| লেখক | মহিউদ্দিন বিন জুবায়েদ, মুফতি ফরহাদ হুসাইন |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
দ্য পারফেক্ট হাসব্যান্ড ইসলামে পুরুষকে ঘরের কর্তা হিসেবে বিবেচিত করেছেন। আল্লাহ তায়ালা পুরুষকে দায়িত্ব-ও সেভাবেই দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় অধিকাংশ পুরুষ-ই সেই দায়িত্ব সম্পর্কে বে-খবর, আল্লাহ তায়ালা তাকে কি পরিমাণ দায়িত্ব দিয়েছেন সে সম্পর্কে অবগত নয়, যার কারণে দেখা যায় সংসারে নানা ধরণের সমস্যার উৎপত্তি হয়। তাই সকল পুরুষের জানা উচিত যে, ইসলাম তাকে কতটা দায়িত্ব দিয়েছেন। * তার গুনাবলী কেমন হওয়া উচিত? * দ্যম্পত্ব জীবনে স্বামীর কি ভুমিকা থাকা দরকার? * কি কি গুণ স্বামীর মাঝে থাকলে সংসার আনন্দময় হয়ে উঠবে? স্বামী যখন তার এ সমস্ত বিষয়ে অবগত হয়ে যাবে, তখন এমনিতেই তার সাংসারিক জীবন সুখময় হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। দ্য পারফেক্ট ওয়াইফ ইসলাম দুর্বলের প্রতি দয়া করে। সৃষ্টিগত ভাবেই আল্লাহ পুরুষকে বেশি শক্তি দিয়েছেন। নারীকে দিয়েছেন কম। আল্লাহ তায়ালা নারীকে দায়িত্ব-ও সেভাবেই দিয়েছেন, যেভাবে তার শরীর বানিয়েছেন। আর পুরুষকে তার শরীরের শক্তির পরিমাণ দায়িত্ব দিয়েছেন। ইসলাম জীবিকা আয়ের দায়িত্ব নারীর ওপর দেয়নি। যদি মেয়ে হয় তাহলে তাকে লালন-পালনের দায়িত্ব বাবার ওপর দেয়া হয়েছে। যদি সে বোন হয় তাহলে তাকে লালন-পালনের দায়িত্ব ভাইয়ের ওপর দেয়া হয়েছে। যদি সে স্ত্রী হয়, তাহলে তাকে লালন-পালনের দায়িত্ব স্বামীর ওপর দেয়া হয়েছে। ইসলাম সারাজীবনে কখনোও নারীর ওপর জীবিকার ভার দেয়নি। বরং তার কাছের জনের ওপর দায়িত্ব দিয়েছে, তোমরা আয় করে ঘরে এনে তাদের খাওয়াবে। নারীকে ইসলামে ঘরের রাণী বানিয়েছে। এখন ঘরের এ রানী যদি তার মর্যাদা সম্পর্কে বে-খবর থাকে, সে কি পরিমাণে দামী সে সম্পর্কে অবগত না থাকে, তবেই তো সে এক পর্যায়ে গিয়ে রানী থেকে ঘরের চাকরানীতে পরিণত হয়ে যাবে। এমনকি ইসলাম আপনাকে যে সম্মান দিয়েছে সে সম্মান আপনি ধরে রাখতে পারবেন না। পারবেন-ই বা কি করে? আপনি তো সে সম্পর্কে বে-খবর। ইসলাম নারীর প্রতি কতটা দয়া করেছেন, সেটা সকলের-ই জানা উচিত। * ইসলামে নারীর র্মযাদা * নারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি * স্ত্রী হিসেবে নারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য * স্ত্রীদেরকে আল্লাহ কি দায়িত্ব দিয়েছেন * মা হিসেবে নারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য * কন্যা ও বোন হিসেবে নারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি * স্বামী ঘরে আসার পর দায়িত্ব * আদর্শ নারীর কিছু গুণাবলী * নারীদের মধ্যে কথা বিকৃত করার বৈশিষ্ট * যেসব গুণাবলীর কারণে স্বামীরা স্ত্রীদের ভালোবাসেনঃ * একে অপরের কিছু ভাল দিক খুঁজে বের করাঃ * স্বামীকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা * অবৈধ ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য না করা * স্বামী-স্ত্রীর একান্ত গোপনীয়তা প্রকাশ না করা * স্বামীর ঘর ছাড়া অন্য কোথাও বিবস্ত্র না হওয়া * স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কাউকে তার ঘরে ঢুকতে না দেয়া * স্বামীকে সাহস দেওয়া * স্বামীর ব্যাপারে দরদী হওয়া * স্বামীর মন জয়ের পদ্ধতি * স্বামীর সাথে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করবে নারী জীবনের বেশকিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলোর সওয়াবের কথা জানতে পারলে আপনার বুঝে আসবে। যে ঘরে মেয়ে জন্মে, আল্লাহ সে ঘরে রহমতের দরজা খুলে দেন। দুই মেয়ে হলে বাবার জন্যে দুটি রহমত হয়। এমন বাবা জান্নাতে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এতো কাছে থাকবে, দুটি আঙ্গুল যতো কাছে থাকে। দ্য কেয়ারিং কাপল বিয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নেওয়া উচিত? বিবাহ স্পর্শকাতর একটি বিষয় বিয়ে মানব জাতির জন্য একটি বিশেষ নেয়ামত পরিবার ও সম্পর্ক নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি বিয়ে কিভাবে