Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

গুনাহ মাফের প্যাকেজ

গুনাহ মাফের প্যাকেজ

৳1640
৳999
যেসব হারামকে অনেকেই তুচ্ছ মনে করে পাপ যখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকে তখন এর ক্ষতি কেবল ব্যক্তি নিজেই ভুগে। তার মনে হয়ত এর জন্য অনুশোচনা বোধ থাকে। ফলে তাওবার সুযোগ থাকে। কিন্তু যখন সেই পাপ সামাজিকভাবে প্রচলিত হতে শুরু করে, তখন মানুষ ভুলতে থাকে ‘এটা মূলত পাপ’।
  লেখক   ড. খালিদ আবু শাদি, আবদুল মালিক আল কাসিম
  প্রকাশনী

 রুহামা পাবলিকেশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

যেসব হারামকে অনেকেই তুচ্ছ মনে করে পাপ যখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকে তখন এর ক্ষতি কেবল ব্যক্তি নিজেই ভুগে। তার মনে হয়ত এর জন্য অনুশোচনা বোধ থাকে। ফলে তাওবার সুযোগ থাকে। কিন্তু যখন সেই পাপ সামাজিকভাবে প্রচলিত হতে শুরু করে, তখন মানুষ ভুলতে থাকে ‘এটা মূলত পাপ’। আমাদের সমাজে এমন অনেক বিষয় আছে, যা মানুষ স্বাভাবিকভাবেই করে যাচ্ছে, অথচ সেগুলো স্পষ্টত হারাম। মনে নেই কোনো আফসোস, নেই কোনো তাওবার অনুশোচনা। ফলে আমৃত্যু মানুষ সেগুলো হালাল ভেবে করতে থাকে। শায়েখ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফি.) সৌদির বিখ্যাত একজন আলেমে-দ্বীন। তিনি বইটিতে সেই বিষয়গুলো কুরআন সুন্নাহের দলিলের আলোকে তুলে ধরেছেন, যেসব হারামকে অনেকেই তুচ্ছ মনে করে। যে রোগে অন্তর মরে আমাদের অবস্থার প্রতি লক্ষ করলে দেখা যায়, অসংখ্য মরণব্যাধিতে জর্জরিত হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসা গ্রহণ থেকে আমরা বিমুখ হয়ে আছি। বিপদ ও ক্ষতির ভয়াবহতা আর বিশালতা সত্ত্বেও রোগব্যাধিগুলোকে অন্তরে আসন গেঁড়ে থাকতে সুযোগ করে দিয়েছি। মাঝে মাঝে ওষুধ ভেবে রোগটাকেই ওষুধের স্থানে প্রয়োগ করে বসি। এর ফলে অশুদ্ধ আত্মার রোগীর সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলছে, সুস্থ ও মুক্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই কমছে। ওষুধের পরিমাণ ও চিকিৎসা-পদ্ধতির প্রতুলতা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। অতএব এ কথা স্পষ্ট যে, যতদিন পর্যন্ত ওহির দাওয়াখানার বাইরে ওষুধ খোঁজা হবে, ততদিন এসব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে না; বরং সমস্যা আরও বড়ো হবে, আরও বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাবে। প্রিয় পাঠক, বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে আপনি অন্তর-বিধ্বংসী এমনই ১৫টি মহা ব্যাধির স্বরূপ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে পারবেন, যে ব্যাধিগুলোর ক্ষতি ও ভয়াবহতার ব্যাপারে আজকের অধিকাংশ মানুষই গাফিল বলা চলে।