| লেখক | মো. নূরুল হক মিয়াজি |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 184 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
মানবজীবনের সফলতা বা বিফলতা প্রকৃতপক্ষে একত্রিত হওয়ার দিনই নির্ধারিত হবে, যেদিন হবে মানুষের হার-জিতের দিন (সূরা তাগাবুন, আয়াত : ৯)। যেদিন আল্লাহ ঘোষণা করবেন একজনকে জান্নাতি আর অন্যজনরকে জাহান্নামি বলে। জান্নাতি ব্যক্তি হবে চিরকালীন সফল আর জাহান্নামি হবে চিরকালের জন্য বিফল। সেদিন একদল জিতে যাবে আর অন্যদল যাবে হেরে। বিচারের দিন জানা যাবে প্রকৃতপক্ষে কে ক্ষতিগ্রস্ত আর কে-ই-বা লাভবান। সেখানে জানা যাবে আসলে কে প্রতারিত হয়েছে আর কে ছিল বুদ্ধিমান। ‘প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কর্মকাণ্ডের প্রতিদান দেওয়া হবে।’ (সূরা যুমার, আয়াত : ৯০ ) ‘নাফরমানদেরকে সেদিন বলা হবে, প্রবেশ করো জাহান্নামের দরজাসমূহ দিয়ে, চিরকালই তোমাদেরকে এখানে থাকতে হবে।’ (সূরা যুমার, আয়াত : ৭২) আর যেসব মানুষ নিজের রবের নাফরমানি থেকে বিরত ছিল,তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। তারা যখন সেখানে উপস্থিত হবে, জান্নাতের দরজাসমূহ পূর্ব থেকেই খোলা থাকবে এবং জান্নাতের ব্যবস্থাপক ফেরেশতারা তাদেরকে বলবে, ‘সালাম, শান্তি বর্ষিত হোক তোমাদের প্রতি, প্রবেশ করো এ জান্নাতে চিরকালের জন্য।’ (সূরা যুমার, আয়াত : ৭৩) সেদিন ঈমানদারগণ আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। সালাম দ্বারা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানানো হবে। কুরআনে আল্লাহ বলছেন, “এবং আল্লাহ তাদের জন্য বড়ই সম্মানজনক কর্মফল নির্দিষ্ট করে রেখেছেন।” (সূরা আহযাব, আয়াত : ৪৪) বাংলা ভাষায় জান্নাতের সুসংবাদ এবং জাহান্নামের ভয় প্রদর্শন বিষয়ক পুস্তকের সংখ্যা খুবই কম। বাংলাভাষী মানুষ জান্নাত ও জাহান্নামের কথা বিভিন্নভাবে শুনে থাকলেও কী কাজ করলে জান্নাত লাভ করা যাবে এবং কী কাজ করলে জাহান্নামের আযাব ভোগ করতে হবে, সে সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা আছে খুব কম মানুষেরই। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে জান্নাত প্রাপ্তি এবং জাহান্নামের আযাব ভোগ করার কারণসমূহ সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করেছেন কুরআনুল কারীমের সেসব সুসংবাদদানকারী এবং ভীতিপ্রদর্শনকারী আয়াতসমূহ থেকে উল্লেখযোগ্য আয়াতসমূহ এ গ্রন্থে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। এতে জান্নাত এবং জাহান্নামের ভিন্ন পথ স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে।