| লেখক | মোস্তাক আহমদ |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 288 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
আজকের কিশোর,তরুণ ও যুবসমাজের জন্য প্রিয় নবী (সা.)-এর আদর্শ জীবনের অপরিহার্য বিধান হিসেবে অগ্র গণ্য। কারণ বর্ত মান সমাজে ধর্মান্ধতা,কুসংস্কার,হানাহানি,জঙ্গীবাদ,অরাজকতা,প্রতিহিংসা,মিথ্যা,জালিয়াতি,চুরি-ডাকাতি ও দুর্নীতি করে রাতারাতি সম্পদশালী হওয়ার মনোভাব মুসলমান জাতিকে নিম্নস্তরে নিমজ্জিত করেছে। যে জাতি প্রিয় নবী (সা.)-এর আদর্শ ও ধর্ম পালন করে বিশ্বের সকল জাতির উপর প্রভুত্ব করার দাবিদার,আজ সে জাতির অধঃপতন বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়েছে। বিশেষ করে চিন্তাশীল গবেষক,নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম ও ধর্মপথের সঠিক দিশারীগণের দুশ্চিন্তা ও হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মুসলিম জাতির এই অধঃপতনের বিষয়টি। প্রিয় নবী (সা.)-এর প্র কৃত আদর্শ,অনুপম চরিত্র ও তাঁর প্রিয় সাহাবা আজমাঈনগণের ত্যাগ ও আনুগত্যের মহান শিক্ষা-দীক্ষায় মুসলমান জাতি আজও নিজেদের গড়ে তুলতে পারেনি। তাইতো মুসলমান হয়েও প্রিয় নবীর অনুপম আদর্শ ও সঠিক শিক্ষা আমাদের সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখতে পারেনি। আজ সর্ব ত্রই ধর্মে র নামে অধর্ম,জঙ্গীবাদ,অন্ধবিশ্বাস ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ যেন ধর্মে রই একটি অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ আরবী বিদ্বান হয়েও প্রিয় নবী (সা.)-এর আদর্শবিচ্যুত এ শিক্ষাই আজ মুসলমানদেরকে দিয়ে যাচ্ছে ধর্মে র অপশিক্ষায় শিক্ষিত এক জাতীয় ধার্মিক গোষ্ঠী। এই অপশিক্ষা তাদের মন-মগজ থেকে উৎসারিত হয়ে পৃথিবীর নানা দেশে জঙ্গী ও আধুনিক সন্ত্রাসবাদের জন্ম দিয়েছে। যা কোনো মুসলমানের কাম্য হতে পারে না। তাই আজকের কিশোর,তরুণ ও যুবসমাজের প্রিয় নবী (সা.)-এর আদর্শিক জীবন পদ্ধতি,অনুসৃত নীতি,ত্যাগ,চারিত্রিক গুণাবলি,সত্যবাদিতা,অসাম্প্র দায়িকতা,সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও মুক্তির সনদসহ ব্যক্তি জীবনের উৎকর্ষতার জন্য অবশ্য পালনীয় কর্তব্যরূপে গৃহীত। সমাজ সংস্কারক ও সত্য প্রচারক রূপে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বের অতুলনীয় দৃষ্টান্তের অধিকারী। সমাজের সমস্ত অন্ধকার বিদূরিত করে আলোর দিশারী রূপে তিনি মানবতার মহান চেতনায় সকলকে উদ্বুদ্ধ করতেন সর্ব দাই। সমাজের সকল কুসংস্কার ও অরাজকতা দূরীকরণের জন্য তাঁর ভূমিকা ছিল বিশ্বে বিরল। তৎকালীন সময়ে মক্কার কাবাগৃহে কালো পাথরের অবস্থান,ফিজর যুদ্ধের করুণ কাহিনি এবং কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া ইত্যাদি ঘটনারাশি বহু আরববাসীকেই চিন্তিত করেছিল। এ সময় মানবতার এ মহান দিশারীর আগমন আরববাসীকে এমন এক পথ ও মতের সন্ধান দিয়েছিল যা তাদের জীবন ব্যবস্থাকে শান্তি ও চিরকল্যাণের স্রোতে ভাসি