| লেখক | এনামুল করীম ইমাম, ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমি রহ. |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইতিহাস ও ঐতিহ্য |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
হিন্দু জাতির ইতিহাস ভারতবর্ষে যে সকল জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মাবলম্বী রয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রতিনিধি স্থানীয় কয়েকটি ধর্ম ও ধর্মের ইতিহাস, তাদের জীবনাচার, সংস্কৃতিচর্চা, প্রাকৃতিক গড়ন ও সত্যান্বেষা, সমূহ বিকৃতি ও বিভ্রান্তি, আন্তপ্রতিবেশি সুসম্পর্ক ও বৈরিতা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে এ গ্রন্থে আলোচনা করা হয়েছে।ওই সকল ধর্মে ও ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর কাছে সত্যধর্ম তথা ইসলামের দাওয়াত কীভাবে পৌঁছেছে, কেন তারা সত্যধর্মকে গ্রহণ করেছেন বা করেননি, পূর্বেকার ইতিহাস ও পরের ইতিহাসের সঙ্গে তাদের বিচ্ছিন্নতা, তাদেরই বিবৃত বা গৃহীত ধর্মগ্রন্থের আলোচ্য বিষয়কে তারা কীভাবে পাশ কাটিয়ে যান—ইত্যাকার বিশদ বিবরণ উঠে এসেছে এই গ্রন্থের প্রতিটি পৃষ্ঠায়, অধ্যায়ে ও কথামালার আবরণে। মূর্তি ভাঙার ইতিহাস ইসলাম পৃথিবীতে এসেছে শান্তির বার্তা নিয়ে। যে শান্তি যৌক্তিক ও ফিতরাত তথা স্বভাবধর্মের সম্পূর্ণ আনুকূল্যমাফিক। ইসলাম মানুষের অন্তরাত্মা বা অন্তকরণকে সাজাতে চায় শুদ্ধতার উপচার দিয়ে। মানুষের বাহ্যিক রূপারূপ তথা ইহকালকে গঠন করতে চায় খাদহীন সৌন্দর্য নিয়ে। মানুষের প্রার্থনা, আরাধনা, চিন্তাচেতনা ও উপলব্ধিকে নির্মাণ দিতে চায় স্বচ্ছ শুভ্র ও অনাবিল আদর্শ দিয়ে। মানুষের পরকালকে পরিস্রুত করতে চায় নাজাতের চাবিকাঠি দিয়ে।যে আদর্শ বা চাবিকাঠিতে কালিমার স্থান নেই। পঙ্কিলতার আবরণ নেই। পাপ বা পাপপূর্ণ পথের অনুমোদন নেই। মূর্তি, প্রতিমা বা ভাস্কর্যচর্চা বা দেবদেবীর নামে যত পৌত্তলিক আচার-আচরণ আছে, সে সবের কোনো ঠাঁই নেই ইসলামের উদার ও সাত্ত্বিকতার মহা পবিত্র অঙ্গনে।