| লেখক | লাবণ্য ইয়াসমিন |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | রহস্য , গোয়েন্দা , ভৌতিক , থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
কোহিনূর কোহিনূর হচ্ছে মহা মূল্যবান এক পাথর। যার পেছনে রয়েছে শয়তানের শক্তি। মানুষ যখন বিপদে পড়ে, তখন এই শয়তান তাকে প্ররোচিত করে। বলে, “এই পাথরের সামনে যা ইচ্ছা চেয়ে নিতে। কিন্তু পরবর্তীকালে নিজের মূল্যবান সম্পদ হারাতে হবে।” এভাবেই চলতে থাকে যুগের পর যুগ। হঠাৎ এই পাথরের শক্তি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। তখন শয়তান উন্মাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে পাথরের শক্তি ফিরিয়ে আনার জন্য। উপায়ন্তর হিসেবে অধরার পেটে বেড়ে ওঠা শিশুটি সকলের নজরে আসে। ‘সুলতান ভিলা’তে ‘কালো-জাদু’র চর্চা হয়। কম বয়সের মেয়েদের শয়তানের নামে উৎসর্গ করা হয়। এর পেছনে কে থাকে, সেটা রহস্য। অধরার সবাইকে সন্দেহ হয় – বিশেষ করে সন্দেহ হয় জুবায়েরের জমজ ভাই সুলতান জামশেদ ফারুকীকে। কোহিনূর পাওয়ার জন্য একটার পর একটা পাপ কাজে জড়িয়ে পড়ে সুলতান পরিবার। কেউ জানে না কোহিনূরের শক্তি নিয়ে জন্মানো শিশু আদতে মানব শিশুর মতো সাধারণ হবে নাকি অন্য কোনো শক্তি নিয়ে ওর জন্ম হবে । কোহিনূর ২ নির্জন প্রান্তর, রাতের তৃতীয় প্রহরের শুরু। জনশূন্য পরিবেশ। পূর্ণিমার ঝলমলে জোছনায় অবগাহন করে দাঁড়িয়ে আছে এক অষ্টোদশী সুন্দরী নারী মূর্তি। জ্যোতিষ্কের ন্যায় জ্বলজ্বল করছে তার চোখের মনি। উন্মুক্ত বাতাসে কেশ পল্লব মৃদু মৃদু দুলছে।নূপুরের রুমঝুম ছন্দে খানিকটা দূর এগিয়ে গিয়ে উচ্চারণ করলো, “যা আমার সেটা আমারই। আমি অর্জনে নয় বরং ছিনিয়ে নেওয়াতে বিশ্বাসী। ভাগ্য বদলে দিয়েছি। আমি চন্দ্র-যে ক্ষমতা,মোহ আর ধ্বংসের নাম। মৃত্যু শরীরের হয় আত্মার না। পৃথিবী যতদিন আছে কোহিনূরের শক্তি নিয়ে বারবার ফিরে আসবো, অবিনশ্বর হয়ে।”