| লেখক | ঝংকার মাহবুব |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | আত্ম-উন্নয়ন , মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
রিচার্জ ইয়োর ডাউন ব্যাটারি: যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে আছে যারা, তাদেরকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে নেওয়া হচ্ছে নানান উদ্যোগ। কিন্তু যারা একটু পিছিয়ে আছে, ভালো অবস্থানে থেকেও কোনো কারণে খেই হারিয়ে ফেলেছে, তারা কি হতাশ হয়ে বসে থাকবে? না! আমাদের হতাশা কাটিয়ে উঠতে, ডাউন হয়ে যাওয়া জীবন ব্যাটারিকে পুনরায় উজ্জীবিত করার জন্যই বেশ কিছু বেস্ট সেলিং বইয়ের লেখক ও জনপ্রিয় মোটিভেশনাল স্পিকার ঝংকার মাহবুব লিখে ফেলেছেন আরেকটি অনবদ্য বই। দেশের লাখ লাখ পিছিয়ে পড়া তরুণ, যারা ঘুরে দাঁড়াতে চায়, তাদের জন্য এই বই। আবার যারা হতাশ হয়ে ভেঙে পড়েছে, তাদেরও এই বই বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে দিতে পারে। তারাও পাবে বইটিতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রণোদনা। যারা সফল সবসময় তাদের জন্যও সমান কাজে লাগবে এই বই, কারণ ব্যাটারি তো যে কোনো সময় ডাউন হতেই পারে। প্যারাময় লাইফের প্যারাসিটামল: আমাদের তরুণ প্রজন্মের একটা বড়ো অংশই কোনো না কোনো কারণে একটা সময় হতাশ হয়ে পড়ে। কী করা উচিৎ, কীভাবে করা উচিৎ এই বিষয়গুলো নিয়ে তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে। আর এই সিদ্ধান্তহীনতা থেকে আসে হতাশা, হতাশা থেকে জন্ম নেয় অনীহা, আর অনীহা থেকে ব্যর্থতা, আর এই ব্যর্থতা থেকে আবার আসে হতাশা। ব্যর্থতা আর হতাশার এই দুষ্টচক্রের আবর্তন থেকে বেরুতে আমাদের কী করা উচিৎ!!! আমাদের প্যারাময় লাইফে করণীয় নিয়ে ঝংকার মাহবুব লিখেছেন তাঁর অন্যান্য বইয়ের মতো চমৎকার আরেকটি বই প্যারাময় লাইফের প্যারাসিটামল। বইটিতে রয়েছে দারুণ সব টুলস, যেগুলো নিজেকে যাচাই করার জন্য অনন্য সহায়ক হবে। এই বইটিতে আছে সারাদিন কীভাবে কাটাবো তার ঘণ্টাওয়ারি নকশা, জীবনটা গঠনমূলক কাজে ব্যয় হচ্ছে কীনা তার হিসাব, এরকম আরও অনেক চমকপ্রদ বিষয়। চেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম: স্টুডেন্ট লাইফের জাতীয় খাবার হচ্ছে বাঁশ। সে জন্যই হয়তাে পরীক্ষা এলে টিচাররা বাঁশ দেয়। রেজাল্ট খারাপ হলে পাশের বাসার আন্টি বাঁশ দেয়। প্রেম করতে চাইলে যে ফ্রেন্ডটা হেল্প করতে পারত সেইই উল্টা তার নিজের সঙ্গে আংটা লাগিয়ে বাঁশ দেয়। এই রকম শত শত কচি বাঁশ, কঞ্চি বাঁশ, আইক্কাওয়ালা বাঁশকে নাশ করতেই এই বই ‘চেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম। যাতে বাঁশ খেয়ে বেদিশা, লাইফ নিয়ে হতাশা, ফিউচার নিয়ে কুয়াশা, ভাগ্যের তামাশা, সব দুর্দশাকে মুচড়ে ফেলতে পারাে কুংফু স্টাইলে। ক্যালসিয়ামের পাওয়ার দিয়ে। এই লেখাগুলাতে মাঝেমধ্যেই কিছু চলমান বাংলা এবং ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এবং আন্তরিকতা বােঝাতে কখনাে কখনাে তুই বলে সম্বােধন করা হয়েছে। কারণ ঘনিষ্টতা বােঝাতে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক মহাশয় আপনি কি আমার দুঃখ হবেন না বলে তিনি বলেছেন, ‘তুই কি আমার দুঃখ হবি? তুই কি আমার শুষ্ক চোখে অশ্রু হবি? এই বই লিখতে জীবনের ওপার থেকে আমাকে সাহস জুগিয়েছেন আমার আব্দু। আর পাশ থেকে সহযােগিতা করে গেছেন আমার আম্মু, আমার স্ত্রী কারিনা, ছােট ভাই হীরা, বােন রিটা, নিপুণ আর নূপুর। এ ছাড়া সব সময় সহযােগিতা করে গেছে লাবীব, শারাফাত, সাজু ভাইসহ আরও অনেকেই। ক্যালরি ঝরালে, ক্যালসিয়াম বাড়বে। সেই প্রত্যাশায়