| লেখক | আবুল কাসেম |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | প্রবন্ধ |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 344 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে চায়ের সামগ্রিক ইতিহাস নিয়ে রচিত হয়েছে চা : শিল্প ও সাহিত্য শীর্ষক বইটি। চায়ের জন্মস্থান, চা-শব্দের ব্যুৎপত্তি, চায়ের উদ্ভিদতত্ত্ব, জীবনচক্র, ভূগােল এসব বিষয় সরল-সুখপাঠ্য গদ্যে তুলে ধরেছেন। গ্রন্থকার। চায়ের অর্থনৈতিক অনুষঙ্গ হিসেবে চাচাষের ভূমিব্যবস্থা, সংগঠন ব্যবস্থাপনা, মালিকানা, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ, চা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কারখানার বিবর্তন, বিপণন ব্যবস্থা, চা-মুদ্রা। প্রভৃতি বিষয় তথ্য-উপাত্তসহ উঠে এসেছে। সামাজিক ও অন্যান্য অনুষঙ্গ হিসেবে চা-শ্রমিক, বঙ্গবন্ধু ও চা-বাের্ড, টি সিমেট্রি, টি মিউজিয়াম প্রভৃতি বিষয় আলােচিত হয়েছে। চায়ের সাহিত্য বা শিল্প-অনুষঙ্গ হিসেবে বাংলা সাহিত্যের। পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্যের চা-বিষয়ক কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধসাহিত্য ও চিত্রকলা নিয়ে পৃথক। আলােচনাও এতে স্থান পেয়েছে। সব মিলে এটি চা-বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। বাংলাদেশে বা সমগ্র বাংলা ভাষায় এর আগে এমন গ্রন্থ রচিত হয়নি। একাডেমিকভাবে পাঠের জন্য চায়ের চাষবাস ও বিজ্ঞানবিষয়ক কিছু বই বাংলায় লেখা হয়েছে বটে, তবে সাধারণ পাঠকের জন্য সেগুলাে ততটা কার্যকর নয়। চা উৎপাদনবিষয়ক এসব প্রয়ােজনীয় তথ্যের বাইরেও চা-সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় আছে, বর্তমান গ্রন্থটিতে যার সন্ধান মিলবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চা বাের্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর জীবনের একটি বর্ণিল সময় কেটেছে চা বাের্ডকে কেন্দ্র করে। চাশিল্পে তার রয়েছে অনেক বড়াে অবদান। সে কথাও বাংলাদেশে চা-শিল্প বিকাশের ঐতিহাসিক অনুষঙ্গ হিসেবে উঠে এসেছে। উপমহাদেশের একমাত্র চা জাদুঘরটি শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। এই জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান গ্রন্থকার। পাঠক জানবেন সেই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার গল্পটিও।