Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

বেঙ্গলবুকস ওয়েস্টার্ন উপন্যাস সিরিজ

বেঙ্গলবুকস ওয়েস্টার্ন উপন্যাস সিরিজ

৳3680
৳2944
বাথান সাবাডিয়া সিরিজ, ওয়েস্টার্ন উপন্যাস, বাথান হুয়ান কর্টেয ওরফে সাবাডিয়া। এক নতুন বন্ধুর সুপারিশে চাকরি নিল ওয়াই যেড বাথানে। ওদের তখন দুর্দিন যাচ্ছে। হরদম ছিনতাই হচ্ছে গরু। ফোরম্যান ব্রেইন মনে করে কাজটা ইন্ডিয়ানদের। কিন্তু মালিক বুড়ো সায়মন তা মানতে নারা
  লেখক   রওশন জামিল, শওকত হোসেন
  প্রকাশনী

 বেঙ্গলবুকস

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  রহস্য ,  গোয়েন্দা ,  ভৌতিক ,  থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

বাথান সাবাডিয়া সিরিজ, ওয়েস্টার্ন উপন্যাস, বাথান হুয়ান কর্টেয ওরফে সাবাডিয়া। এক নতুন বন্ধুর সুপারিশে চাকরি নিল ওয়াই যেড বাথানে। ওদের তখন দুর্দিন যাচ্ছে। হরদম ছিনতাই হচ্ছে গরু। ফোরম্যান ব্রেইন মনে করে কাজটা ইন্ডিয়ানদের। কিন্তু মালিক বুড়ো সায়মন তা মানতে নারাজ। কর্টেযও তার সঙ্গে একমত। রহস্যভেদের দায়িত্ব পড়ল ওর ওপর। অল্পের জন্য একবার প্রাণে বেঁচে গেল সে। ওদিকে ওর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে প্রিয়দর্শিনী নরিন পিটার, বাথান মালিকের একমাত্র কন্যা। শত্রুর পরিচয় জেনেছে হুয়ান কর্টেয। প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাল সে। টের পেল না ফাঁদে পা দিতে যাচ্ছে-গরু চুরি আর সায়মনকে হত্যা-চেষ্টার অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়া হলো ওকে… ওদিকে নরিন বন্দি নাটের গুরু জো টারম্যানের হাতে। এরপর? কী ঘটতে যাচ্ছে এ সিরিজের দ্বিতীয় কাহিনিতে? বুনো সীমান্ত বুনো টেক্সাসে চালু হয়েছে নতুন আইন। পিস্তলে মীমাংসাকে ঘোষণা করা হয়েছে অবৈধ। ন্যাট নিউপোর্ট পিস্তলবাজ নয়,কিন্তু বংশানুক্রমিক শত্রু ক্যাল বেইনের হত্যার হুমকির মোকাবিলায় লোকটাকে মেরে ফেলে। ফলে আইন প্রয়োগকারী রেঞ্জারদের হাত থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে হাজির হয় আউটলদের অভয়ারণ্য রিও গ্র্যান্ডে। সেখানে জেনি নামের এক অসহায় মেয়েকে আউটল’ চিফ ব্ল্যান্ড ও তার দলবলের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরো দলটাকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। তুখোড় পিস্তলবাজ হিসেবে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এটাকে সুযোগ হিসেবে নেয় খারাপ লোকগুলো। যেখানে যে অপকর্মই ঘটুক,দোষ চাপিয়ে দেয় নিউপোর্টের ওপর। রেঞ্জার সার্ভিস তার মাথার দাম হিসেবে পুরস্কার ঘোষণা করে। পেছনে লেলিয়ে দেয়া হয় ব্লাডহাউন্ডের দল। কিন্তু একজন রেঞ্জার কমান্ডার ক্যাপ্টেন ম্যাকনেলি জানে,নেট নিউপোর্ট আসলে কী? সীমান্তের ভয়ঙ্কর রাসলার চেসেলডাইন গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে তাকেই দরকার তার। প্রখ্যাত ওয়েস্টার্ন লেখক ও অনুবাদক মাসুদ আনোয়ার-এর সম্পূর্ণ নতুন রোমাঞ্চকর এই