… কবীরা গুনাহ কবীরা গুনাহের অন্যতম একটি ক্ষতি হলো, আল্লাহ তাআলার দৃষ্টি থেকে আড়াল হয়ে যাওয়া। মনে করুন ঘোষণা হলো, আজকে বাদশাহর দরবারে সবাইকে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হবে। কিন্তু আপনি সেখানে যাওয়ার পর আপনাকে প্রাসাদেই ঢুকতে দেয়া হলো না। ফলে বাদশাহর নজরে না পড়ার কারণে আপনি আর পুরস্কার পেলেন না। কবীরা গুনাহের ব্যাপারটাও ঠিক তেমনই। এর কারণে মানুষ সকল বাদশাহের বাদশাহ আল্লাহ তাআলার নজর থেকে আড়ালে চলে যায়। ফলে সে ধীরে ধীরে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ, দয়া থেকে মাহরুম হতে থাকে। তাঁর দেয়া উত্তম রিযিকও ধীরে ধীরে বন্ধ হতে থাকে। পেরেশানি-অস্থিরতা বাড়তে থাকে। একের পর এক আপদ-বিপদ আসতে থাকে। সে তখন অভিযোগ করে, আল্লাহ কি আমার এই অবস্থা দেখে না? অথচ সে ভাবে না, সে তো কবেই আল্লাহ তাআলার নজরের আড়ালে চলে গিয়েছে গুনাহের কারণে। কবীরা গুনাহের ভয়াবহতা, ক্ষতি, কবীরা গুনাহের তালিকা ও এ থেকে বেঁচে থাকার উপায় নিয়েই ইমাম যাহাবী রহ. এর অমূল্য কিতাব ‘আলকাবায়ির’। এর অসংখ্য অনির্ভরযোগ্য নুসখা এড়িয়ে সহীহ নুসখার তাহকীক-তাখরীজকৃত সংস্করণের বাংলা অনুবাদ নিয়েই আমাদের এই বই ‘কবীরা গুনাহ’। তাওবা: ফিরে আসার প্রতিজ্ঞা কোনো এক পূর্বসূরির লেখায় পড়েছিলাম, ‘মানুষ যদি আল্লাহর রহমতের ব্যাপকতা জানত, তাহলে কখনও আশা হারাতো না।’ আল্লাহর দুটো গুণবাচক নাম হচ্ছে, আত-তাওয়াব, আল-গফফার। অর্থাৎ যিনি বার বার ক্ষমা করেন, বার বার তাওবা কবুল করে। বিখ্যাত এই হাদীসটি হয়ত আমরা অনেকেই জানি, বান্দারা যদি গুনাহ না করত, তাহলে আল্লাহ এমন এক জাতির উত্থান ঘটাতেন, যারা গুনাহ করত এবং ক্ষমা চাইত, ফলে আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিতেন। এর কারণ কি? কারণ, তিনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। দয়া তাঁর স্বভাব। কিন্তু আমরা অনেকেই এই দয়ার অসদ্ব্যবহার করি। দয়ার অজুহাত দেখিয়ে গুনাহ করে বেড়াই অহর্নিশ। কেউ-বা দয়ার কথা একেবারেই বেমালুম থাকি। ফলে আশাহত হয়ে জীবনের মায়া ছেড়ে দিই। হতাশায় মূর্ছা যাই। আল্লাহ বান্দার প্রতি কতটা দয়াশীল? তাওবাকারীদের আল্লাহ কতটা ভালোবাসেন? এসব নিয়েই লেখা ‘তাওবা: ফিরে আসার প্রতিজ্ঞা’। তাওবা কী, কীভাবে, তাওবার নানান ধরন প্রকার নিয়ে সবচেয়ে প্রাচীন বই। লেখা হয়েছে হাজার বছর আগে। ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া (রহ.)