| লেখক | আল মাহমুদ |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | জীবনী , স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 320 |
| Cover Type | Unknown Cover |
আমি আমার নয় পুরুষের নাম জানি। এঁদের আগমন সম্পর্কে যেটুকু জানি, আমাদের বাড়িতে একটা কুরসিনামা ছিলো। তা থেকে আমি জানি যে এঁরা বাইরে থেকে এসেছিলেন। এঁরা সব ধর্মপ্রচারক। দিল্লিতে এসেছিলেন। রাষ্ট্রীয় উত্থান-পতনে এঁরা নানান দিকে ছড়িয়ে ছিটকে পড়েছেন। এঁদের মধ্যে ধর্মপ্রবণ একজন ভাটি অঞ্চলে চলে আসেন। এখানে থেকেছেন। এদেশের সাথে মিশে গেছেন।’—আল মাহমুদ একজন আল মাহমুদ যখন আত্মজীবনী লিখেন তখন একটি জনগোষ্ঠীর ইতিহাসই লেখেন। যার প্রমাণ ‘যেভাবে বেড়ে উঠি’। গ্রন্থটি প্রথম যখন প্রকাশ হয় বোদ্ধাপাঠক মহলে বেশ সাড়া পড়ে যায়। কবিতা, গল্পের পর আত্মজীবনী রচনায়ও সাফল্য তার মুকুটে আরেকটি পালক যোগ করে। একটি পূর্ণাঙ্গ আত্মজীবনী লেখার ইচ্ছা আল মাহমুদের বহুদিনের। কিন্তু বয়স ও স্মৃতিশক্তির কারণে এখন আর তা সম্ভব নয়। ফলে দুটি গ্রন্থ মিলিয়েই একটি হয়তো মাহমুদের একটি পূর্ণাঙ্গ আত্মজীবনীর কাছাকাছি যাওয়া যাবে। কেননা ‘যেভাবে বেড়ে উঠি’-তে মাহমুদের জীবন সমাজ ও বাস্তবতার যেসব অধ্যায় অনুপস্থিত ছিল ‘বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ’ গ্রন্থে যেসব তো উঠে এসেছে। আল মাহমুদের কবিতা ও ফিকশন তৈরির ক্ষমতা সম্পর্কে পাঠকমাত্রই জ্ঞাত। হুঁশিয়ার পাঠকগণ মাহমুদের আত্মজীবনীতে এই ক্ষমতার ভিন্ন প্রয়োগ দেখে চমৎকৃত হবেন