| লেখক | হাফেজ মাওলানা আমীরুল ইসলাম ফরদাবাদী |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 78 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
সমস্ত প্রশংসাই মহান আল্লাহ তা’আলার, অসংখ্য দুরূদ ও সালাম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী-হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা (সাঃ) এর ওপর, যিনি আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে ক্বিয়ামত পর্যন্ত আনেওয়ালা সকল উম্মতের হিদায়াত ও কল্যাণের জন্য পবিত্র কোরআন ও হাদীস এবং হক্ব ও সত্যের মি’য়ার স্বরূপ নিজ সাহাবীগণকে রেখে গিয়েছেন ও তাঁদের মধ্য থেকে বিশেষ ভাবে খোলাফায়ে রাশেদার অনুকরণকে দ্বীনের অঙ্গ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁর মনোনীত দ্বীনের ওপর সর্বসাধারণের জন্য ‘আমলকে সহজতর করার লক্ষ্যে এ উম্মতের কিছু সংখ্যক ব্যক্তিবর্গকে ত্বাক্বওয়া ও ইজতিহাদের উচ্চ আসনে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ বিশেষ চার জন মুজতাহিদের মাধ্যমে এমন চারটি মাযহাব প্রকাশ পেয়েছে যেগুলোকে ইজমায়ে উম্মত “হকু” বলে স্বীকৃতি দিয়ে সর্বসাধারণের জন্য এ চার মাযহাব থেকে নির্দিষ্টভাবে যে কোন এক মাযহাবের অনুকরণ করাকে জরুরী বা ওয়াযিব বলে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু মুষ্টিমেয় লোক নবী করীম (সাঃ) এর হাদীস, খোলাফায়ে রাশেদার আদর্শ, সাহাবায়ে কিরাম-তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈনগণের ‘আমল এবং ইজমায়ে উম্মতের মনোনীত চার মাযহাব এ সবকিছুকে উপেক্ষা করে সূর্যের ন্যায় আলোকত “২০ রাক’আত তারাবীহ” কে মনগড়াভাবে পরিবর্তন করে “৮ রাকাআ’ত” পড়েন, এবং নিজেদেরকে “আহলে হাদীস” বলে দাবিও করেন। তাই আমি এ ক্ষুদ্র পুস্তি কায়-ইসলামে যে “তারাবীহ ২০ রাকাআ’ত ” ৮ রাকা’আত না, এ বিষয়টিকে সহীহ্ দলিলসমূহের দ্বারা নির্ভরশীল কিতাবাদীর হাওয়ালাসহ ব্যক্ত করতে চেষ্টা করেছি এবং তারাবী নামায সম্পর্কে জরুরী ৩২টি ফতাওয়াও উল্লেখ করেছি। মহান আল্লাহ পাকের দরবারে বিশেষ আবেদন হে আল্লাহ! আপনি নিজ দয়ায় এ পুস্তিকাটিকে কবুল করে এর পাঠক/পাঠিকাবৃন্দকে সঠিকভাবে ইসলামকে বুঝার ও ‘আমলের তৌফীকদান করুন, এবং আহলে হাদীস সম্প্রদায়কে নিজেদের ভুল সংশোধন করার তৌফীক প্রদান করুন। আমীন।