ওয়েস্টার্ন উপন্যাসটি এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো; টানটান উত্তেজনায় ঠাসা। বসতি রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ থেমে গেছে, ঘরে ফিরছে লোকজন। ভাগ্যের খোঁজে পুবের মানুষ যাচ্ছে পশ্চিমে। ওসমান পরিবার এখন পুরোপুরি ওয়েস্টার্ন। মায়ের নির্দেশে দু’ভাই, অ্যানজেল আর ও’নীল টেনেসি থেকে রওনা হয়েছে রকি পর্বতমালার দিকে। পথে দেখা হলো দুজন মেয়ের সাথে- কিটি এবং রোসাবেলা। অ্যানজেল কিটিকে বিয়ে করল। ওদিকে রোসাবেলার দাদু, ডন লুকাসের জমিদারি আত্মসাৎ করতে চাইছে কিটির বাবা। রুখে দাঁড়াল ও’নীল ওসমান। রওশন জামিল রচিত সাড়াজাগানো ওসমান সিরিজের জমজমাট ওয়েস্টার্ন উপন্যাস। ধূম্রজাল প্রতিশোধের অদম্য স্পৃহা বুকে নিয়ে দীর্ঘ দশ বছর পর স্যান ফার্নান্দো উপত্যকায় ফিরেছে মাইকেল ব্রেনান। মিথ্যা খুনের দায়ে কারাবাস কঠিন করে তুলেছে ওকে। ভয়ংকর নিষ্ঠুর প্রতিপক্ষ এরকুল লায়োনেসকে উৎখাত করে স্বপ্নের খামার উদ্ধার করবে। কিন্তু বদলে যাওয়ার জন্য দশ বছর লম্বা সময়। ওর সাবেক প্রেমিকা এডনা অপেক্ষা করেনি, প্রতিবেশী তরুণ মার্ক ওলসেনকে বিয়ে করেছে সে। সহসা দাবানলের মতো দেখা দিলো নতুন শত্রু। পুবের মেয়ে, অনন্যরূপসী জেনিসের অপহরণ যেন ইন্ধন জোগাল জ্বলন্ত অনলে। ব্রেনানকে খতম করতে হাত মেলাল সমস্ত অপশক্তি। এখন প্রাণরক্ষার একটাই পথ পালটা লড়াই। বেপরোয়া পশ্চিমে সোনা খুঁজে পেয়েছে ম্যাট রবার্টস। একমাত্র মেয়ে নোরা পুবে পড়াশোনা করে। মা নেই। বাবার চিঠি পেয়ে অ্যারিযোনায় গিয়ে জানতে পারল,মাত্র দু’দিন আগে খনিতে দুর্ঘটনায় মারা গেছে ম্যাট। মহাবিপদে পড়ে গেল মেয়েটা। যাবে কোথায়? সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল,বাবার খনিতেই থাকবে সে। ওটা তার নিজের বাড়ি। আর বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি তাকেই রক্ষা করতে হবে। কিন্তু প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী র‍্যাঞ্চার স্যাম কার্লসন ও তার ভাই। তাদের দাবি,ম্যাট রবার্টস উটকো লোক। খনিটা তাদেরই। ওদিকে ওত পেতে আছে অ্যাপাচিদের দল। যেকোনো সময় নোরার মতো একা মেয়েমানুষকে তুলে নিতে পারে। কী করবে নোরা? ওর সাথে কেউ নেই। না,একজন আছে সে হলো গোঁয়ার-গোবিন্দ এক আধা শ্বেতাঙ্গ আধা অ্যাপাচি। নাম জ্যাক রেডম্যান। ঝড় বাররুমে মিল্ট র‍্যাভেনকে দেখে চমকে উঠল আনা। ঘৃণায় নীল হয়ে উঠল মুখ। ওর স্বামীর খুনির সাথে হুবহু মিল লোকটার। ছোট্ট একটা পাহাড়ি শহরের রোডহাউসের মালিক আনার বাবা অ্যান্টন সেনার্ক। একসময় ডাকাত দলের সদস্য ছিল। টেক্সাসে একটা ব্যাংকলুটের সব টাকা মেরে দিয়ে এই পাহাড়ি শহরে এখন গুছিয়ে বসেছে। কিন্তু দলনেতা শ্যালট বিশ্বাসঘাতক সদস্যকে খুঁজে বের করে দলবল নিয়ে হাজির হয়েছে। প্রথমে অস্বীকার গেলেও পরে টাকাটা ফিরিয়ে দিতে রাজি হলো সেনার্ক। শ্যালটকে নিয়ে গেল করোনা ক্লেইমে। উদ্দেশ্য, যেভাবে হোক খুন করবে তাকে। ওদিকে মিল্টের ভাই কুলিন তার লালসা মেটাতে