| লেখক | শাইখ মাহমুদ আল-মিসরী, ডা. শামসুল আরেফীন |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
বিয়ের আগে : ফ্যান্টাসি নয়, হোক বাস্তব প্রস্তুতি স্পিডব্রেকারের কাজ কি মানুষকে গন্তব্যে পৌঁছতে বাধা দেয়া? কক্ষনো না। স্পিডব্রেকার তো মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য। বাধনহারা গতি যেন বিপদ ডেকে না আনে সে জন্য। সুস্থভাবে যেন স্বজনের কাছে সবাই ফিরতে পারে সে জন্য। ‘বিয়ের আগে’ বইটাও তেমনই এক স্পিডব্রেকার। এর উদ্দেশ্য কখনোই বিয়েকে বাধাগ্রস্ত করা, বিয়েকে নিরুৎসাহিত করা নয়। ‘বিয়ের আগে’ বইটির উদ্দেশ্য, বুঝেশুঝে বিয়েতে উৎসাহিত করা। পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে বিয়ে করতে বলা। সঠিকভাবে সঠিক মানুষকে বিয়ে করতে বলা। কারণ? কারণ, আমরা অসংখ্য অপরিণামদর্শী বিয়ে দেখেছি। কত দ্রুত ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে সেসব বাঁধন, যা সৃষ্টি হয়েছিল ফ্যান্টাসির ওপর ভর করে। আর তেমনটা না হোক। বিয়েকে কেউ খেলা না ভাবুক। তরুণ-তরুণীরা বিয়ের আগেই বিয়ের বাস্তবতাগুলো বুঝে নিক, প্রস্তুত হোক, বিয়ে করুক। অতঃপর সুখে-শান্তিতে দুনিয়া-আখিরাতে একত্রে বসবাস করুক। আল্লাহুম্মা আমীন। বিবাহ-পাঠ বিয়ে! কেমন হবে একজন মুসলমানের বিয়ে? বিয়ের সময় একজন মুসলিম পাত্র- পাত্রী বা তাদের অভিভাবকদের কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে? আমাদের সমাজের বিয়েগুলো কতটুকু ইসলামসম্মত? উত্তর আমাদের সবারই জানা। বিয়ের সংকল্প করা, পাত্র-পাত্রী নির্বাচন, পাত্র-পাত্রীর গুণাবলি, পাত্র-পাত্রী দেখা, বিয়ের সমস্ত কার্যকলাপ থেকে বাসর রাত পর্যন্ত সমস্ত বিষয়াদির ইসলামসম্মত গাইডলাইন এই বই। বিবাহ ইসলামের এমন এক বিধান, যা দেহ-মন-আত্মা-প্রজন্ম-সমাজ-পরিবারের সুস্থতা নিশ্চিত করে। বিপরীতে বিবাহের অনুপস্থিতি বা বিবাহ-প্রক্রিয়ার জটিলায়ন জন্ম দেয় শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, পরিবার-সমাজে অস্থিরতা, অসুস্থ হতাশ প্রজন্মের; পশ্চিমা সমাজ যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ইসলাম একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা। এতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আগাম-সমস্যা এড়ানোর এবং উদ্ভূত-সমস্যা নিরসনের নির্দেশনা রয়েছে। জীবনের যতগুলো সেক্টরের মুখোমুখি মানুষকে হতে হয়, সবগুলো। বিবাহ সম্পর্কিত সুস্পষ্ট নির্দেশনাও রয়েছে। তাই, আমাদের ঘরে ঘরে বরকতময় পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ইসলামের গাইডলাইন অনুসারে পাত্র-পাত্রী নির্বাচন থেকে শুরু করে বিবাহের অনুষ্ঠান সবকিছু সম্পন্ন করা উচিত। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রত্যেকের অবশ্যপাঠ্য একটি বই হতে যাচ্ছে ‘বিবাহ-পাঠ’। ভালোবাসার চাদর একটি গল্প শুনেছিলাম। দাম্পত্য অশান্তির তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এক পিতা তার পুত্রকে ওসিয়াত করছিলেন যে, ‘বাবা আর যা-ই করো না কেন জীবনে বিয়ে করবে না’। ছেলে বাবাকে বলেছিল, ‘জ্বি বাবা, আপনি একটুও দুশ্চিন্তা করবেন না, আপনার এই ওসিয়াত নিশ্চয়ই আমি আপনার নাতীদের কাছে পৌঁছে দিয়ে যাব’। