| লেখক | বদরুদ্দীন উমর |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | প্রবন্ধ |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 512 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
বাঙ্গালা গবেষণা বদরুদ্দীন উমর রচনাবলী খণ্ড ২ ও ৪-এ পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি গ্রন্থের প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড সংকলিত হয়েছে। এ গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ড সংকলিত হলো রচনাবলীর খণ্ড ৭-এ। রচনা প্রকাশের কালক্রম রক্ষার্থে এই বিন্যাস তৈরি হয়েছে। রচনাবলীর সম্পাদকীয়গুলিতে গ্রন্থটির খণ্ডসমূহের বিষয় সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রন্থটির তৃতীয় খণ্ডে পূর্ব বাঙলার শ্রমিক আন্দোলন,শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন,প্রাথমিক শিক্ষক ধর্মঘট,ছাত্র আন্দোলন,পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগ-মুসলিম লীগ-আওয়ামী মুসলিম লীগ-কমিউনিস্ট পার্টি ইত্যাদি রাজনৈতিক পার্টির কার্যক্রম,নাজিমুদ্দিনের পল্টন বক্তৃতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। ২০শে ফেব্রুয়ারী থেকে ২৩শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ৪ দিনের আনুপূর্বিক বিবরণ রয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভাষা আন্দোলনের পরবর্তী পর্যায়,মার্চ-এপ্রিলের ঘটনাবলীসহ পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি বিষয়ে একটি পর্যালোচনা ইত্যাদি। স্ফূলিঙ্গ দাবানল সৃষ্টি করতে পারে – মাও সেতুঙের এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উমর লিখেছেন,‘এই ধরনের দাবানলই আমরা সৃষ্টি হতে দেখি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়।’ (উর:৭:৩৪৬) কারণ দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ‘ব্যাপক ও গভীরভাবে’ (ঐ:৩৪৫) পরিবর্তিত হয়েছিল। উমরের এই ত্রয়ীগ্রন্থ পাঠে ইতিহাসের সেই ব্যাপকতা ও গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ত্রয়ীগ্রন্থ আমাদের দেশের জনগণের ব্যাক্তিত্ব সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে। এই দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এরকম একটি কাজের মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী নিজেদের সফলসংগ্রামী হিসেবে আবিষ্কার করতে পারে এবং বৃহত্তর মুক্তির পথে অগ্রসর হবার ইন্ধন পায়। এ ক্ষেত্রে পেয়েছেও। একুশ আমাদের স্বাধীনতার পথ প্রদর্শন করেছে। শুধু তাই নয়,সেই স্বাধীনতার প্রকৃতিও নির্ধারণ করে দিয়েছে – তা হলো জাতীয় গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা। ভবিষ্যতেও এই ত্রয়ীগ্রন্থ এতদাঞ্চলের মানুষের বৃহত্তর অগ্রযাত্রার চিত্তবীজ যোগান দেবে। এ ব্যাপারে বিশেষভাবে কাজ করেছে ত্রয়ীগ্রন্থটি রচনায় উমর-ব্যবহৃত গবেষণা পদ্ধতি। উমর তার ইতিহাসটি উপস্থাপন করেছেন ঐতিহাসিকভাবে। ফলে বাহান্ন সালের মহা-আন্দোলনে যুক্ত হয়ে গেছে ১৭৫৭ সাল পরবর্তী উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিত। তাছাড়া ইতিহাসটি বর্ণিত হয়েছে দ্বান্দ্বিকভাবে। এর ফলে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক’ আন্দোলনের পরস্পর বিপরীত সংগ্রামশীল পক্ষসমূহ স্পষ্ট আকারে ব্যক্ত হয়েছে। ‘এই প্রক