Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

কিশোর উপন্যাস প্যাকেজ

কিশোর উপন্যাস প্যাকেজ

৳780
৳624
পয়েন্ট থ্রি টু সিক্স এফ এক্স সাইবার্নোটিক অর্গানিজম অর্থাৎ সাইবর্গ তৈরির পরিকল্পনার প্রায় শেষ মাথায় এসে পেঁৗছেছেন তিনি। যে মগজ এখনো জগৎ চিন্তায় অস্থির হয়নি,ভারাক্রান্ত হয়নি সুখ দুঃখের বেড়াজালে,আবেগের থাবা আঁচড় কাটেনি যার কোষে,এরকম মগজ হলেই তাঁর কাজ
  লেখক   সুকুমার রায়, দীপু মাহমুদ
  প্রকাশনী

 রুশদা প্রকাশ

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  গল্প-স্টোরি
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   হার্ড কভার

পয়েন্ট থ্রি টু সিক্স এফ এক্স সাইবার্নোটিক অর্গানিজম অর্থাৎ সাইবর্গ তৈরির পরিকল্পনার প্রায় শেষ মাথায় এসে পেঁৗছেছেন তিনি। যে মগজ এখনো জগৎ চিন্তায় অস্থির হয়নি,ভারাক্রান্ত হয়নি সুখ দুঃখের বেড়াজালে,আবেগের থাবা আঁচড় কাটেনি যার কোষে,এরকম মগজ হলেই তাঁর কাজ চূড়ান্ত হবে। … পৃথিবীর মানুষগুলো সংকীর্ণতা আর হিংসা বিদ্বেষের যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। এরচেয়ে রোবটই ভালো। ধর্ম বোঝে না,হিংসা চেনে না,সংকীর্ণতা খেঁাজে না। ‘… মহাজাগতিক কিছু ভাইরাস জোগাড় করেছি আমি। জানো তো,হিমালয়ের আইসবার্গের তলায় আর উত্তর মেরুর পার্মফ্রস্টে (বরফের স্তরে থাকা চির জমাট মাটি) সেগুলো ঘুমিয়ে ছিল কোটি কোটি বছর। আমিই সেগুলোকে উন্মোচিত করেছি। আর এখন সেগুলোকে কাজে লাগাচ্ছি। এ ভাইরাস সুপার মাইক্রোসেকেন্ডে তোমার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা রাখে।…’ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সংস্থার স্বৈরাচারিত্ব,ট্যাকিয়ন অণু,মহাজাগতিক ভাইরাস,গর্ভমস্তিষ্ক,ষড়যন্ত্র,গোয়েন্দাগিরি ও অ্যাডভেঞ্চারÑ সব মিলে ‘পয়েন্ট থ্রি টু সিক্স এফ এক্স’ হ য ব র ল হযবরল হল সুকুমার রায় রচিত একটি রম্য রচনা। যা প্রকাশ হয়েছিল ১৯২১ সালে। গল্পটা শুরু হয় একটা বাচ্চা ছেলের ঘুম থেকে ওঠার মধ্য দিয়ে। গরমকালে ঘাম মোছবার জন্য রুমালটা তুলতে গিয়ে সে দেখে তার রুমাল একটা বেড়াল হয়ে গেছে। বেড়ালটার সাথে সে গল্প করতে শুরু করে এবং বুঝতে পারে বেড়ালটা উল্টোপাল্টা কথা বলছে। পরে ছেলেটার দেখা হয় কাকেশ্বর নামক দাঁড়কাক সাথে যে বিদঘুটে হিসাব করে। এরপরে একে একে উদো আর বুদো, হিজিবিজবিজ, ব্যাকরণ শিং, নেড়া, সজারু, প্যাঁচা ইত্যাদি আরও অনেক চরিত্রের অনুপ্রবেশ ঘটে আর বাড়তে থাকে বিশৃঙ্খলা। গল্পের চড়ান্ত সমাপ্তি ঘটে বাচ্চা ছেলেটির ঘুম থেকে ওঠার মধ্য দিয়ে। বনে পাহাড়ে একাই চলেছি। এ পথে কখানো আসিনি, কোথায় কী আছে জানিনে। ভালুক বেরোবে না তো? শুকনো শালপাতার ওপর খসখস শব্দ হলেই ভাবছি এইবার বোধ হয় ভালুকের দর্শন লাভ ঘটল। আরও এগিয়ে চলেছিএকটা ছোট্ট পাহাড়ি নদী ঝিরঝির করে বয়ে চলেছে পথের ওপর দিয়ে। হাঁটুখানেক জল, এমনি পার হয়ে ওপারের পাড়ে উঠলাম-উঁচু কাঁকরমাটির পাড়। সেই ছেলেটি এই উপন্যাসের পাতায় পাতায় ছোট ছোট সুখ-দুঃখ যেমন ফুটে উঠেছে ঠিক তেমনি তার প্রশমনের বিন্যাসও রয়েছে। দুঃখ যখন কাঁচা মনে আঘাত করে,তখন এই মনের অবস্থা খুবই করুণ হয়ে যায়। স্থান-কাল ভেদে কী অদ্ভুদ এই জীবন! যারা বয়োজ্যেষ্ঠ,যারা জীবনের এই স্বপ্নাতুর সময়কে পার করে এসেছেন তারা এই উপন্যাসটি পড়ে পুরানো দিনের স্মৃতির কথা মনে করতে পারবেন। আর যৌবনোদ্দীপ্ত পাঠকগণ উপন্যাসটি পড়ে বিভোর হবেন,হয়ত মিল পাবেন নিজের সাথে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনার। এটি কোনো প্রেম আশ্রয়ী রচনা নয়। উপন্যাসের পুরোটা জুড়ে নিজেকে পরিবেশের সাথে,মানুষের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলেছে। তবুও কি শেষ রক্ষা হবে? তাঁবুতে তাণ্ডব ফিকে জোছনার রাত। আহনাফ উঠে দাঁড়াল। ধ্রুব আর রিয়ানও উঠে দাঁড়িয়েছে। কোনো শব্দ না করে ধীর পায়ে তারা তিনজন তাঁবুর পেছন দিকে এগিয়ে গেল। দেখল একটা ছায়ামূর্তি তাঁবুর পেছন থেকে দ্রুত হেঁটে বনের গভীরে চলে যাচ্ছে। ছায়ামূর্তি বনের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে দ্বীপচর খালের দিকে। শ্রেয়া তার তাঁবু থেকে একই ঘটনা দেখেছে।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।