| লেখক | কিযী তাহ্নিন |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | কমিকস , নকশা ও ছবির গল্প |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 96 |
| Cover Type | Unknown Cover |
সূত্রাপুরের ফাইভ স্টার ভাতের হোটেলের মালিকের ছেলে মাখন হয়ে উঠছে এলাকার নিরাপদ প্রেমিক, তার বোকা চোখ সেই সূত্র জানে, যা আর কেউ জানে না। রূপসা ব্রিজের হঠাৎ বাজারে তিনশো টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া গলদা চিংড়ির পানসে মাথাগুলোর বিপরীতে জমে ওঠে লতিফা নানির বেমানান গোলাপবালা আর বাবুল দাঁতের মাজনওয়ালার সুর। প্রতিদিনের কোলাহলে সে সুর ছিটকে পড়ে এখানে-সেখানে। হাতে তুলে মুক্তোর মতন যত্নে রেখে দেওয়া যায়, কিংবা ওই নালার জলে ঝুপুত করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায় সে সুর। টুটপাড়ার স্যাঁতস্যাঁতে লালবাড়িটার আনাচেকানাচে মনা খুঁজছে বলিরেখার ভাঁজে কুঁজো হয়ে যাওয়া অতীত। অতীত কি মায়ের মতন, খুঁজে পাওয়া এত সহজ! এমদাদ সাহেব চুড়িহাট্টার ওয়াহিদ ম্যানশনের পাশে বসে থাকে প্রতি বিকেলে, বন্দোবস্ত করে ভালোবাসা শূন্য ঘুমের। তবু স্বপ্ন জাপটে ধরে তাকে, রোদের মতন কিংবা অসুখী ঝড়ের মতন। ভাগলপুরের এক টুকরো জমিতে ডালপালা ছড়িয়ে বেঁচে থাকা আসমানী বেগমের আছে এক গোপন আয়না। বইমেলার বেস্টসেলার লেখকের আঙুল ফুঁড়ে জেগে উঠছে যে বাস্তবতা, জাদুকেও অতিক্রম করে যাচ্ছে তা। এ শহরের পেটমোটা কুয়োয় জলহীন আটকে পড়া প্রতিদিনের মানুষের মতনই তারা- খুঁজে পেলে গল্প, নইলে সব ঝাপসা। আর এদিকে গ্রিনরোডের গলি ছেড়ে, এগলি-ওগলি তারপর ঢাকা শহরজুড়ে টুকরো টুকরো ছড়িয়ে যাবে একদিন মনিকার মসলার কৌটোগুলো। এ শহরের কালো আকাশের গায়ে সে রং আর ঘ্রাণ লেপটে আছে। দেখা যায়, না?