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক—এমনকি কেরানি হওয়ার জন্যও কিছু না কিছু শেখানো হয়; কিন্তু স্বামী-স্ত্রী হওয়ার জন্য কোনো বিশেষ শিক্ষা নেই। অথচ আমরা আর যা কিছুই হই বা না হই, স্বামী-স্ত্রী হওয়ার আবশ্যকতা প্রায় শতভাগ। দাম্পত্য জীবনকে মোটেই হাল্কাভাবে দেখলে চলবে না; কারণ আপনি চান কিংবা না চান এটা আপনার প্রতিটি সকাল, প্রতিটি সন্ধ্যা, প্রতিটি রাতকে প্রভাবিত করবে। আপনার জীবনে সফলতা ব্যর্থতার গতিপথ নির্ধারণে প্রত্যক্ষ ভুমিকা রাখবে। তাই এই জীবন যারা শুরু করেননি তাদের যেমন এ বিষয়ে জ্ঞান প্রয়োজন, যারা জ্ঞানহীন পথ চলে অনেক দূর এসেছেন ঠিকই, কিন্তু পথ ক্লান্ত-শ্রান্ত করে ছেড়েছে; কিংবা যারা ক্লান্ত হননি, তবে ভবিষ্যতে হতেও চান না তাদের সকলেরই প্রয়োজন। এমন সকলের জন্যই আমাদের এই বই “ভালোবাসার চাদর”। বিয়ে ও পাত্র নির্বাচন বিলম্বে বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। ছেলে মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরেও বিভিন্ন অজুহাতে তাদেরকে সময়মতো বিয়ে দেওয়া হচ্ছেনা। অভিভাবকদের অসচেতনতা‚ সামাজিকতা‚ লৌকিকতাই আজকাল বিয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। এর ফলে সন্তানরা ব্যক্তিগতভাবে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে‚ তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সমাজ। অশ্লীলতা‚ যিনা ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। আর এই সমস্যা এখন গ্রাম ও শহরে সমানে সমান। বর্তমান সময়ের প্রতিটা মূহুর্তে তরুণ তরুণীদের ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। হারাম রিলেশনশীপ‚ ম্যাসেঞ্জার, ইউটিউবের অশ্লীলতা ইত্যাদির মাধ্যমে তরুণরা বিপথগামী হচ্ছে। এর থেকে মুক্তির একটি অন্যতম উপায় হচ্ছে বিয়ে। বিয়ে করলে জীবন সুশৃঙ্খল হয়, জীবন অর্থপূর্ণ হয়। বিয়ে না করলে জীবনের অর্থ বোঝা যায়না‚ জীবন হয় অর্থহীন। আল্লাহ তা’আলার দেওয়া যৌবনকে উপভোগ করতে হবে। অনেকেই এ যৌবনকে বৈধভাবে উপভোগ করছে‚ আবার অনেক অবৈধভাবে। যারা বিবাহ করছেনা তারা স্থায়ী বা বৈধ উপভোগকে ত্যাগ করে অনেক সময় অবৈধ উপভোগ‚ ক্ষণস্থায়ী উপভোগ অথবা নিজের জীবন যৌবনের চাহিদাকে অর্থহীনভাবে প্রবাহিত করছে। এভাবে এক পর্যায়ে যৌবন শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু জীবনটা থেকে যাচ্ছে। সবশেষে ওই জীবনটা হয়ে যাচ্ছে দুর্বিষহ। বর্তমান সমাজে অসুস্থ, নোংরা আর অবৈধ কার্যক্রমের দরজাকে বিস্তীর্ণভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। হালাল পথকে কঠিন করা হয়েছে এবং হারামকে করা হয়েছে অত্যন্ত সহজ। তাই আপনাকে স্বাভাবিক নিয়মের বাহিরে গিয়ে হালালকে সহজ করে নিতে হবে। আপনাকে সময়মতো বিয়ে করতে হবে। ইসলাম বিয়েকে সহজ করে দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবীগণ নিজেদের জীবনে বিয়েকে সহজভাবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তাঁদের জীবনে বিবাহ ছিল অন্যতম আনন্দময় ঘটনা। অথচ সেই বিবাহই আজ কঠিন হয়ে গেছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে বিবাহ পরবর্তী জীবন আরও কঠিন হয়ে গেছে। কারণ যুবক যুবতীরা তাদের জন্য যুতসই লাইফ পার্টনার নির্বাচন করতে পারছে না। এই বই লেখার উদ্দেশ্যই হচ্ছে হালাল পথ তরুণ- তরুণীদের মাঝে সহজ করা, বিয়েকে উৎসাহিত করা। একইসাথে তরুণ – তরুণীদের উপযুক্ত ও যুতসই জীবনসঙ্গী পেতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া। বিয়ে ও পাত্রী নির্বাচন বিলম্বে বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। ছেলে মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরেও বিভিন্ন অজুহাতে তাদেরকে সময়মতো বিয়ে দেওয়া হচ্ছেনা। অভিভাবকদের অসচেতনতা‚ সামাজিকতা‚ লৌকিকতাই আজকাল বিয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। এর ফলে সন্তানরা ব্যক্তিগতভাবে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে‚ তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সমাজ। অশ্লীলতা‚ যিনা ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। আর এই সমস্যা এখন গ্রাম ও শহরে সমানে সমান। বর্তমান সময়ের প্রতিটা মূহুর্তে তরুণ তরুণীদের ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। হারাম রিলেশনশীপ‚ ম্যাসেঞ্জার, ইউটিউবের অশ্লীলতা ইত্যাদির মাধ্যমে তরুণরা বিপথগামী হচ্ছে। এর থেকে মুক্তির একটি অন্যতম উপায় হচ্ছে বিয়ে। বিয়ে করলে জীবন সুশৃঙ্খল হয়, জীবন অর্থপূর্ণ হয়। বিয়ে না করলে জীবনের অর্থ বোঝা যায়না‚ জীবন হয় অর্থহীন। আল্লাহ তা’আলার দেওয়া যৌবনকে উপভোগ করতে হবে। অনেকেই এ যৌবনকে বৈধভাবে উপভোগ করছে‚ আবার অনেক অবৈধভাবে। যারা বিবাহ করছেনা তারা স্থায়ী বা বৈধ উপভোগকে ত্যাগ করে অনেক সময় অবৈধ উপভোগ‚ ক্ষণস্থায়ী উপভোগ অথবা নিজের জীবন যৌবনের চাহিদাকে অর্থহীনভাবে প্রবাহিত করছে। এভাবে এক পর্যায়ে যৌবন শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু জীবনটা থেকে যাচ্ছে। সবশেষে ওই জীবনটা হয়ে যাচ্ছে দুর্বিষহ। বর্তমান সমাজে অসুস্থ, নোংরা আর অবৈধ কার্যক্রমের দরজাকে বিস্তীর্ণভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। হালাল পথকে কঠিন করা হয়েছে এবং হারামকে করা হয়েছে অত্যন্ত সহজ। তাই আপনাকে স্বাভাবিক নিয়মের বাহিরে গিয়ে হালালকে সহজ করে নিতে হবে। আপনাকে সময়মতো বিয়ে করতে হবে। ইসলাম বিয়েকে সহজ করে দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবীগণ নিজেদের জীবনে বিয়েকে সহজভাবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তাঁদের জীবনে বিবাহ ছিল অন্যতম আনন্দময় ঘটনা। অথচ সেই বিবাহই আজ কঠিন হয়ে গেছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে বিবাহ পরবর্তী জীবন আরও কঠিন হয়ে গেছে। কারণ যুবক যুবতীরা তাদের জন্য যুতসই লাইফ পার্টনার নির্বাচন করতে পারছে না। এই বই লেখার উদ্দেশ্যই হচ্ছে হালাল পথ তরুণ- তরুণীদের মাঝে সহজ করা, বিয়েকে উৎসাহিত করা। একইসাথে তরুণ – তরুণীদের উপযুক্ত ও যুতসই জীবনসঙ্গী পেতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া।