| লেখক | জর্জ ইলিয়ট |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | সাহিত্য ও উপন্যাস |
| Language | : বাংলা |
| Number of Pages | 96 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
জর্জ এলিয়ট ছদ্মনামে লেখা ইংলিশ লেখিকা মেরি অ্যান ইভান্সের মিডলমার্চ উপন্যাসটি প্রথমে আট ভলিউমে প্রকাশ হয় ১৮৭১-৭২ সালে। লেখিকা ১৮২৯ থেকে ১৮৩২ পর্যন্ত একটি শহর মিডলমার্চের সুখ দুঃখ,হাসি-কান্না,রাজনৈতিক পালাবদল আর মানুষের জীবনকে তুলে ধরেছেন জীবনের খুব কাছ থেকে। নারীর মর্যাদা,বিয়ে,আদর্শের সংঘাত,আত্মসচেতনতা,ধর্ম,হঠকারীতা,আর শিক্ষা দীক্ষা নিয়ে গল্প বলে গিয়েছেন তিনি । একটি ভিক্টোরিয়ান যুগের উপন্যাসের সমস্ত উপাদানই এতে আছে। উপন্যাসটি তৎকালীন নারী লেখিকাদের সম্পর্কে সকল ধারণা ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিল। এজন্যই উপন্যাসটির ব্যাপারে উচ্ছসিত প্রশংসা পাওয়া যায় ভার্জিনিয়া উলফের কাছ থেকে “পরিণত মনের পাঠকের জন্য লেখা অল্প কিছু ইংলিশ উপন্যাসের ভিতর একটি।” ১৯ বছরের এতিম,অত্যন্ত বুদ্ধিমতী মেয়ে ডরোথি ব্রুক,এক রোখামী করে বিয়ে করে বসে বাবার বয়সী পন্ডিত এডওয়ার্ড ক্যাসাবনকে। এর পিছনে ডরোথির পুরো আকর্ষণটাই ছিল ক্যাসাবনের কথিত মহান গবেষণাকর্মের প্রতি। কিন্তু সে যে ভুল করেছে তা বুঝতে পারে,যখন ক্যাসাবন তৎকালীন সমাজসুলভ পুরুষালী কর্তৃত্ব দেখিয়ে ডরোথিকে তার কাজে না নিয়ে সেক্রেটারী করে রাখেন। ক্যাসাবন এমনকি ডরোথির আদর্শবাদী সংকল্প,সৃষ্টিশীলতা ইত্যাদির কারণে তাকে হিংসা করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে ডরোথির আদর্শবাদী কাজিন উইল লেডিস-ল-র সাথে ডরোথির বন্ধুত্বে তিনি ডরোথিকে সন্দেহ করেন। তিনি মৃত্যুর আগে ডরোথির শপথ চান,যাতে ক্যাসাবনের মৃত্যুর পরেও ডরোথি উইল লেডীস-লর সাথে যোগাযোগ না রাখে। স্বামীভক্ত ডরোথি মনে মনে শপথ করবে বলেই ঠিক করে,কিন্তু শপথের আগেই ক্যাসাবন মারা যান। পরবর্তীতে আশ্চর্য এক চতুরতা দেখা যায় ক্যাসাবনের,তিনি উইল করে যান ডরোথি তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে চাইলে লেডিস-লকে বিয়ে করতে পারবে না। প্রথমে দুর্নামের ভয়ে দূরে থাকলেও সত্যি সত্যিই ডরোথি আর লেডিস-ল প্রেমে পড়ে এবং বিয়ে করে। সম্পত্তি হারানোর দুঃখ সয়েও ডরোথি ঠিকই খুশি থাকে এই ভেবে যে “পৃথিবীর যা কিছু ভালো হয়,তার কিছুটা নির্ভর করে ছোট ছোট ত্যাগের উপর ভর দিয়েই।‘’ এই সময় টারটিয়াস লিডগেটের গল্প শুরু। এক তরুণ ডাক্তার,নিজের ওষুধপত্র আর গবেষণা নিয়ে বিরাট উৎসাহ তার। মিডলমার্চে আসার অল্পদিনের মধ্যেই তিনি রোজামন্ড ভিন্সির সাথে জড়িয়ে যান এবং বিয়ে করেন তাকে। স্ত্রী হিসেবে সমস্ত গুণই তিনি দেখতে পান রোজামন্ডের মধ্যে। এদিকে রোজামন্ড ভেবেছিল মেধাবী,উচ্চবংশীয় লিডগেট ধনীই হবেন,একে বিয়ে করলে তার সামাজিক ম