| লেখক | ইমাম মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া আন-নববী (রহ.), মুফতি ফয়জুল্লাহ রহ. |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 1953 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
(শায়েখ হারুন ইজহার হাফিঃ এর দাওয়াতি সিলেবাস) রিয়াদুস সালিহীন (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড) আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইখলাস, আল্লাহর ভয়, সবর, দুআ, যিকর-আযকার, আদব-আখলাক, হিংসা-বিদ্বেষ, নানাবিধ আচরণ ও বিবিধ বিষয় নিয়ে ইমাম নববি রাহিমাহুল্লাহ রচনা করেছেন—‘রিয়াদুস সালিহীন’ নামক একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। তিনি এই কিতাবের অধিকাংশ হাদিস সিহাহ সিত্তাহ থেকে সংকলন করেছেন। কালজয়ী এই গ্রন্থটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় ভাষান্তরিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ‘পথিক প্রকাশন’ নিয়ে এসেছে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির অসাধারণ এ বইটি। বইটির বৈশিষ্ট্য: * সহিহ হাদিসের আলোকে দুনিয়া ও পরকালের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কালজয়ী গ্রন্থ এটি। * সিহাহ সিত্তাহ ও প্রসিদ্ধ হাদিসের কিতাবগুলোর আলোকে প্রতিটি হাদিসের তাখরিজ করা হয়েছে। * যুগশ্রেষ্ঠ বিখ্যাত দুজন হাদিস-বিশারদের তাহকিক যুক্ত করা হয়েছে। * সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় নোট যুক্ত করা হয়েছে। * দুআগুলোর বাংলা উচ্চারণ তুলে ধরা হয়েছে। * বাসা-বাড়িতে নিয়মিত তালিম করার মতো সেরা বই। * সর্বসাধারণের উপযোগী সহজ-সরল পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। ফয়জুল কালাম ইলমে হাদিসের অজস্র গ্রন্থের মাঝে ফয়জুল কালাম একটি মকবুল সংযোজন। বইটিকে মুফতিয়ে আজম ফয়জুল্লাহ রহ.-এর বয়নসংকলনও বলা চলে। তিনি কোথাও আলোচক হিসেবে আমন্ত্রিত হলে কোনো নির্ধারিত বিষয়ের উপর একটি নোট তৈরি করে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। এবং সে আলোকে আলোচনা সমাপ্ত করতেন। আর সেই বিষয়ভিত্তিক হাদিস-সমূহের সম্মিলিত, গ্রন্থিতরূপেরই সর্বময় পরিচিত নাম— ফয়জুল কালাম। কিতাবটির সঙ্গে আমাদেরর কৈশোরিক আবেগ জড়িয়ে আছে। উর্দু-ফার্সি (দুটি ক্লাসের নাম) থেকেই অপেক্ষার প্রহর গুণতাম, কখন ফয়জুল কালামের দরসে বসবো! আর সর্বপ্রথম যেদিন উস্তাদের সামনে ফয়জুল কালাম নিয়ে বসি, সেদিন হৃদয়তন্ত্রিতে আবেগ-অনুভূতি ও ভালোবাসার যে আবহ তৈরি হয়েছিলো, তা কলমের কালিতে চিত্রায়িত করা সম্ভব নয় । ছাত্র-শিক্ষক, লেখক-আলোচক, দ্বীনি তালিমের মজলিস, আপামর জনসাধারণ— সবার জন্যই ফয়জুল কালাম সমানভাবে ফায়দাজনক। বাজারে ফয়জুল কালামের বেশ কয়েকটি অনুবাদ প্রচলিত থাকলেও গ্রহণযোগ্যতার দিক দিয়ে ইত্তিহাদ থেকে প্রকাশিত অনুবাদটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ এটির অনুবাদ করেছেন, মুফতি আযম রহ.-এর ইলমি মিরাসের অন্যতম উত্তরাধিকারী মুফতি ইজহার চৌধুরি সাহেবের সাহেবযাদা মুহতারাম মুসা বিন ইজহার হাফিযাহুল্লাহ।