Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনটি বই একসাথে (প্যাকেজ)

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনটি বই একসাথে (প্যাকেজ)

৳960
৳701
ফকির বিদ্রোহ ও মজনু শাহ ১৭৬০ সালে তৈরি হওয়া একটি বিদ্রোহী বাহিনী, ১৭৬৩ সালে সর্বপ্রথম আক্রমণ করে—বাংলায় উড়ে এসে জুড়ে বসা ইংরেজদের ওপর। একযোগে বহু জায়গায় আক্রমণ। দেখে দেখে ইংরেজদের ঘাঁটিতে, ইংরেজঘেঁষা জমিদারদের কাছারিতে।১৭৮৩ সাল। একে একে তাদের উচ্চপদ
  লেখক   আমীরুল ইসলাম ফুআদ, মুহাম্মাদ হাসিবুল হাসান
  প্রকাশনী

 বাতায়ন পাবলিকেশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

ফকির বিদ্রোহ ও মজনু শাহ ১৭৬০ সালে তৈরি হওয়া একটি বিদ্রোহী বাহিনী, ১৭৬৩ সালে সর্বপ্রথম আক্রমণ করে—বাংলায় উড়ে এসে জুড়ে বসা ইংরেজদের ওপর। একযোগে বহু জায়গায় আক্রমণ। দেখে দেখে ইংরেজদের ঘাঁটিতে, ইংরেজঘেঁষা জমিদারদের কাছারিতে।১৭৮৩ সাল। একে একে তাদের উচ্চপদস্থ বিজ্ঞ ছয়জন অফিসার তাদের হাতে প্রাণ দিলো। কে এত নিপুণভাবে তাদের পরিচালনা করছে! কে গোটা বাংলা—বিশেষত উত্তরবঙ্গকে বিদ্রোহে উজ্জীবিত করছে! কে সেই মহানায়ক? প্রচলিত বিভিন্ন ধারণা ও মিথ্যে ইতিহাসের আস্তাকুঁড় থেকে ছেঁকে ছেঁকে তুলে আনা হয়েছে ইতিহাসের এই মহান নায়ক—নবাব নূরুদ্দীন মুহাম্মদ বাকের জং-কে। সিরাজউদ্দৌলা সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের দৌহিত্র। সিরাজউদ্দৌলার হৃদয় ছিল দেশপ্রেমে পূর্ণ। দেশের মানুষকে ইংরেজদের গোলামি থেকে রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন তিনি। ইংরেজদের শঠতা আর মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হন তিনি। এরপর মৃত্যু। ইতিহাসে রচিত হয় একটি কালো অধ্যায়। সিরাজবিদ্বেষীরা উঠেপড়ে লাগে সিরাজকে খাটো ও হীন করে দেখানোর উদ্দেশ্যে। ইংরেজদের মনোরঞ্জনের জন্য ছড়াতে থাকে অসংখ্য অপবাদ ও মিথ্যাচার। কেউ বলে গণ্ডমূর্খ কেউ বলে চরিত্রহীন। কেউ-বা আবার উপস্থাপন করে নারীলোভী ও অর্থলোভী হিসেবে। সময়ের পালাবর্তনে এমন অনেক আজগুবি কথাবার্তা রটে যায় সিরাজের ব্যাপারে। সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা এমন ছিলেন? সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা তথাকথিত অন্ধকূপ হত্যার নায়ক? এমন অসংখ্য প্রশ্নের জবাব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ‘সিরাজউদ্দৌলা’র পাতায় পাতায়। ১৮৫৭ সিপাহি বিপ্লবের ইতিবৃত্ত এ কথা অনস্বীকার্য যে, ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ মহাবিদ্রোহ নামে স্থান পেয়েছে। সে সময় অসংখ্য নাম-পরিচয়হীন সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবন তুচ্ছ করে শক্তিশালী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে সম্মুখসমরে শামিল হয়েছিল—সে স্মৃতি আজও ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান তথা উপমহাদেশের অধিবাসীদের মনকে নাড়া দেয়। আত্মত্যাগ, বীরত্ব, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চিরকালই সম্ভ্রম আদায় করে এসেছে। তাই ১৮৫৭ সালের বিপ্লবীদের সম্পর্কে উপমহাদেশবাসীর এই শ্রদ্ধাভাব অস্বাভাবিক নয়। তাছাড়া, উপমহাদেশব্যাপী অভূতপূর্ব এই উথালপাথালের দ্বিতীয় কোনো নজিরও ভারতের পরবর্তীকালের ইতিহাসে খুব একটা পাওয়া যায় না। অন্যদিকে ওই বছরের ঘটনাবলি ঐতিহাসিকদেরও অনেক ভাবিয়েছে আর এখনো ভাবায়।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।