Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

দেশি-বিদেশি বিখ্যাত কিশোর ক্লাসিক ৭টি বই

দেশি-বিদেশি বিখ্যাত কিশোর ক্লাসিক ৭টি বই

৳1380
৳690
কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো দ্যা কাউন্ট অফ মন্টিক্রিস্টো এর নায়ক এডমন্ড দান্তে মার্সেই এর ফারাও নামক এক জাহাজে সেকেন্ড মেট হিসেবে কাজ করে। জাহাজের ক্যাপ্টেন মৃত্যুর আগমুহূর্তে তাকে সম্রাট নেপোলিয়নের একটি চিঠি প্যারিসে পৌঁছানোর দায়িত্ব দেন। জাহাজের মেট দ্যাংলা
  লেখক   বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
  প্রকাশনী

 প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  রহস্য ,  গোয়েন্দা ,  ভৌতিক ,  থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো দ্যা কাউন্ট অফ মন্টিক্রিস্টো এর নায়ক এডমন্ড দান্তে মার্সেই এর ফারাও নামক এক জাহাজে সেকেন্ড মেট হিসেবে কাজ করে। জাহাজের ক্যাপ্টেন মৃত্যুর আগমুহূর্তে তাকে সম্রাট নেপোলিয়নের একটি চিঠি প্যারিসে পৌঁছানোর দায়িত্ব দেন। জাহাজের মেট দ্যাংলার এর সাথে শত্রুতার কারনে সে তার বিয়ের দিন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। পুলিশ কমিশনারের বাবা ছিলেন এই চিঠির প্রাপক। তাকে বাঁচাতে পুলিশ কমিশনার দান্তেকে শ্যাতুদফ নামক ভয়ংকর কারাগারে প্রেরণ করে যেখান থেকে কেউই জীবিত বের হয়ে আসতে পারেনা। কারাগারে তার অ্যাবে ফারিয়া নামের এক পাদ্রীর সাথে দেখা হয় যে কারাগারের অভ্যন্তরেই নানাধরণের বই পড়ে এবং বিজ্ঞানচর্চা করে থাকে। তার কাছ থেকে দান্তে লুকানো একটি ধনভাণ্ডারের ম্যাপও পায়। ঘটনাচক্রে ফারিয়া মারা যায় এবং তার লাশ সেজে দান্তে জেলখানার বাইরে চলে আসে। ধনভাণ্ডার উদ্ধার করে দান্তে নতুন পরিচয়ে তার পিতৃপুরুষের শহরে ফিরে আসে। এসময় সে দেখতে পায় তার শত্রুরা অনেক উচু পদে আসীন হয়ে বসেছে। সে বিভিন্ন কৌশলে তাদেরকে তাদের পাপের শাস্তি দেয়। দি ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি সান্তিয়াগো নামের বুড়ো ছোট্ট নৌকায় করে একা একা উপসাগরে মাছ ধরতে যায়,আজকে চুরাশিতম দিন পর্যন্ত সে একটাও মাছ পায়নি। প্রথম চল্লিশ দিন তার সাথে একটা ছেলে ছিল। চল্লিশ দিন পর্যন্ত একটাও মাছ ধরতে না পারায় ছেলেটির বাবা-মা তাকে বলে বুড়ো এখন নিশ্চিত চূড়ান্তভাবে অপয়া হয়ে গেছে,এবং দুর্ভাগ্যের শেষ পরিণতিতে পৌঁছে গেছে। তাই ছেলেটি তাদের কথামতো অন্য আরেকটি নৌকায় চলে গেছে। ওই নৌকাটি প্রথম সপ্তাহে-ই তিনটি ভালো মাছ ধরেছে। বুড়োকে প্রতিদিন খালি নৌকা নিয়ে ফিরতে দেখে ছেলেটির খুব মন খারাপ হয়। প্রতিদিনই সে তাকে কুণ্ডলী পাকিয়ে রাখা দড়ি,কোঁচ,হারপুন,মাস্তুলের পাশে গুটিয়ে থাকা পাল বয়ে নিতে সাহায্য করে। ময়দার বস্তা দিয়ে তালি দেওয়া পালটা কুঁচকে গেছে। ওটা যেন একটা চিরস্থায়ী পরাজয়ের পতাকা। বুড়ো দেখতে রোগা-পাতলা,অস্থি চর্মসার,তার ঘাড়ের পিছন দিকে অসংখ্য বলিরেখা। গালে থাকা চর্ম রোগের বাদামি দাগের ওপর গ্রীষ্ম মণ্ডলীয় সমুদ্র থেকে প্রতিফলিত হয়ে আসা রোদ পড়ছে। মুখের যে পাশে দাগটা রয়েছে সে পাশের হাতে বড়শিতে বড়ো মাছ সামলাতে গিয়ে তৈরি হওয়া গভীর ক্ষতের চিহ্ন। কিন্তু ওগুলোর কোনোটাই তাজা নয়। রুক্ষ মরুভূমিতে থাকা বাতাসে ক্ষয় হয়ে যাওয়া চিহ্নের মতোই পুরোনো। তার চোখগুলো ছাড়া সবকিছুই বুড়িয়ে গেছে। ওগুলো সমুদ্রের মতো নীল,প্রাণবন্ত আর অপরাজেয়। চাঁদের পাহাড় “মানুষের আয়ু মানুষের জীবনের ভুল মাপকাঠি। দশ বছরের জীবন সে উপভোগ করেছে দেড় বছরে।” – চাঁদের পাহাড় – বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় দুঃসাহসিক অভিযানের স্বাদ পেতে চাঁদের পাহাড় বইটির জুড়ি নেই। শম্কর নামক ভারতীয় এক তরুণের আফ্রিকা মহাদেশের রোমাঞ্চকর অভিযান বইয়ের মূল প্লট। আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক স্থান,ভয়ংকর প্রাণী ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের বাস্তব রূপ চিত্রায়িত করা হয়েছে উপন্যাসটিতে। রুদ্ধশ্বাস অভিযান,লোমহর্ষক ঘটনাক্রম,কষ্ট,সাহস,বীরত্ব,আর বন্ধুত্বের নানা উদাহরণ সৃষ্টির মাধ্যমে এগিয়ে যেতে থাকে উপন্যাসের কাহিনী। বাংলা ভাষার জনপ্রিয় এই উপন্যাসটি ছোট থেকে বড় প্রত্যেকের মধ্যেই সৃষ্টি করে রোমাঞ্চকর এক অনুভূতি। হিমালয়ের ভয়ঙ্কর হেমেন্দ্রকুমার মানেই বাংলা সাহিত্যের এক রোমাঞ্চকর অ্যাডভাঞ্চার লেখক ,বিমল কুমার জুটি কে না চিনে বলুন তো? যকের ধনের পর লিখেছেন আবার যখের ধন পৌঁছে গিয়েছে পাঠক প্রিয়তার শীর্ষে । হিমালয়ের ভয়ংকর তেমনই এক রোমাঞ্চকর অ্যাডভাঞ্চারের গল্প । কি নেই এখানে ? পদে পদে বিপদ তবু্ও থেমে নেই বিমল কুমার ভয়কে যেন জয় করতে শিখেছে এরা। গাঁ ছমছমে ‍শিউরে উঠা গল্পটি উপভোগ করতে অবশ্যই বইটি পড়তে হবে। সূর্যনগরীর গুপ্তধন যেখানেই গুপ্তধন সেখানেই বিমল কুমার। দক্ষিণ আমেরিকার সূর্যনগরে গুপ্তধনের খোঁজে তারা বের হয়,অবশ্যই সোনার লোভে নয়,নেহাত অ্যাডভেঞ্চারের জন্য।এই অভিযানে বিমল,কুমার,রামহরি,বাঘা,বিনয়বাবু এদের সাথে যোগ দিয়েছিল ফিলিপ নামের এক বিদেশি ও বিনয়বাবুর একমাত্র মেয়ে মৃণু। সেখানে গিয়ে প্রথম রাত্রে অমানুষিক প্রেত মানুষের দেখা পেয়ে তাদের চক্ষু স্থির হয়ে যায়।এছাড়াও সেখানে তাদের এক অজানা শত্রুর উদয় হয় – কালো বাজ নামের এক লাল মানুষের। এর জন্যই মৃনু পড়ে যায় এক চরম বিপদে। শেষপর্যন্ত তারা সূর্য নগরে পৌঁছাতে পারলেও শত্রুর চোখে ফাঁকি দিয়ে কি নিজেদের প্রাণ বাঁচিয়ে ফিরতে পেরেছিলো সেবার? কি ঘটেছিলো সেই অভিযানে? যকের ধন কুমার তার পিতৃপুরুষের রেখে যাওয়া একটি বাক্স হতে খুঁজে পায় কালো মড়ার খুলি। সেই খুলির গায়ে এমন কিছু ভাষায় সংকেত ইত্যাদি লেখা যার অর্থ বুঝতে পারেনা সে। কুমারের প্রিয় বন্ধু,সাহসী ও অভিযান প্রিয় বিমল সেই রহস্যের পাঠোদ্ধার করার চেষ্টা করে। অনুমান করা যায় নেওড়া ভ্যালির কোনো এক স্থানে লুকোনো আছে গুপ্তধন। তার দুই বন্ধু রওনা দেয় যকের ধনের খোঁজে। এই পথ জংগলাকীর্ণ ও বিপদসংকুল। কিন্তু গুপ্তধনের লোভে আরেকজন দুর্ধর্ষ ও নিষ্ঠুর লোক পিছু নেয় তার নাম করালী। আবার যখের ধন আফ্রিকার রত্নগুহার সন্ধানে যাবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা এবং কখনো জন্তু-জানোয়ার,কখনো নরখাদকের মুখোমুখি হওয়ার রোমাঞ্চকর কাহিনী। পাতায় পাতায় রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরা বইটি পড়তে শুরু করলে শেষ না করে ওঠা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।