Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

জেমস বন্ড ট্রিলজি

জেমস বন্ড ট্রিলজি

৳1740
৳1305
ট্রিগার মরটিস (জেমস বন্ড #১) সময়টা ১৯৫৭ সাল। ফোর্ট নক্সের মরণপণ লড়াই শেষে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফিরেছে জেমস বন্ড। সঙ্গে ছিল অনিন্দ্য রূপবতী পুসি গ্যালোর। মেয়েটা কড়া মেজাজী হলেও ক্ষুরধার দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন। বন্ডকে জেতাতে রীতিমতো জান বাজি রেখেছিল এই ম
  লেখক   অ্যান্টনি হরোউইটয্
  প্রকাশনী

 বোহো

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  রহস্য ,  গোয়েন্দা ,  ভৌতিক ,  থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার
  Language   বাংলা
  Number of Pages   576
  Cover Type   হার্ড কভার

ট্রিগার মরটিস (জেমস বন্ড #১) সময়টা ১৯৫৭ সাল। ফোর্ট নক্সের মরণপণ লড়াই শেষে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফিরেছে জেমস বন্ড। সঙ্গে ছিল অনিন্দ্য রূপবতী পুসি গ্যালোর। মেয়েটা কড়া মেজাজী হলেও ক্ষুরধার দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন। বন্ডকে জেতাতে রীতিমতো জান বাজি রেখেছিল এই মেয়ে, শেষ পর্যন্ত তার পাশে থেকেছে। দুজনেই যখন বড্ড ক্লান্ত আর অবসন্ন, ঠিক তখনই পৃথিবীটা অস্থির হয়ে উঠল। সোভিয়েত ইউনিয়ন আর পশ্চিমা দেশগুলো একে অপরকে টেক্কা দিতে আদাজল খেয়ে নেমেছে। টেকনোলজিক্যাল শক্তিতে কে কার চেয়ে বেশি শক্তিধর, সেই লড়াইয়ে নেমেছে তারা। এইসবের মধ্যেই আড়াল থেকে ফণা তুলেছে কুখ্যাত সোভিয়েত গুপ্তচর সংস্থা স্মার্শ। এক ভয়ঙ্কর ফন্দি এঁটেছে সংস্থাটি। ইউরোপের সবচেয়ে বিপজ্জনক ট্র্যাকে গ্রাঁ প্রি রেস পণ্ড করে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু বিধাতা হয়তো অন্য কিছু ভেবে রেখেছিলেন। বন্ডের চোখে হঠাৎ করেই ধরা পড়ল এক দৃশ্য। স্মার্শের ড্রাইভার চুপিচুপি শলাপরামর্শ করছে এক রহস্যময় কোরিয়ান ধনকুবেরের সাথে। খটকা লাগল বন্ডের মনে। বুঝল, বড়ো কোনো সর্বনাশের এ কেবল শুরু। শুরু হলো আরেক দৌড়। এ শুধুমাত্র গতির লড়াই নয়, এ হলো অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ। বন্ড বুঝতে পারল, এই চক্রান্ত সফল হলে পশ্চিমা দুনিয়া ধুলোয় মিশে যাবে।এই অভিযানে বন্ডের পাশে আবার দেখা যাবে চেনা মুখগুলো। সেই সাথে থাকবে এম আর মিস মানিপেনি। আরও গতি, বিপদ আর শয়তানি বুদ্ধির এক অদ্ভুত রসায়ন। এই গল্পে ইয়ান ফ্লেমিংয়ের অপ্রকাশিত কিছু অংশও আছে। ঠিক যেমনটি ফ্লেমিং ভেবেছিলেন, বন্ড এখানে তেমনই এক রক্ত-মাংসের মানুষ। জীবনের বাঁকে বাঁকে মৃত্যু ওত পেতে থাকে, তবুও মানুষ এগিয়ে যায়। এটাই তো নিয়ম। ফরএভার অ্যান্ড আ ডে (জেমস বন্ড #২) মৃত্যু হলো একজন গুপ্তচরের। আর সেখান থেকে জন্ম নিল এক অমর উপাখ্যান। বলা হয়ে থাকে, সাগর সচরাচর তার পেটের খবর কাউকেই দেয় না। কিন্তু এবার আর এই কথাটা খাটল না। লুকানো গেল না সত্য। ফরাসি রিভিয়েরার জলে ভাসতে