আপনার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে LOVE AFTER MARRIGE স্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে একটি হাদীস দাম্পত্য জীবনে সুখের রহস্য সুস্থ দাম্পত্য সুস্থ প্যারেন্টিং-এর চাবিকাঠি যেনাকারী নারী ও পুরুষের কি শাস্তি? তালাকের শরঈ পদ্ধতি ও হিল্লা বিয়ের বিধান সহবাস কিংবা নির্জন বাসের পূর্বেই স্ত্রীকে তালাক প্রদান কুরআন ও হাদীছে তালাক হিল্লা বিবাহ দাম্পত্য জীবনে যে সকল ক্ষেত্রে পরিমিতিবোধের অভাব পরিলক্ষিত হয় পারস্পরিক সেবা ও শ্রমের মূল্যায়ন করার বিষয়টি তার মধ্যে সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এ অভাব উভয় পক্ষেই। স্বামী যেমন স্ত্রীর দিনমানের পরিশ্রমকে মর্যাদার চোখে দেখছে না, তেমনি স্ত্রীও স্বামীর খাটা-খাটনি ও তার পক্ষ হতে প্রাপ্তির যথাযথ কদর করছে না। বলা বাহুল্য, কলহমুক্ত ও মধুর দাম্পত্য রচনার পক্ষে এটা অনেক বড়ো বাধা। এর অপসারণ জরুরি। সে জন্য দরকার নিজ প্রাপ্য ও অধিকারের সীমারেখা সম্পর্কে সচেতনতা। কতটুকু আমার প্রাপ্য এবং কতটুকু নয়, তা জানা থাকলেই প্রাপ্তির যথার্থ মূল্যায়ন সম্ভব হয়। অন্যথায় পথ প্রদর্শনের জন্য যুগে যুগে পাঠিয়েছেন নবী-রাসূল সর্বশেষ নবী ও রাসূল আমাদের আদর্শিক নেতা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাঁর উম্মতগণ তাদের দাম্পত্য জীবন কেমনভাবে পরিচালনা করবে এবং যত্নশীল হবে তার দিক নির্দেশনাও তিনি দিয়ে গেছেন। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক বা দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে যত্নশীল হওয়ার জন্য দ্য কেয়ারিং কাপল” বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। কুরআনুল কারিমের নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে না বলুন বলুন তো,ইবাদাত কাকে বলে? জবাব পেয়েছি নামায পড়া। কেউ বলছে রোযা করা। আবার কেউ বলছে হজ্জ করা ইত্যাদি। বড়জোর কেউ কেউ যাকাতের কথা বলছে। তখন আমার মনে হয়েছে- অধিকাংশ মানুষই ইবাদাতের পুরো ব্যাখ্যা জানে না। আংশিক জানে। যা কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার আদেশমাত্র। তবে নিষেধগুলো থেকে বিরত থাকাও যে ইবাদাত তা খুব কম লোকই জানে। অথচ আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা কুরআনুল কারিমের সুরা হাশরে বলেছেন- “রসূল যা কিছু তোমাদের দেন তা গ্রহণ করো এবং যে জিনিস থেকে তিনি তোমাদের বিরত রাখেন তা থেকে বিরত থাকো। আল্লাহকে ভয় করো। আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।” [সুরা হাশর : ৭] এ নির্দেশের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ ও নিষেধের আনুগত্য করা। হযরত আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে,নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “আমি কোন বিষয়ে তোমাদের নির্দেশ দিলে তা যথাসাধ্য পালন করো। আর যে বিষয়ে বিরত থাকতে বলি তা থেকে দূরে থাকো।” [বুখারি,মুসলিম] অনেকের ইচ্ছা আছে আল্লাহর আদেশ নিষেধ মেনে চলার। কিন্তু কোনটি আদেশ আর কোনটি নিষেধ তা না জানার কারণে মানতে পারছে না। তখন আমার মনে হলো- নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ থেকে বিরত থাকাও যেহেতু ইবাদাত,সেহেতু কুরআনুল কারিম থেকে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ আলাদা করে উপস্থাপন করলে সহজেই যে কেউ নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ থেকে নিজেকে বিরত রেখে ইবাদাতের আঞ্জাম দিতে পারবে। এমন ভাবনা থেকেই মূলত “কুরআনুল কারিমের নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে না বলুন” শিরোনামে বইটি লেখা। বইটিতে নব্বইটি বিষয় স্থান পেয়েছে। যাতে কুরআনের আয়াত,শিক্ষা এবং দালিলিক প্রমাণ সহকারে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। প্রতিটি মুসলিম দ্বীনি ভাই-বোন বইটি হাতের কাছে রাখলে জীবন চলার পথে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ চিহ্নিত করে নিজেকে খুব সহজেই সেসব কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে বলে আমি আশাবাদী। ফলে দুনিয়া-আখিরাত উভয় জগতেই সুন্দর হবে। ইনশাআল্লাহ।