হামলে পড়তে চাইছে আনার ওপর। কী করবে আনা? মিল্টের চাইবে? কিন্তু লোকটাকে যে সে ঘৃণা করে! কাছে সাহায্য চাইবে? কিন্তু লোকটাকে যে সে ঘৃণা করে! নীলগিরি কোনো কোনো লোকের জন্যে এক একর জমি আর একটি কুটিরই যথেষ্ট : অ্যালান ওসমান তাদের দলে নয়-সুদূরের তৃষ্ণা ওকে ইংল্যান্ডের শান্ত- নিথর হাওর এলাকা থেকে সাগরপারের আমেরিকায় নিয়ে গেল। এবার সঙ্গে আছে রেবেকা,ওর মানসী। পশ্চিমের দুর্মর হাতছানিতে সঙ্গীসাথী নিয়ে অ্যালান মুখ ফেরালো ভার্জিনিয়ার নীল শৈলমালার পানে… জেমস নদীর তীরে বানালো নিজেদের কেল্লা। বেশ শান্তিতেই কাটছিল,কিন্তু একদিন… পশ্চিমে কীভাবে বসতি শুরু হয়েছিল তার দ্বিতীয় কাহিনি। প্রখ্যাত ওয়েস্টার্ন লেখক রওশন জামিলের দক্ষ হাতে ওসমান সিরিজের দ্বিতীয় বই ‘নীলগিরি’। পাতায় পাতায় জমাট কাহিনির টানটান উত্তেজনা। প্রত্যয় হুয়ান কর্টেয ওরফে সাবাডিয়া। দুই জাতির রক্ত বইছে ওর শরীরে। চোখের তারায় পিস্তলবাজদের কঠিন দৃষ্টি। কিন্তু সাবাডিয়া পিস্তলবাজ নয়। যেসব সাহসী বন্ধু প্রাণ দিয়েছে ওর জন্যে, যে বিশ্বাসকে বাস্তবায়ন করতে গিয়েও পারেনি সে, তারই স্মৃতি চেহারায় এনে দিয়েছে ওই কাঠিন্য। ওর মাথার দাম চড়া, যখন সীমান্ত পেরোবে আর কোনো বন্ধু থাকবে না ওর। সামনে টেক্সাসের ছোট্ট এক শহরে দানা বেঁধে উঠেছে হিংসা-অপেক্ষা করছে সাবাডিয়ার জন্য ঘোর বিপদ। রওশন জামিল রচিত সাড়াজাগানো সাবাডিয়া সিরিজের দুর্দান্ত ওয়েস্টার্ন উপন্যাস। বুলেট কিংবা ভালোবাসায় ধূলি-ধূসর আর রক্তমাখা জমিনে, একটুখানি সুখের স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস করেছিলেন একজন। রোডস শহরকে একেবারে ধূলিকণা থেকে গড়ে তুলেছেন কর্নেল এবারডিন এ ফিনিগান। অ্যারিজোনার গভীরে, রুক্ষ এই বিরানভূমিতে শহর গড়তে ঝরেছে ঘাম, বয়েছে রক্ত। নিজ হাতে গড়া এ শহরে একদিন হানা দিল বহিরাগত শত্রুর দল। বিশ্বাসঘাতকতা, টাকা ও বন্দুকের নল কেড়ে নিল শান্তি। ফিনিগানকে রুখে দাঁড়াতে হবে, বিশ্বস্ত কিছু সঙ্গীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়তে হবে অন্তিম লড়াই। এ লড়াই গৌরব অর্জনের-এ লড়াই রোডসের মুক্তির। প্রতিপক্ষ আউট-ল ওরা, দস্যু। চার জনের একটা দল। অ্যালেক্স, স্টু, প্যাট্রিক আর দলপতি রক বেনন। ডাকাতি করে বেড়ায় এখানে-ওখানে। হঠাৎ একদিন রেলর্ড রিচি নামে এক স্বল্পভাষী তরুণকে সাথে নিয়ে ফিরল রক। দস্যু জীবনের কালিমা স্পর্শ করার আগেই একদিন সঞ্চয়ের সব টাকা ছেলেটার হাতে তুলে দিল চার দস্যু। বললো, নতুন জীবন শুরু করো গে, যাও। কঠোর পরিশ্রম করে জনমানবহীন ডার্ক ক্যানিয়নের। মালভূমিতে স্বপ্নের র‍্যাঞ্চ গড়ে তুলল রিচি। তারপর একদিন এলো মহাবিপদ। রিচির দুঃসময়ে পাশে এসে দাঁড়াল চার দস্যু। প্রহরী বেপরোয়া যুবক টমাস রলিংস। শত্রুপক্ষের হামলা এড়াতে চলে এলো পশ্চিমে, ক্যানসাসের ছোট এক শহরে। এসেই জড়িয়ে পড়লো নতুন ঝামেলায়। বিচিত্র কৌশলে প্রায় আড়াই লাখ ডলারের চালান ছিনিয়ে নেবার পাঁয়তারা করছে একদল দুর্বৃত্ত। শহরের মার্শাল রড মরগান ও এদিকে নিখোঁজ। ঠেকাবে কে? ঘটনাচক্রে টমাসের কাঁধেই চাপলো দায়িত্ব। ক্রমশ এগিয়ে আসছে বিপদ। চারদিকে শত্রু। কাকে বিশ্বাস করবে ও? কী হতে যাচ্ছে শেষ পর্যন্ত? কাসা দিয়াবলো ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল হয়ে উঠেছে সূর্যস্নাত সীমান্ত-শহর কাসা দিয়াবলো। লালসা আর উচ্চাকাঙ্ক্ষার ঝান্ডার নিচে একজোট হয়েছে শহরের মেয়র আর রেলরোড কোম্পানির মালিকগোষ্ঠী। প্রতি ইঞ্চি জমি গিলে খেতে চায় তারা; শহরের প্রতি পরতে যেন মিশে আছে রক্ত আর বিশ্বাসঘাতকতার এক নির্দয় আখ্যান। এ সময় শহরে আসে এক তরুণ,কিছুদিন পরে আরও ক’জন। গৃহযুদ্ধের আগুনে পুড়ে তারা যেন সকলেই খাঁটি সোনা,অভিন্নহৃদয় বন্ধু। স্বাধীন জীবনের স্বপ্ন আবার জাগিয়ে তোলে তারা,এক হয় শহরবাসী। মেয়র আর রেলরোড কোম্পানির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় সবাই। ঘোড়ার খুরের বজ্রনিনাদ আর বারুদের নির্ঘোষে কাসা দিয়াবলোর শান্ত রাস্তা হয়ে ওঠে রণক্ষেত্র। নিউ মেক্সিকোর রোদে পোড়া মরুভূমির বুকে রচিত হয় ন্যায়,পাপমোচন আর বন্ধুত্বের এক অনন্য গাথা। কাসা দিয়াবলোর প্রতিটি ধূলিকণাই যেন লিখে দিয়েছে স্বাধীনতার এই অনবদ্য উপন্যাস। দখল অ্যাকশনধর্মী ওয়েস্টার্ন উপন্যাস, দখল টানা ছয় বছর ইন্ডিয়ান আর ভয়ংকর রাসলারের মোকাবিলা করে পঞ্চাশ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিছানো স্বর্গভূমি ডিপ ক্রিক রেঞ্জে র‍্যাঞ্চ গড়ে তুলেছে ন্যাট রাফ। জীবনের বাকি দিনগুলো এখানেই শান্তিতে কাটিয়ে দেবে—এই আশায়। কিন্তু চাইলেই কি শান্তি হয়? সহসা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই কোত্থেকে যেন হাজির হয়েছে লোভী, দুর্বিনীত, নির্মম ব্যবসায়ী জেড ডেভিড। মেক্সিক্যান সেন্ট্রালের সাথে রেইলরোড টাই সরবরাহের চুক্তি করেছে সে, নজর পড়েছে ন্যাটের রেঞ্জে, সব গাছ কেটে সাফ করবে এবার। ওর এতদিনের পরিশ্রমের ফসল, স্বপ্ন-খামারের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখোমুখি। ডেভিডের পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে দুষ্ট রাজনীতিক, অসৎ ব্যাংকার আর কাউন্টির অন্তত পঞ্চাশজন কাঠুরে। এত সহজে হার মানবে না ন্যাট, সর্বশক্তি নিয়ে রুখে দাঁড়াল সে, একচুল আপস করতে রাজি নয়। জলদস্যু স্বাধীনচেতা নির্ভীক এক জেদি মানুষ অ্যালান ওসমান। পথের ধারে একদিন স্বর্ণমুদ্রা কুড়িয়ে পেল। বেচতে গিয়েই পড়ল বিপদে। প্রচণ্ড ক্রোধ আর তলোয়ারে মারাত্মক দক্ষতা তাকে নিয়ে গেল চরম দুর্ভোগের শেষ প্রান্তে। স্বদেশ ইংল্যান্ড ছেড়ে পশ্চিমে রওনা দিল সে,জলদস্যু-অধ্যুষিত সাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছল আমেরিকার এক অজানা বিপদসংকুল সীমান্তে। সেখানে পদে পদে ইন্ডিয়ান,পিস্তলবাজ আর খুনে-ডাকাতের ভয়। পশ্চিমে কীভাবে বসতিস্থাপন শুরু হয়; তার এক শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনি।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।