| লেখক | ড. আহসান হাবীব ইমরোজ, মাসুদ রানা সাগর |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | আত্ম-উন্নয়ন , মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
প্রেরণার পাঠ জীবন মূলত ছোট ছোট ঘটনার সমষ্টি। প্রতিনিয়ত আমাদের বহমান জীবনে ঘটে যায় অনেক ঘটনা। কোন কোন ঘটনা ছুঁয়ে যায় হৃদয়কে, বদলে দেয় জীবনের গতিধারা। বিপরীতে কোন কোন ঘটনা আমৃত্যু যন্ত্রণা দেয় মানুষকে। আবার কোন কোন ঘটনা নিজের জন্য তো বটেই অন্যের জন্য এমনকি অনাগত প্রজন্মের জন্যও শিক্ষার উৎসে পরিণত হয়। এ বইয়ের রুপান্তরিত গল্পগুলো ঠিক তেমনি। এগুলো আসলে গল্প নয় কারো না কারো জীবনে ঘটে যাওয়া ছোট্ট ছোট্ট ঘটনা। যা যুগ যুগ ধরে মানুষকে জীবন ও মানসিকতা বদলাতে এবং পরোপকার ও মানবিকতার গুণ অর্জনে প্রেরণা দিয়ে যাবে।বইয়ে সন্নিবেশিত ঘটনাসমূহের মূল দাবি জীবন বদলানোর, প্রেরণার ও মানবিকতার যা আমাদেরকে জীবনের মর্মার্থ খুঁজে নিতে সহায়তা করবে। আশা করি বইটি সকলের প্রেরণার পাঠে পরিণত হবে। যুবক ইউ আর দ্যা গেম চেঞ্জার ব্রিটিশ চলে গেছে সেই ৭৫ বছর আগেই। কিন্তু তাদের প্রসূত চিন্তাচেতনা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আজো আমাদের তরুণেরা। আমাদের তরুণেরা সবসময় স্বপ্ন দেখে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবো। কিন্তু আজ আর কেউ স্বপ্ন দেখে না! আমরা ইবনে সিনা, আল ফারাবি, আল বাত্তানি, আল খাওয়ারিজম, ইবনে খালদুন হবো, যাদের বই পড়ে মানুষ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা প্রফেসর হবে।আমাদের তরুণেরা স্বপ্ন দেখে একটা সেনাবাহিনীর চাকরি আর এতেই তার স্বপ্ন ও জীবনের পরিধি শেষ। কিন্তু সে একবারো ভাবে না, মাত্র ১৬ বছর বয়সের একজন তরুণ নিজেকে সেনাবাহিনীর সৈনিকদের ভিতরেই সীমাবদ্ধ রাখেননি বরং সেনাপতি হয়ে উপমহাদেশে বিজয় করে ছিলেন। যিনি তার বীরত্বের কারণে যুগ যুগ ধরে অমর হয়ে আছেন আমাদের মাঝে।আমাদের তরুণেরা যেন দুনিয়ার বুকে যা ইচ্ছা করতে পারবে শুধুমাত্র খোদায়ি কাজ ছাড়া। কিন্তু আজ তারা কিছুই পারছে না, আসলে তারা পারছে না এমনটা নয় বরং তাদেরকে পারতে দেওয়া হচ্ছে না। ছোট্ট একটি চাকরি আর কিছু মানুষকে সুখে রাখার দায়িত্ব নিয়েই মহা-তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে। যেখানে তারা একেকজন একেকটি জনপদের মুখে হাসি ফুটাতে সক্ষম। তাদেরকে বস্তুবাদ, পুজিবাদ, ভোগবাদের জালে বন্দি করে রাখা হয়েছে। যেভাবেই হোক তাদেরকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হবে কিন্তু মহৎ কোনো জীবনবোধ, মূল্যবোধের ব্যাপারে তারা একটুও সচেতন না।আমাদের এই অসচেতন তরুণদের সচেতন করা, তাদের হৃদয়কে জাগ্রত করা, সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণে তাদেরকে শানিত করার প্রচেষ্টা নিয়ে রচিত হয়েছে এই বইটি। জাগো বীর নয়া শতাব্দীর নয়া শতাব্দীর বীরেরা জাগুন। আপনারা আগে বাড়ুন। আপনাদের জাগতে হবে, আগে বাড়তে হবে। জাগতে হবে হেরার আলোকে। নববীর পথে মুক্তির দিশায়। গড়তে হবে জীবনের প্রতিটি তটরেখা। আপনারা জেন-জি, জেন-আলফা, আপনারা কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী। শিশুতোষ লাভায় তারুণ্যের পললে মথিত আপনারা উদ্দাম।আপনারা ছিলেন জুলাইয়ের রাজপথে শহীদি মিছিলে। বুক পেতে সম্মুখে তাকবীরে তাকবীরে প্রতিরোধে বিজয়ে৷ আপনারাইতো নয়া শতাব্দীর বীর। আলোকিত বাংলাদেশের সুরম্য প্রতিচ্ছবি।মনে আছে নিশ্চয়ই ড. আহসান হাবীব ইমরোজের কথা! তার ‘মোরা বড় হতে চাই’ পড়ে আমাদের মতো আপনারাও উজ্জীবিত হয়েছিলেন, স্বপ্ন দেখেছিলেন নিজেকে নিয়ে।নতুন আঙ্গিকে নয়া শতাব্দীর বাস্তবতাকে সামনে রেখে নতুন বাংলাদেশের বীরদের উজ্জীবিত করতে তালবিয়া প্রকাশন প্রকাশ করছে ড. আহসান হাবীব ইমরোজ রচিত কাঙ্ক্ষিত বই ‘জাগো বীর নয়া শতাব্দীর’। আমরা আশাকরি বইটি আপনাদের উপকৃত করবে। পুরুষের পর্দা সচেতনতা পর্দা তথা হিজাব পালন ইসলামের ফরজ বিধান। এই বিধান পুরুষ নারী উভয়ের উপর ফরজ। সাধারণত পর্দা সংক্রান্ত আলাপের বেশিটা জুড়েই থাকে নারীকে নিয়ে। যদিও আল কুরআন ও আল হাদীসে পুরুষের পর্দার উপরও জোরালো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নারী ও পুরুষকে পাশাপাশি রেখেই আদেশ করা হয়েছে।পুরুষের পর্দা সচেতনতা গ্রন্থটি মূলত আমাদের পুরুষ সমাজকে বিবেচনায় রেখে প্রণীত হয়েছে। একাধারে তারা নারীর পরিচালকের ভূমিকা পালনকারী হিসেবে নারীর পর্দা পালনের সুব্যবস্থা করবে অপরদিকে নিজের উপর অর্পিত ফরজ বিধান হিসেবে পর্দা পালনে কঠোর ও সচেতন হবে। বইটির শুরুতে আলোচনা করা হয়েছে পর্দার পরিচয় নিয়ে। মাহরাম ও গায়রে মাহরামের পরিচয় নিয়ে। এরপর পুরুষের সতর ও পর্দার বিধান কি হবে সে সম্পর্কে আলোচনা এসেছে।পরবর্তী পরিচ্ছদে পর্দার প্রভাব, এখনকার পুরুষেরা যেসব স্থানে সাধারণত পর্দার খেলাপ বেশি করে তা উল্লেখ করে সতর্কতার বিষয়গুলো সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে।সবশেষ লেখক গ্রন্থটিতে আরো আলোচনা করেছেন পর্দা লঙ্ঘনের কুফল ও ভয়াবহতা নিয়ে।