| লেখক | শাইখ ইবরাহিম ইবনু সালেহ আল মাহমুদ |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
যেভাবে স্ত্রীর হৃদয় জয় করবেন ব্যক্তি থেকে শুরু করে রাষ্ট্র, আর্থ-সামাজিক, সব বিষয়ে ইসলামের রয়েছে সুনিপুণ দিকনির্দেশনা। তেমনি পরিবার বিষয়ে ইসলাম দিকনির্দেশনা দিয়েছে। একটি মজবুত, আন্তরিক এবং পরস্পর বোঝাপড়া ও সহানুভূতিশীল মুসলিম পরিবার নির্মাণ করার তাগিদ দেয় ইসলাম। এমন মুসলিম পরিবার—যা পরিচালিত হয়- শ্রদ্ধা, ভালবাসা, সম্মান, অঙ্গীকার, সুখ, মানসিক প্রশান্তির মাধ্যমে। যার স্লোগান হবে—ধর্ম হল আন্তরিকতা। যার লক্ষ্য হল—সন্তানদের সঠিক শিক্ষা দেয়া। যার ভিত্তি হল—কুর’আন, সুন্নাহ এবং সালাফদের নাসিহা। যার প্রেরণা হল—তাদেরকে বিচার দিবসে আহ্বান করে বলা হবে- “তোমরা এবং তোমাদের সহধর্মিনীগণ সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর। স্বর্ণের থালা ও পানপাত্র নিয়ে তাদেরকে প্রদক্ষিণ করা হবে; সেখানে রয়েছে সবকিছু, অন্তর যাচায় এবং নয়ন যাতে তৃপ্ত হয়। সেখানে তোমরা স্থায়ী হবে।” (সুরা যুখরূপ : ৭০-৭১) যার আদর্শ হবে—রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর সাহাবাগণ এবং তাঁর অনুসারীগণ। এ ক্ষেত্রে স্বামীর করণীয় কী, কীভাবে সে তার পরিবারকে ইসলামের আলোয় আলোকিত করবে? কীভাবে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক আরও নিবিড় করবে, ভালোবাসা সদা জাগুরুক রাখবে, সন্তানদের ইসলামের শিক্ষায় দীক্ষিত করবে, ইত্যাদি বিষয়ে আলোচিত বইটি। যেভাবে স্বামীর হৃদয় জয় করবেন অধিকহারে বিবাহ সংক্রান্ত সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়া, মুসলিম সমাজে তালাক সংক্রান্ত জটিলতার প্রসার, স্বামীর বিভিন্ন ব্যাপারে স্ত্রীর অধিক হস্তক্ষেপ এবং স্বামীর নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলা, পাশ্চাত্যের বিভিন্ন ধ্যান-ধারণার অনুসরণ ও কুরুচীপূর্ণ সিনেমা দেখার প্রতি মুসলিমদের অধিক আগ্রহ ইত্যাদি বিবাহ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা কী হবে? কীভাবে সে তার স্বামীর মন জয় করবে? ভাঙ্গা সংসার কীভাবে পুনরায় জোড়া দিবে? এ নিয়েই রচিত বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি। বইটি লেখার সময় এমন একটি মুসলিম পরিবারের চিত্র আমার মাথায় ছিলো—যে পরিবারে সবাই ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে, হৃদয়ে প্রশান্তি নিয়ে পরস্পর একসাথে বসবাস করে। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, মা-বাবার প্রতি নমনীয় আচরন করা ও তাদের সেবা-যত্ন করা যেকোন মুসলিম সন্তানের জন্য বাধ্যতামূলক কর্তব্য। এ ব্যাপারে অজুহাতের কোন সুযোগ নেই। এতে একজন মুসলিম ব্যক্তি নিজেও মানসিক প্রশান্তি অর্জন করে আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে সে দুনিয়া ও আখিরাতেও উত্তম প্রতিদান লাভ করে। যেভাবে মা-বাবার হৃদয় জয় করবেন বইটি লেখার সময় এমন একটি মুসলিম পরিবারের চিত্র আমার মাথায় ছিলো—যে পরিবারে সবাই ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে, হৃদয়ে প্রশান্তি নিয়ে পরস্পর একসাথে বসবাস করে। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, মা-বাবার প্রতি নমনীয় আচরন করা ও তাদের সেবা-যত্ন করা যেকোন মুসলিম সন্তানের জন্য বাধ্যতামূলক কর্তব্য। এ ব্যাপারে অজুহাতের কোন সুযোগ নেই। এতে একজন মুসলিম ব্যক্তি নিজেও মানসিক প্রশান্তি অর্জন করে আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে সে দুনিয়া ও আখিরাতেও উত্তম প্রতিদান লাভ করে।