Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি সম্পর্কে ২টি বই একসাথে (প্যাকেজ)

বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি সম্পর্কে ২টি বই একসাথে (প্যাকেজ)

৳495
৳346
গোল্ড ইজ মানি মানবসভ্যতার প্রাচীনকাল থেকে হাজার হাজার বছর স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রাই শাসন করেছে পৃথিবী। কারণ সবদিক থেকে একমাত্র সোনা ও রুপারই সেই শক্তি, ক্ষমতা, যোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্য আছে, যা ‘অর্থ’ হিসেবে টিকে থাকার জন্য জরুরি। ইউরোপে ব্যাংকব্যবস্থার উত্থানের প
  লেখক   কারেল বেকম্যান, জেমস রিকার্ডস
  প্রকাশনী

 ফাউন্টেন পাবলিকেশন্স

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  প্রবন্ধ
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

গোল্ড ইজ মানি মানবসভ্যতার প্রাচীনকাল থেকে হাজার হাজার বছর স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রাই শাসন করেছে পৃথিবী। কারণ সবদিক থেকে একমাত্র সোনা ও রুপারই সেই শক্তি, ক্ষমতা, যোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্য আছে, যা ‘অর্থ’ হিসেবে টিকে থাকার জন্য জরুরি। ইউরোপে ব্যাংকব্যবস্থার উত্থানের পর কাগুজে মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় বিশ্বব্যাপী; তবে সেটা ছিল গোল্ডস্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক-ই। দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় নানান পরিবর্তন আসে। নতুন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হিসেবে আমেরিকার উত্থান ঘটে; ‘ব্রেটন উডস’ সিস্টেমের আওতায় বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের একক আধিপত্য কায়েম হয়। পৃথিবীর সকল মুদ্রা হয়ে যায় ডলার নির্ভর আর ডলারের পেছনে মজুত থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন ঘোষণা দিয়ে ডলারের বিপরীতে থাকা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বাতিল করে দিলে ডলার হয়ে যায় এক টুকরো কাগজ মাত্র। ডলারের প্রতি পৃথিবীবাসী আস্থা হারিয়ে ফেলে আর ডলারও পড়ে যায় হুমকির মুখে। একেবারে শেষ মুহূর্তে ‘পেট্রো-ডলার চুক্তি’ ডলারের প্রাণ ফিরিয়ে দেয় আরও কিছুদিন বাঁচার জন্য।পেট্রোডলার চুক্তি কিছুদিনের জন্য ডলারকে বাঁচিয়ে রাখলেও বিশ্বনেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়নি। তখন থেকেই শক্তিশালী দেশগুলো ডলারের দাদাগিরিকে চ্যালেঞ্জ করে আসছে; আর সেটা করছে স্বর্ণের মজুত বৃদ্ধির মাধ্যমে। কারণ সবাই জানে, স্বর্ণই সত্যিকারের অর্থ, যার কাছে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ থাকবে, বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় তার আধিপত্য চলবে। বিয়ন্ড ডেমোক্রেসি বইটি তিনভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে আমরা ‘সংসদীয় গণতান্ত্রিক খোদার ওপর আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করেছি। আর ১০টা ধর্মের মতোই গণতন্ত্রের কিছু নিজস্ব ‘বিশ্বাস’ রয়েছে। রয়েছে কিছু অন্ধবিশ্বাস; যা সবাই বিনা প্রশ্নে, বিনা দ্বিধায় অমোঘ সত্য বলে মেনে নিয়েছে। গণতন্ত্রের ১৩টি মিথ বা কুসংস্কারের আদলে আমরা তা পেশ করব। দ্বিতীয় ভাগে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির বাস্তব, ব্যাবহারিক ও প্রায়োগিক কুফল নিয়ে আলোচনা করব। আমরা দেখিয়ে দেবো কেন গণতন্ত্রের অনিবার্য গন্তব্য— স্থবিরতা, অদক্ষতা এবং অবিচার। তৃতীয় ধাপে আলোচনা করব গণতন্ত্রের বিকল্প নিয়ে। স্বায়ত্তশাসন, বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকার ও ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে নতুন সিস্টেম দাঁড় করাব। আজ থেকে মাত্র ১৫০ বছর পূর্বে নানা কারণে অধিকাংশ পশ্চিমা রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের জন্ম হয়। তখন যে কারণেই জন্ম হয়ে থাকুক না কেন, এখনো সংসদীয় গণতন্ত্রের ঘানি টানার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি এখন আর কাজ করছে না। নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।