| লেখক | আব্দুল্লাহ আল মাসূম, আলীজাহ মুহাম্মদ সামানীন |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. জীবন ও অবদান তিনি ছিলেন যেমন বিতর্কিত, তার চেয়েও বেশি মজলুম। শেকড় সন্ধানী লেখক হওয়ায় বাতিলের কোনো দূর্গকে ছেড়ে দেননি।এক এক করে ভেঙে দিয়েছেন কুচক্রী ও অপব্যাখ্যাকারীদের কল্পিত প্রাসাদ। মুসলিমদের আকিদা-বিশ্বাস ও মনোজগতে নানামুখী বিভ্রান্তির সেই ক্রান্তিকালে সংস্কারের ঝড় বইয়ে দেন ইমাম ইবনে তাইমিয়া।এরিস্টটলের নাস্তিক্যবাদি দর্শনে যখন ইলমে কালাম হারাতে বসেছিল নিজের স্বকীয়তা, তখন তাঁর কলম আগলে ধরেছিল কালাম শাস্ত্রের মৌলিক বৈশিষ্ট্যকে।শিআ ও খ্রিষ্টবাদের বিকৃতি চুরমার করেছেন শব্দবোমার আঘাতে। তৎকালীন মুসলিম সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও ভ্রান্ত মতবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন শেষ নি:শ্বাস পর্যন্ত। ইবনে তাইমিয়া ছিলেন জনগণের ইমাম। বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও সত্যের পক্ষে বুলন্দ আওয়াজে প্রবাদপুরুষ। সপ্তম শতাব্দীর জ্ঞান-গবেষণার অদ্বিতীয় সম্রাট। প্রাজ্ঞ ও বরণীয় এ ইমামকে কারাগারে নিক্ষিপ্ত করেও শত্রুরা তাঁর পিছু ছাড়েনি। উমর ইবনে আবদুল আজিজ উমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহ.। ইতিহাস তাঁকে ‘দ্বিতীয় উমর’ নামে চেনে। ৬৩ হিজরিতে জন্ম নেয়া এই মহান খলীফার খিলাফতকাল প্রথম চার খলীফা থেকে অনেক দূরে হলেও তাঁকে পঞ্চম খলীফা হিসেবেই গণ্য করা হয়। একজন পরিপূর্ণ আদর্শবান ব্যক্তিত্ব বলতে যা বোঝায়, এর সবটুকু ছিল তাঁর মাঝে। জ্ঞানার্জন, তাকওয়া, দুনিয়া বিমুখতা, নেতৃত্ব, দ্বীনের সকল ময়দানে সেই যুগে ছিলেন অদ্বিতীয়।যারাই তাঁকে দেখেছে, তাদের বিস্ময় যেন মনকে কাবু করে ফেলেছে। যুগে যুগে অনেকেই তাঁর ইবাদত, যুহুদ নিয়ে বই রচনা করেছেন। তথাপি তার গোটা জীবনী আমাদের অনেকেরই অজানা। তাই লেখক আব্দুল্লাহ আল মাসূম পুরো বইটি সাজিয়েছেন এই মহান খলিফার জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল কাহিনী। তুলে ধরেছেন পরতে পরতে থাকা শিক্ষাগুলো অত্যন্ত নিপুণভাবে। হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি (রহ) হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি রহ. নবম শতাব্দীর ইতিহাস ও হাদিসের অন্যতম বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত। তিনি হাদিসশাস্ত্রের ইতিহাসে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করেছিলেন। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো তাঁকে জ্ঞান ও সাহিত্যশিল্পের শিখরে পৌঁছে দেয়, যা আজও হাদিস শিক্ষা ও গবেষণার মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।জ্ঞানার্জনে বাল্যকাল থেকেই ইবনে হাজারের ছিল অদম্য আগ্রহ। এর সঙ্গে নবীজির হাদিসের প্রতি তাঁর শৈশবে আলাদা ঝোঁক ছিল। তাই তিনি শিক্ষাজীবনে শুধু মিসরে বসে থাকেননি; উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে তৎকালীন হিজাজের বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন। বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের সময় বিজ্ঞ ফকিহ ও মুহাদ্দিসদের সংস্পর্শে আসার পর তাঁর জ্ঞানের উন্মেষ ঘটে। ইজ্জুদ্দিন ইবনে আবদুস সালাম ইজ্জুদ্দিন ইবনে আবদুস সালাম। ছিলেন ইতিহাসের এক অকুতোভয় ফকিহ। তাঁর অতুল্য জ্ঞানসাধনা আর আপোসহীন বিচারিক জীবন ও কর্ম তুলে এনেছেন আলীজাহ মুহাম্মাদ সামানীন।তিনি ইতিহাসের বিক্ষুব্ধ সময়গুলো পার করেছেন। সমরনীতির তখন জয়জয়কার অবস্থা। যুদ্ধের হুংকারে পৃথিবী থরথর করে কেঁপেছে সে সময়ে। মানচিত্রের প্রভাবশালী জমিদার হিসেবে মুসলিমরা তখন সবার লোভাতুর নজরে। একদিকে মঙ্গোল ঝড়, অন্যদিকে খ্রিষ্টানদের সঙ্গে ধর্মযুদ্ধ। পাশাপাশি মুসলিমদের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই ছিল চোখে পড়ার মতো। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে মুসলিম বিশ্বের সার্বিক কল্যাণ মুখ থুবড়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। ইলমে হাদিসের বরেণ্য নক্ষত্র সুফিয়ান সাওরি রহ. ইলমে হদিসের বরেণ্য নক্ষত্র সুফিয়ান সাওরি রহ.-এর জীবন ও তাঁর জীবনযাপনের ওপর রচিত এক অসামান্য বই। ইলমে হাদিসের জন্য তাঁর ত্যাগ ও বিসর্জনের দাস্তান যে কোনো মুসলিমকে উদ্বেলিত করবে বার বার।