| লেখক | ওয়াহিদুর রহমান (ফ্রিল্যান্সার ওয়াহিদ) |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ছড়া , কবিতা ও আবৃত্তি |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 294 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
এক জীবনের অবসান, অন্য জীবনে প্রাণের স্পন্দন— দ্রোহ আর ত্যাগের এক শাশ্বত উপাখ্যান! কবিতা যখন কেবল ছন্দের কারুকাজ ছাড়িয়ে সময়ের জীবন্ত দস্তাবেজ হয়ে ওঠে, তখন কলম থেকে ঝরে পড়ে আগুনের ফুলকি আর রক্তের আলপনা। ‘অগ্নিবীজের আর্তনাদ’ তেমনি এক সংবেদনশীল কাব্যপ্রয়াস, যেখানে সমান্তরালভাবে হেঁটেছে উত্তাল সময়ের দ্রোহ এবং হৃদয়ের নিভৃততম হাহাকার। বইটি কেন পড়বেন? এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত দুটি ভিন্ন কিন্তু অবিচ্ছেদ্য ধারার মিলনস্থল। বইটির প্রথমার্ধে পাঠক খুঁজে পাবেন ২০২৪-এর সেই তপ্ত জুলাইয়ের রক্তঝরা দিনগুলোর প্রতিচ্ছবি। রাজপথের লড়াই, শৃঙ্খল ভাঙার গান আর স্বাধীনতার নবীন সূর্যকে ছুঁয়ে দেখার যে অদম্য বাসনা—তাই এখানে ‘অগ্নিবীজ’ হয়ে ধরা দিয়েছে। অন্যদিকে, বইটির গভীরে মিশে আছে এক মরমী মানবিক আখ্যান। এক বাবার নিঃশব্দ প্রস্থান আর তাঁর হৃদপিণ্ডের বিনিময়ে এক কন্যার নতুন জীবন পাওয়ার যে অলৌকিক ত্যাগের গল্প, তা পাঠককে নিয়ে যাবে এক বিমূর্ত অনুভূতির জগতে। এই হৃদস্পন্দনই এই কাব্যগ্রন্থের ‘অবিচ্ছেদ্য’ শক্তি। লেখকের কলমে নতুন এক মাত্রা: প্রযুক্তি ও করপোরেট জগতের পরিচিত মুখ ‘ফ্রিল্যান্সার ওয়াহিদ’ এই বইয়ে আবির্ভূত হয়েছেন এক ভিন্ন সত্তায়। ‘নেকড়ের অফিস’ কিংবা ‘জীবনের জ্যামিতি’-র লেখক এখানে তাঁর শৈল্পিক কলমে ফুটিয়ে তুলেছেন দ্রোহ, স্মৃতি, মা এবং ত্যাগের এক অপূর্ব সমাহার। ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে তিনি যেমন সভ্যতার উত্থান-পতনকে দেখেছেন, তেমনি একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে কান পেতে শুনেছেন যান্ত্রিক শহরের আড়ালে লুকিয়ে থাকা দীর্ঘশ্বাসের শব্দ। বইয়ের কিছু উল্লেখযোগ্য পঙক্তি: “আমি আগুন, আমি শিখা, আকাশভেদী দীপ্তিকা। আমি ঝড়ের বজ্রধ্বনি, অন্ধকারে আলোর বাণী।” কাদের জন্য এই বই? যাঁরা কবিতার মাঝে সময়ের চিৎকার শুনতে চান, যাঁরা ত্যাগের মহিমায় বিশ্বাস করেন এবং যাঁরা শব্দের বুননে হৃদস্পন্দনের শব্দ খুঁজতে ভালোবাসেন— ‘অগ্নিবীজের আর্তনাদ’ তাঁদের সংগ্রহের একটি অমূল্য রত্ন হয়ে থাকবে। বিপ্লব, রক্ত এবং অশ্রু যখন একই সুতোয় গেঁথে যায়, তখন তৈরি হয় এক ‘অবিচ্ছেদ্য কাব্যগাঁথা’। সেই মহাকাব্যের অংশ হতে আজই সংগ্রহ করুন ‘অগ্নিবীজের আর্তনাদ’।