Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

অন্যান্য গল্প

অন্যান্য গল্প

৳360
৳306
এক ছিল বুড়ো আর এক ছিল বুড়ী। তারা ভারি গরীব। আর বুড়ী বেজায় বোকা আর ভয়ানক বেশি কথা বলে-যেখানে সেখানে যার তার সঙ্গে গল্প জুড়ে দেয়-তার পেটে কোনও কথা থাকে না। বুড়ো একদিন তার জমি চষতে চষতে মাটির নিচে এক কলসী পেলে, সেই কলসী ভরা টাকা আর মোহর! তখন তার ভারি
  লেখক   সুকুমার রায়
  প্রকাশনী

 গ্রন্থিক প্রকাশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  শিশু কিশোরদের বই
  Language   : বাংলা
  Number of Pages   128
  Cover Type   হার্ড কভার

এক ছিল বুড়ো আর এক ছিল বুড়ী। তারা ভারি গরীব। আর বুড়ী বেজায় বোকা আর ভয়ানক বেশি কথা বলে-যেখানে সেখানে যার তার সঙ্গে গল্প জুড়ে দেয়-তার পেটে কোনও কথা থাকে না। বুড়ো একদিন তার জমি চষতে চষতে মাটির নিচে এক কলসী পেলে, সেই কলসী ভরা টাকা আর মোহর! তখন তার ভারি ভাবনা হল-এ টাকা যদি ফেলে রাখি কোনদিন কে চুরি ক’রে নেবে। আর যদি টাকা বাড়ি নিয়ে যাই, বুড়ী টের পেয়ে যাবে-সে সকলের কাছে তার গল্প করবে; ক্রমে কথা রাষ্ট্র হয়ে পড়লে রাজার কোটাল এসে সব কেড়েকুড়ে নিয়ে যাবে। ভেবে ভেবে সে এক ফন্দি আঁটল। সে ঠিক করল যে বুড়ীকে সব কথা বলবে কিন্তু এ রকম উপায় করব যাতে বুড়ীর কথা কেউ না বিশ্বাস করে। তখন সে একটা মাছ কিনে এনে তার ক্ষেতের ধারে একটা গাছের উপর বে’ধে রাখল, আর একটা খরগোস এনে নদীর ধারে একটা গর্তের মধ্যে জাল দিয়ে জড়িয়ে রাখল। তারপর সে তার স্ত্রীকে গিয়ে বলল, “একটা ভারি আশ্চর্য খবর শুনলাম-গাছের ডালে নাকি মাছ উড়ে বসে আর খরগোস নাকি জলে খেলা করে। আমাদের গণক ঠাকুর বলেন- “মৎস্য বসেন গাছে জলে খরগোস নাচে গুপ্ত রতন খুজলে পাবে খুঁড়লে তারি কাছে।” রাগের ওষুধ কেদারবাবু, বড় বদরাগী লোক। যখন রেগে বসেন, কান্ডাকান্ড জ্ঞান থাকে না। একদিন তিনি মুখখানা বিষণ্ণ ক’রে বসে আছেন, এমন সময় আমাদের মাস্টারবাবু, এসে বললেন, ‘কি হে কেদারকেষ্ট, মুখখানা হাঁড়ি কেন ?” কেদারবাবু, বললেন, ‘আর মশাই, বলবেন না। আমার সেই রূপোবাঁধানো হুকোটা ভেঙে সাত টুকরো হয়ে গেল-মুখ হাঁড়ির মত হবে না তো কি বদনার মত হবে? মাস্টারমশাই বললেন, ‘বল কি হে? এ তো কাচের বাসন নয় কি মাটির পুতুল নয়-অমনি খামখা ভেঙে গেল, এর মানে কি? কেদারবাবু, বললেন, ‘খামখা ভাঙতে যাবে কেন-কথাটা শুনুন না। হল কী, কাল রাত্রে আমার ভাল ঘুম হয় নি। সকালবেলা উঠেছি, মুখ হাত ধুয়ে তামাক খেতে বসব, এমন সময় কলকেটা কাত হয়ে আমার ফরাসের উপর টিকের আগুন প’ড়ে গেল। আমি তাড়াতাড়ি যেই আগুনটা সরাতে গেছি অমনি কিনা আঙুলে ছ্যাঁক্ করে ফোস্কা প’ড়ে গেল! আচ্ছা, আপনিই বলুন-এতে কার না রাগ হয়? আরে, আমার হুঁকো, আমার কলকে, আমার আগুন, আমার ফরাস, আবার আমার উপরেই জুলুম! তাই আমি রাগ ক’রে-বেশি কিছ, নয়-ঐ মুগুরখানা দিয়ে পাঁচ দশ ঘা মারতেই কিনা হতভাগা হুঁকোটা ভেঙে খান্ খান!’ মাস্টারমশাই বললেন, ‘তা যাই বল বাপু, এ রাগ বড় চন্ডাল-রাগের মাথায় এমন কান্ড ক’রে বস, রাগটা একটু, কমাও।’ ‘কমাও তো বল

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।