| লেখক | সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.), পপুলার সিরিজ |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 1150 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
আল কুরআনের অলৌকিকতাআমরা যদি ধনী হই, তা কুরআনের এই সমৃদ্ধ রত্ন ভাণ্ডারের কারণে। কুরআন অধ্যয়নে যে মণি-মুক্তা অর্জিত হয়, তাহলে আমরা তা আপনাদের সামনে পেশ করি। কুরআনের রত্ন ভাণ্ডার পুরো মানবতা ও আদম আ. এর পুরো বংশধরের জন্য যথেষ্ট। বড় বড় শাসক ও বিত্তবানদের দেওয়ার জন্য যদি কিছু থাকে, যা সকল প্রভাবশালীর প্রভাব ও সম্পদশালীর সম্পদ বৃদ্ধি করতে পারে, যা দুনিয়া বদলে দিতে পারে, যা হতে পারে সৌভাগ্যের জিয়ন কাঠি, তা এই কুরআন মাজিলেরই অনুদান।কুরআন মাজিদ কাউকে সপ্ত জমিনের তলদেশ থেকে নক্ষত্রের দেশে পৌঁছে দিতে পারে। আবার যারা কুরআন মতে আমল করে না, তাদের অলোমুখী করে ফেলেও দিতে পাবে। কুরআন আরবের অসহায় যাযাবর, আর সম্বলহীন মরু বাসিন্দাদের কোথেকে নিয়ে কোথায় পৌঁছে দিয়েছে। অথচ তাদের না ছিল পেট ভরে খাবার উপকরণ, আর না ছিল শরীর আচ্ছাদিত করার যথেষ্ট অবরণ। কুরআনের কী ম্যাজিক পাওয়ার। যার ছোঁয়ায় তুচ্ছও পেয়ে যায় অতুল্য সম্মান! কবি বলেছেন,خود نہ تھے جو راہ ہے اور وں کے بادی بن گئے کیا نظر تھی جس نے مردوں کو مسیحا کر دیا۔অর্থাৎ যারা নিজেরাই সঠিক পথে ছিল না, তারাই হায়ে গেলো সঠিক পথের সন্তানদাতা। কেমন ছিল সেই দৃষ্টি, রোগীকেই চিকিৎসক বানিয়ে নিয়েছে।আবিবের গ্রাম্য লোক, গৃহজীন যাযাবর, দুনিয়া যাদের ভ্রুক্ষেপই করত না, কিন্তু এটি হলো সেই কুরআন, যা সেই তাদেরই বানিয়ে দিয়েছে দুনিয়ার রক্ষক, নিয়ন্ত্রক ও দুনিয়ার শান্তি-সজ্জার ধারক। এই কুরআনের বদৌলতে তারা রোম-পারস্যের রাজমুকুট পদদলিত করেছে। তাদের রাজ সিংহাসনে এমনাভাবে এসেছে, যেভাবে কেউ চা উইিয়ের ওপর বসো কবি বলেছেন,در شهرستان در اخلوت گزیده قوم و آئین و حکومت آفرید ماند شبها چشم او محروم نوم تا به تخت خسر ولی خوابیده قوم