঠ করুন, অনুভব করুন আর জেগে উঠুন। কারণ আপনার জাগরণই হবে ‘আয়নাঘর’-এর অমানিশার বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ। লেখক সততার সঙ্গে বাস্তব ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। নিখুঁতভাবে তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছেন। তবে, কোনো ভুক্তভোগীর বর্ণনা ভুল প্রমাণিত হলে, তার দায় লেখকের নয়। প্রতিটি ঘটনার রেফারেন্স যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে। সত্য-মিথ্যা যাচাই করার দায়িত্ব পাঠকের। আমাদের আশা, এ বইটি পাঠকদের মধ্যে নতুন চেতনার জন্ম দিবে এবং ন্যায়বিচারের পথে এক অমূল্য ভূমিকা পালন করবে।