| লেখক | শায়খ হায়াতুল্লাহ হাফিঃ, মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ. |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইতিহাস ও ঐতিহ্য |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
বেসিক কনসেপ্ট অব জিহাদ সূচিপত্র মুসলমানদের ধ্বংসের কারণ জিহাদ ও গাযওয়াসমূহের রহস্য জিহাদের বিধান জিহাদের উদ্দেশ্য জিহাদ চলবে কতদিন? জিযয়ার রহস্য ও উত্থাপিত আপত্তির জবাব বিজয়ের পথ ও জিহাদের প্রস্তুতি যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি মনোনিবেশ থাকবে আল্লাহর প্রতি যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয় লাভের জন্য কুরআনী নির্দেশনা জিহাদী সফরের গুরুত্বপূর্ণ আদব চুড়ান্ত বিজয় ঈমানদারদের বিজয়ের জন্য গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা চাই বাহ্যিক পরাজয় কখনো পরীক্ষা হয়ে থাকে জিহাদের প্রয়োজনীয়তা ও জিহাদ ত্যাগের অশুভ পরিণতি ওজরের কারণে জিহাদ থেকে বিরত থাকার অবকাশ ওযর বলতে কি উদ্দেশ্য? জিহাদের ময়দানে আল্লাহর হুকুম মেনে চলা (নবীজির সামনে এটাও স্পষ্ট ছিল যে, শীঘ্রই মক্কা বিজয় হবে। তখন এসব অসহনীয় পরিস্থিতির পরিসমাপ্তি ঘটবে।) আল্লাহর সাথে সম্পর্ক সব সম্পর্কের উর্ধ্বে জিহাদের একেকটি আমল সদকায়ে জারিয়ার চেয়েও বেশি জিহাদ বিধিবদ্ধ হওয়ার পেছনের রহস্য জিহাদবিরোধী কর্মকাণ্ড কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ তাদের প্রতি কল্যাণকামিতার কারণেই হয় মৃত্যুকে ভয় করা যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা গণিমতের মালে খেয়ানত গর্ব ও আত্মমুগ্ধতা ‘জিহাদ’ এর সংজ্ঞা মুমিনের জিহাদ দেশের জন্য নয়; ইসলামের জন্য আমাদের জন্মভূমি ‘ইসলাম’ জিহাদে মুসলমানদের একক হাতিয়ার: সবর ও তাকওয়া তে হুনাইন যুদ্ধের আলোচনায় উল্লেখ করেছেন: রিবাত : ইসলামী রাষ্ট্রের সীমান্ত প্রহরা ব্লাকআউট রিবাতের অংশ নবীযুগে ‘ব্লাকআউট’ এর দৃষ্টান্ত স্বাভাবিক অবস্থায় ‘জিহাদ’ ফরযে কেফায়া ফরযে কেফায়া কখনো কখনো ফরযে আইন হয়ে যায় জিহাদ কখন ফরযে আইন হয় জিহাদসংক্রান্ত কিছু মৌলিক মাসআলা নাগরিক নিরাপত্তা সেবাও জিহাদ জিহাদের নিয়ত ৬৮ রিবাত: ইসলামী সীমান্ত রক্ষা আল্লাহর রাস্তার শহীদদের মাকাম ও মর্যাদা জিহাদে সম্পদ ব্যয়ের ফযিলত হিন্দুস্তানে জিহাদের বিশেষ গুরুত্ব ও ফযীলত ‘হিন্দুস্তানের জিহাদ’ বলতে কোন জিহাদ উদ্দেশ্য জিহাদ ছেড়ে দেয়া বিপদকে তরান্বিত করে জিহাদের উদ্দেশ্যে অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধ-সরঞ্জাম প্রস্তুত করাও জিহাদ জিহাদ জিহাদের ফাণ্ডে দানের বিরাট সওয়াব ঋণ ও আমানতের খেয়ানত ছাড়া, জিহাদ সমস্ত গুনাহ মিটিয়ে দেয় নৌবাহিনীর মহাসৌভাগ্য জিহাদের দোয়াসমূহ দুশমনের মোকাবেলায় প্রভাবশালী অস্ত্র যখন যুদ্ধের ময়দানে অবতীর্ণ হবে আফগান রণাঙ্গনের বজ্রনাদ যদি কেউ বলে—এত দুর্বল অস্ত্রশস্ত্রহীন দেশের জীর্ণশীর্ণ মোল্লারা কীভাবে সুপার পাওয়ারদের মোকাবিলা করতে পারে? এর উত্তর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষাতেই বলি: “আল্লাহ নামে আমাদের একজন মাওলা আছেন, তোমাদের সেই মাওলা নেই।” যারাই ঐ মাওলাকে নিজেদের পক্ষ আনতে পারবে, বিজয় তাদেরই পদচুম্বন করবে। বইয়ের পরতে পরতে আপনি সেই মাওলাকেই দেখতে পাবেন। দেখবেন, কীভাবে তালেবান মুজাহিদীন সেই মাওলাকে নিজেদের পক্ষে আনতে পেরেছিলেন। বিপদে-আপদে, জয়-পরাজয়ে, শত্রুর সামনে পিছনে সর্বত্র তারা কীভাবে সেই মাওলাকে স্মরণ করতে পেরেছিলেন। আর তাই মাওলাও তাদের স্মরণ করেছেন, মদদ দিয়েছেন, কখনো পরক্ষোভাবে আবার কখনো প্রত্যোক্ষভাবে। নচেৎ কীভাবে সম্ভব! “জীর্ণশীর্ণ, দুর্বল সেকেলে কাঠ মোল্লাদের” পক্ষে একটা সুপার পাওয়ারকে পর্যদস্ত করা! কীভাবে সম্ভব পুরাতন কিছু রাইফেল নিয়ে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, ভয়ঙ্কর ট্র্যাঙ্ক এবং বিমারু শক্তির মোকাবেলা করার!! কীভাবে সম্ভব সামান্য কিছু সরঞ্জামাদি নিয়ে দীর্ঘ বিশ বছর বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে টিকে থাকার!!! এই সব প্রশ্নের উত্তর ঐ এক বাক্যেই পাওয়া যাবে। বইটি গতানুগতিক কোনো কল্পকাহিনী বা উপন্যাস নয়, নয় ইতিহাসের রঙচঙে রঞ্জিত কোনো উপাখ্যান। এটি আফগান ভূমিতে আমেরিকা ও ন্যাটো বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করা একজন মুজাহিদের ঈমানদীপ্ত দাস্তান। এখানে পাঠক পাবেন রণকৌশলের সূক্ষ্ম বুদ্ধিমত্তা, সমর যুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা। এখানে মুজাহিদদের দেখা যাবে—কীভাবে তারা শত্রুর কঠোর আঘাতের মাঝেও মাওলাকে স্মরণ করেন, শত দুর্যোগ-দুর্বিপাকে মাওলার দেওয়া হুকুম পালনে অবিচল থাকেন। এখানে জানা যাবে, কীভাবে জীর্ণশীর্ণ মুজাহিদীন সামান্য কিছু কাঠের সাহায্যে একটি ট্যাঙ্ককে ধ্বংস করতে সক্ষম হন, কীভাবে পুরাতন অস্ত্র দিয়ে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকে পরাস্ত করেন এবং কীভাবে সংখ্যায় অল্প হয়েও বিশাল বাহিনীকে পর্যদস্ত করেন।