| লেখক | ইমাম মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া আন-নববী (র), শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
জবানের হেফাজত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহ. থেকে বর্ণিত আছে, একবার তিনি একটি ওলীমার অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হয়ে যান। সেখানে লোকেরা একজনকে নিয়ে কথা বলছিল, যিনি তখনো সেখানে উপস্থিত হননি।কিছু লোক বলল, ‘আরে সে তো স্থূল প্রকৃতির।’এ কথা শুনে ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহ. বললেন, ‘আমি নিজের প্রতি এই অন্যায় করেছি যে, এমন জায়গায় উপস্থিত হয়েছি, যেখানে অন্যের গীবত হচ্ছে।’এ কথা বলে তিনি সেখান থেকে না খেয়েই বেরিয়ে গেলেন এবং পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত কিছু খাননি।জবানের হেফাজত, [আল-আযকারের নির্বাচিত অংশ] ইমাম মুহিউদ্দীন আন-নববী রহ.জবান হেফাজতের গুরুত্ব, পদ্ধতি নিয়ে মণিমুক্তোয় পরিপূর্ণ এই বইটি। চোখের হেফাজত আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক সময়ই ব্যর্থতার সম্মুখীন হই, আমরা পথ হারিয়ে ফেলি, আমরা একটি সঠিক সুরাহা চাইলেও আমাদের অমনোযোগী আচরণ অনেক সময়ই তা দূরে ঠেলে দেয়, সঙ্গীরাও খোলস পড়ে থাকে, টেনে নেয় বিপথে। কোনটা অামাদের জন্য ভালো কোনটা ক্ষতিকর এ বিবেচনাবোধ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে প্রবৃত্তির অন্ধকামনায়, তখন আলোর ক্ষীণ কিরণের জন্যও মন বিমর্ষ হয়ে থাকে সবসময়। অথচ মনের অন্যদিক মেতে থাকে অন্ধকারের জলকেলিতে।কুরআন ও হাদিসে মুমিনের সফলতার পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে। কুরআনে যেমন নারী-পুরুষকে দৃষ্টি সংযত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হাদিসেও উপর্যুপরি নিষেধাজ্ঞা ও দৃষ্টির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বিষয়ে সতর্কবাণী এসেছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ আলেমদের উপলব্ধির নিগূঢ় থেকে কুদৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব ও সমকালিন সমস্যার নিরসন নিয়েও আছে চমৎকার বয়ান।