| লেখক | পল্লব মোহাইমেন |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | আত্ম-উন্নয়ন , মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিনের জন্ম না হলে যেমন বিদ্যুৎ আবিষ্কার হতো না, টমাস আলভা এডিসনের জন্ম না হলে বিজলি বাতি আমরা পেতাম না, চার্লস ব্যাবেজ না থাকলে কম্পিউটার পেতাম না আবার আইজাক আসিমভের জন্ম না হলে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি—পরবর্তীকালে তাঁর কাহিনি ধরে প্রযুক্তির অগ্রগতি হতো না। বিল গেটস, স্টিভ জবস, টিম বার্নার্স লি, ইলন মাস্ক, জেফ বেজোস, মার্ক জাকারবার্গ প্রমুখ না জন্মালে আধুনিক রঙিন তথ্যপ্রযুক্তির আজকের যুগের সৃষ্টি হতো না। আবার পুরুষ অধ্যুষিত তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রামার এক নারী—আডা লাভলেস—তাঁকে প্রতিনিয়ত স্মরণ করতে হয় কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের জন্য। এমন প্রাসঙ্গিকভাবে কারও জন্মদিন, কারও বিশেষ উদ্ভাবন বা বিশেষ দিন ধরে ধরে ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে। আছে মাইক্রোসফট, অ্যাপল, গুগল, ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), অ্যাডোবি—তথ্যপ্রযুক্তির যুগান্তকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্মকথা, বর্তমান কর্মকাণ্ড—সব। ক্যালেন্ডারের তারিখ ধরে ধরে উঠে এসেছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাসও। বইটি হয়ে উঠেছে বাংলা ভাষায় তথ্যপ্রযুক্তির এক ঐতিহাসিক দলিল। শেষ ফ্ল্যাপ: পল্লব মোহাইমেন। জন্ম ৩০ অক্টোবর ১৯৭০, রংপুর মাতৃসদনে। ৫০ দিন বয়সে বাবার কর্মস্থল সরিষাবাড়ীতে চলে আসা। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সেখানেই বেড়ে ওঠা, তারপর থেকে ঢাকায়। বাবা মুহ. আব্দুল মান্নান সরিষাবাড়ী কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, প্রয়াত। মা সুফিয়া চৌধুরী (নাহার) গৃহিণী, তিনিও প্রয়াত। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক, পেশায় সাংবাদিক। শুরু ১৯৯১ সালে সাপ্তাহিক প্রিয় প্রজন্ম–এ। ১৯৯৮ সালে যোগ দেন প্রথম আলোতে, এখনো সেখানে কর্মরত। তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকতা তাঁর বিশেষ ক্ষেত্র। খ্যাতিমান ব্যক্তি, তাঁদের কাজ, গবেষণা, উদ্ভাবন; ফ্যাশন, জীবনযাপন, সম্পর্ক, ভ্রমণসহ বিচিত্র বিষয়ে লিখেছেন। শখ বই পড়া, মাছ ধরা ও ঝরণা কলম সংগ্রহ। ঘুরেছেন বেশ কিছু দেশ। বৃশ্চিক রাশির জাতক পল্লব মোহাইমেন বিবাহিত। স্ত্রী মাহমুদা মালেক। তাঁদের ছেলে মনন মাহমুদ সার্থক ও মেয়ে মহিমা স্বাগতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁর পূর্বপ্রকাশিত রম্যগ্রন্থ সচিত্র ডিজিটাল ব্যঙ্গ অভিধান (২০১৪) ও কাব্যগ্রন্থ রঙিন মেয়ের শুভ্র ভালোবাসা (২০২০)।