দেখা গেল একজন ব্রিটিশ গুপ্তচরের নিথর দেহ। শরীরে তিন তিনটে বুলেটের ক্ষত। এক অচেনা হন্তারকের হাতে ইতি ঘটল পুরোনো ০০৭-এর। কিন্তু সময় তো আর থেমে থাকে না। পুরনো যায়, আবাহন ঘটে নতুনের। সংগঠিত অপরাধের কালো দুনিয়ায় এইবার প্রয়োজন এক নতুন অস্ত্রের। সময় হয়েছে জেমস বন্ডের সামনে আসার। হলোও তাই। সত্যের সন্ধানে বন্ডকে নামতে হলো এমন এক ঝলমলে দুনিয়ায়, যেখানে চারদিকে দামি দামি গাড়ির গর্জন, রমরমা ক্যাসিনো আর সাগরের বুকে ভেসে বেড়ায় রাজকীয় সব ইয়ট। কিন্তু চোখধাঁধানো রূপের আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক পঙ্কিল জগৎ। সংগঠিত অপরাধের এক বিষাক্ত জাল বিছানো সেখানে। বন্ডের সামনে এখন কঠিন পরীক্ষা। মানুষ মারার সেই মরণ-পরওয়ানা তাকে নিজের যোগ্যতায় অর্জন করতে হবে। সেই খুনিদের খুঁজে বের করতেই হবে তাকে। উন্মোচন করতে হবে তাদের সর্বনাশা চক্রান্ত। নইলে পরবর্তী বুলেটটা হয়তো তারই বুকে এসে বিঁধবে। সময়ের চাকা বড়োই নিষ্ঠুর, কারও জন্য অপেক্ষা করে না। এটিফরাসি রিভিয়েরার সেই নিষ্ঠুর পাতালপুরীর গল্প। যেখানে ক্ষমতার লড়াই চলে পলে পলে। এ এক কিংবদন্তির জন্মকথা। মানুষ কেবল রক্তমাংসের শরীর নয়, তার কর্মই তাকে অমর করে রাখে। ধুলোবালির পৃথিবীতে বন্ডের সেই অমরত্বের পথে প্রথম পদচিহ্ন পড়ার গল্প এটি।‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ উপন্যাসের আগের সেই রোমাঞ্চকর উপাখ্যান নিয়েই রচিত হয়েছে ‘ফরএভার অ্যান্ড আ ডে’। যেখানে দেখা যায়, কেমন করে একজন সাধারণ মানুষ সময়ের প্রয়োজনে ইস্পাত কঠিন এক যোদ্ধায় পরিণত হয়। উইথ আ মাইন্ড টু কিল (জেমস বন্ড #৩) আজ এম-কে চিরদিনের ন্যায় বিদায় জানানোর দিন। কবরের পাশে সবাই দাঁড়িয়ে থাকলেও একজন মানুষের বড়োই অভাব আজ। সেই বিশ্বাসঘাতক আজ এখানে অনুপস্থিত, যার আঙুলের চাপে ট্রিগার চলেছিল। এম-কে খুনের দায়ে এখন সে শ্রীঘরে। সেই লোকটা আর কেউ নয়—জেমস বন্ড। লোহার পর্দার ওপারে পুরোনো শত্রু রাশিয়ার সংগঠন স্মার্শের চরেরা এক ভয়ানক ফন্দি এঁটেছে। তারা ব্রিটিশ এই গুপ্তচরকে দিয়ে এমন এক চাল চালতে চায়, যার দরুন সারা দুনিয়ার ক্ষমতার দাঁড়িপাল্লাটা উল্টে যাবে। বাঘের ডেরায় পা দিল বন্ড। কার হুকুম তামিল করছে সে? মোক্ষম সময় যখন আসবে, তখন কি সে আদেশ মেনে নেবে? না কি অন্য কিছু ঘটবে? চারিদিকে কেবল বিশ্বাসঘাতকতার জাল। একটা পা ভুল জায়গাতে পড়লেই অবধারিত মৃত্যু। এই অভিযানে বন্ডের লড়াই কেবল শত্রুর সাথে নয়, নিজের মনের গহিন অন্ধকারের সাথেও। উত্তর না জানা প্রশ্নগুলো তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। আগের সেই জেমস বন্ড যে কোথায় হারিয়ে গেল, তা সে নিজেও জানে না। মানুষের পরিচয় কি তবে সময়ের সাথে সাথেই বদলে যায়? মানুষের মন এক গহন অরণ্য। সেখানে কখন আলো আসে আর কখন অন্ধকার নামে, তা বোঝা দায়। নিজের সত্তাকে খুঁজে পাওয়ার এই লড়াই বড়োই করুণ।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।