-এর রচিত এই বইতে আপনি পাবেন তাওবা নিয়ে অজানা অনেক হাদীস। পূর্বসূরিগণ কীভাবে তাওবায় ছাঁচে জীবন গড়তেন, সেসব অনুপ্রেরণামূলক ঘটনা এবং উক্তিমালাও এতে স্থান পেয়েছে। পরকালের প্রস্তুতি দুনিয়া, ক্ষণিকের সফর…। এর থেকে বিদায় অনিবার্য; তবুও এর জন্য মানুষের কত কী আয়োজন! চাহিদার শেষ নেই, ইতি নেই স্বপ্নের। নিজের ঝোলা ভর্তির জন্য মানুষের কত যে ঘাম ঝরছে! কেউ ঝরাচ্ছে রক্ত! সবাই তো এ কথা বিশ্বাস করে, প্রত্যেকেই আস্বাদন করবে মৃত্যুর স্বাদ। সবকিছু ছেড়েই যেতে হবে ওপারে। তবুও মানুষ ব্যস্ত এপারের ভোগবিলাসের উপায়-উপকরণ নিয়ে। ওপারের পাথেয় জোগাড়ের সময় কই! হে দুনিয়ার মোহে আচ্ছন্ন মানুষ! এবার একটু ক্ষান্ত হও। তোমার দুনিয়ার পুঁজি তো দিনদিনই সমৃদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু পরকালের পুঁজির খবর কী? তা কি বরাবরই উপেক্ষিত থাকবে!? আর কত সময় নষ্ট করবে পার্থিব ভোগবিলাসের পেছনে? তবে কখন তোমার সময় হবে পরকালের প্রস্তুতি গ্রহণের!? সৌভাগ্যবান ও তাওফীকপ্রাপ্ত বান্দা তো তারাই, যারা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে পরকালের জন্য পাথেয় সংগ্রহ করে। পিঁপড়া যেমন শীতকালের দুর্ভোগ থেকে বাঁচার জন্য গ্রীষ্মকালেই খাবার ও পাথেয় সংগ্রহ করে রাখে। মুমিন বান্দাও ঠিক তেমনি পরকালের কঠিন দুর্ভোগ থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে দুনিয়াতে থাকতেই আল্লাহর আনুগত্য ও ইবাদতের মাধ্যমে নেক আমল সংগ্রহ করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন- بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا – وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ “বস্তুত তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও, অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।” (সূরা আ’লা: ১৬-১৭)পরকালের প্রস্তুতির গুরুত্ব, পদ্ধতি সহও ইত্যাদি উপদেশ মালায় সাজানো বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি অন্তিম মুহূর্ত ‘প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ পবিত্র কুরআনের এ আয়াতটি আমরা প্রায় সকলেই মুখস্থ পারি, কিংবা এর অর্থটুকু হলেও জানি। কিন্তু কতটুকু আমরা মৃত্যুর মর্ম অনুধাবন করি? মৃত্যু নিয়ে কি আদৌ আমরা ভাবি? কিন্তু একটা সময় আসবে, যখন আমাদের মৃত্যু নিয়ে ভাবতে হবে; ভাবতে হবে মৃত্যু-পরবর্তী জীবন নিয়ে। সে জীবনে নিজের অবস্থা কেমন হবে—এমন সকল প্রশ্ন নিয়ে আমরা ভাবব; ভাবতে বাধ্য হবো। সে সময়টাই আমাদের এ জীবনের অন্তিম মুহূর্ত। এ দুনিয়া থেকে যতজন বিদায় নিয়েছে, সবাইকে অন্তিম মুহূর্তের কষ্ট-যন্ত্রণা সয়ে যেতে হয়েছে। নবি-রাসুল আলাহিমুস সালাম-এর জন্যও কষ্ট-যন্ত্রণার এ অন্তিম মুহূর্তটি এসেছিল। এসেছিল সালাফে সালেহিনের জীবনেও। জীবন সায়াহ্নে আসা সে সময়টা নিয়ে আমাদের বিভিন্ন প্রশ্ন, নবি-রাসুল ও সালাফে সালেহিনের শেষ সময়ের চিত্রগুলো উঠে এসেছে ‘অন্তিম মুহূর্ত’ বইটিতে। এটি শাইখ আব্দুল মালিক আল-কাসিমের الأنفاس الأخيرة গ্রন্থের সরল অনুবাদ।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।