| লেখক | S. M. Zakir Hussain |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ভাষা ও অভিধান |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 116 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
“ব্রিটিশ অ্যান্ড আমেরিকান ইংলিশ ডিফারেন্টিয়েটেড” বইয়ের ভূমিকার অংশ থেকে নেয়া: English মূলত British দেরই ভাষা । কিন্তু একমাত্র এই অধিকার বলেই আজ আর তারা এই ভাষাটির গতিবিধির সর্বময় নিয়ন্তা নয়। এক্ষেত্রে American দেরকে এখন আর তাচ্ছিল্যের চোখে দেখার উপায় নেই। তাদের আছে নিজস্ব সাহিত্য, ভাষাগত সূক্ষ্ম পার্থক্যমূলক বৈশিষ্ট্য। এগুলাে নিয়ে তারা আন্তর্জাতিক ভাষা English এর উপর প্রভাব ফেলছে এবং ফেলতে থাকবে । কিন্তু এই দুই রীতির English এর মধ্যে কিছুটা বিরােধ বর্তমান ব’লে, এবং আন্তর্জাতিক ইংরেজি এই উভয় ইংরেজি দ্বারা প্রভাবিত বলে, আমাদেরকে উভয় ইংরেজি সম্বন্ধে সম্যক ধারণা রাখতে হয়। তা না। হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যােগাযােগ রক্ষা এবং মনােভাব আদান-প্রদান আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে উঠবে। উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের জন্য, TOEFL, GMAT, GRE, SAT ইত্যাদি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আমরা এখন অনেকাংশেই American দের তথা American English এর উপর নির্ভরশীল। এ কারণে আজ আন্তর্জাতিকভাবে standard English শেখার পাশাপাশি আমাদরকে American English-এর। নিজস্ব দিকগুলােকেও ভালােভাবে জেনে নিতে হচ্ছে। আর এটি জানতে গিয়েই ইংরেজির দুই প্রভাবশালী ধারাকেই জানা হয়ে যাচ্ছে। কারণ, AmE, BrE-থেকে কোন কোন দিক থেকে আলাদা তা জানা মানেই তাে BrE, AmE-থেকে কিভাবে আলাদা তা জানা। আর আমাদের দেশে ছােটবেলা থেকে আমরা যে ইংরেজি শিখে থাকি তা মূলত British English দ্বারা। বেশি প্রভাবিত। ফলে, তা থেকে AmE কে পৃথক করলেই উভয়কেই পৃথক করা হবে। এই বইতে AmE এবং BrE এর পার্থক্য দেখাতে গিয়ে, এ কারণে, ইংরেজি বিষয়ক সাধারণ কোনাে বিষয় সম্বন্ধে আলােচনা করা হয়নি, কেবল উক্ত দুই রীতির English এর পার্থক্যের বিষয় গুলােকেই তুলে ধরা হয়ছে। সুতরাং পাঠক মােটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, যে দিকগুলাে নিয়ে এই বইতে আলােচনা করা হয়নি, সেগুলাে উভয় English-এ-ই common।