| লেখক | ডাঃ ইসরার আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ, পপুলার সিরিজ |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বইটি কোনো ইতিহাস গ্রন্থ নয়, কেবল পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি গবেষণাগ্রন্থ। লেখক তরতর করে অসংখ্য বিষয় টেনেছেন, অনেক বাস্তবতার ইঙ্গিত করেছেন। করোনা কেন্দ্রিক নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠা, দাজ্জাল ও মাসিহ ইত্যাদি বিষয়ে সারগর্ভ আলোচনা এসেছে। বিশ্বব্যাপী দাজ্জালের অনুসারী বাড়াতে হলে পূর্ব প্রস্তুতি দরকার৷ তাই ইহুদিরা প্রথমে বিশ্বের অর্থনৈতিক ও সামাজিকসহ সকল ব্যবস্থাপনা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং নিচ্ছে৷ বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠা করছে৷ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ও মানবজাতির মস্তিষ্ককে দাজ্জালমুখী করতে তারা নিচ্ছে নানাবিধ পদক্ষেপ৷ টিভি, সিনেমার বড় বড় নায়ক ও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মালিকদের ক্রয় করে তাদের মাধ্যমে দাজ্জালের একচোখকে প্রচার করে যাচ্ছে৷ ছড়িয়ে দিচ্ছে যৌনতা ও উলঙ্গপনা সর্বত্র৷ ধ্বংস করছে যুবসমাজের ইমান-আকিদাকে৷ প্রিয় পাঠক, নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠার এক গভীর ও ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র উন্মোচনের দ্বারে আপনাকে স্বাগত। বিশ্বব্যাপী ইহুদি চক্রান্ত আজকের পৃথিবী এক গোপন শয়তানি শক্তির হাতে বন্দী। স্বাভাবিক পৃথিবীর অন্তরালে চলছে ষড়যন্ত্রের ভয়াবহ কর্মকাণ্ড। পুরো পৃথিবীকে এক মহা প্রতারকের কন্ট্রোলে আনার জন্য হেন কোন কাজ নেই, যা করছে না এই শয়তানি গোষ্ঠী। নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে ইলুমিনাতি ও ফ্রিম্যাসনের অনুসারী ডিপ ষ্টেটের হর্তাকর্তারা ইহুদি সম্প্রদায় মুসলিম উম্মাহর অদেখা শত্রু, যারা সরাসরি মুসলিমদের সাথে শত্রুতা করতে ভয় পায়, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই শত্রুতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ফিরে আসে না। কাঁধের পেছনে লুকিয়ে কাউকে ছুরিকাঘাত করার অভ্যাস তাদের এতটাই গ্রাস করেছে যে, এটা তাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে গেছে, গ্রাস করেছে তাদের স্বভাব-আচরণ। তাদের বিশ্বাসমতে তারা একদিন পৃথিবীর রাজত্ব করবে। এ হীন মানসিকতায় তারা পৃথিবী জুড়ে নানা কর্মকাণ্ড ও সূক্ষ্মভাবে নানা সংগঠন পরিচালনা করে আসছে। “ইহুদি চক্রান্ত” বইটি বিশ্বব্যাপী সেসবের মুখোশ খুলে দিবে। তাদের প্রকাশ্য – পরোক্ষ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় সংগঠন, মুসলমানদের মধ্যে সক্রিয় সংগঠনসহ ফ্রিম্যাসন ইত্যাদির ভেতর-বাহির তুলে ধরবে। তুলে ধরবে নথিপত্র ও প্রোটোকলসগুলো স্পষ্টভাবে। আমাদের দেখার মধ্যে অদেখা ভয়াবহতা জানতে পারবেন। আমাদের ঘিরে কত সূক্ষ্ম ছক এঁকে চলেছে তারা। পৃথিবীব্যাপী তাদের অধীন চিরচেনা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির আদ্যোপান্ত বিবরণ। তাই সচেতন মাত্র বইটি অবশ্যপাঠ্য। মুসলমানদের না পড়লেই নয়। দ্য ব্যাটল অব আরমাগেডন আজকের পৃথিবী যুদ্ধ, সংঘর্ষ, রক্ত ও ধ্বংসযজ্ঞের ফলে উত্তপ্ত হয়ে আছে। মানবজাতি এক চূড়ান্ত পরিণতির অপেক্ষায় রয়েছে। পৃথিবীর প্রধান ধর্মগুলোর ভবিষ্যৎবাণী বলছে⸺কেয়ামতের আগে পৃথিবীজুড়ে এক বিস্তৃত ও সর্বব্যাপী লড়াই সংগঠিত হবে! এটি হবে শুভ-অশুভর চূড়ান্ত লড়াই! হক-বাতিলের চূড়ান্ত যুদ্ধ! এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বের বর্তমান মানচিত্রই আমূল বদলে যাবে। নতুনভাবে বিশ্ব-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। খ্রিস্টীয় বিশ্বাস মতে⸺‘ইতিহাসের এই মহারণক্ষেত্রে ‘যিশু’ শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে সত্যের জয় ছিনিয়ে আনবেন।’ আর ইহুদিরা মনে করে⸺‘মহাপ্রলয়ের আগে এই মহাযুদ্ধে ইহুদিজাতির ত্রাণকর্তা (শান্তির বাদশাহ) ‘মালেকুস সালাম’ (একচোখ বিশিষ্ট দাজ্জাল) -এর নেতৃত্বে দুনিয়াব্যাপী ইহুদিদের একচ্ছত্র রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।’ কিন্তু মুসলিম জাতি বিশ্বাস করেন⸺‘কেয়ামতের আগে নেতৃত্বশূন্য মুসলমানদেরকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ইমাম মাহদি আগমন করবেন। তাঁর নেতৃত্বে মুসলমানরা ‘শাম দেশে’ মহাযুদ্ধে অবতীর্ণ হবেন। ওই যুদ্ধে মুসলমানদের চূড়ান্ত বিজয়ের সন্ধিক্ষণে আকাশ থেকে ফেরেস্তার ডানায় ভর করে হজরত ঈসা আলাইহিস সালাম নেমে আসবেন। তিনি ওই একচোখা দাজ্জালকে হত্যা করবেন।’ এটিই হচ্ছে আল-মালাহামতুল উজমা! দ্য ব্যাটল অব আরমাগেডন! ইহুদি-খ্রিস্টানরা কীভাবে এই যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে! দাজ্জালের অগ্রগামী বাহিনী কীভাবে ষড়যন্ত্রের ঘেরাও ছোট করে আনছে! অত্যাধুনিক টেকনোলোজি কীভাবে দাজ্জালি শক্তির জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে! ডাক্তার ইসরার আহমদ রহঃ আজীবন এই ব্যাপারে উম্মাহকে সতর্ক করে গিয়েছেন। শেষ যুগে ঘটিতব্য হক-বাতিলের চূড়ান্ত লড়াই সম্পর্কে জানতে পড়ুন ‘দ্য ব্যাটল অব আরমাগেডন’