Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

প্যারেন্টিং প্যাকেজ

প্যারেন্টিং প্যাকেজ

৳1385
৳1039
আমানি বার্থ : প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মা হওয়ার উপায় আমাদের চিকিৎসকদের প্রায় কেউই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রসব দেখেননি। কোনো রোগের প্যাথলজি বোঝার জন্য শরীরের স্বাভাবিক ফিজিওলজি বোঝাটা যেরকম গুরুত্বপূর্ণ, সেরকম লেবারকে তার নিজস্ব গতিতে এগোতে দিতে চাইলে এর প্রাকৃতিক
  লেখক   আয়িশা আল হাজ্জার, ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
  প্রকাশনী

 সিয়ান পাবলিকেশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

আমানি বার্থ : প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মা হওয়ার উপায় আমাদের চিকিৎসকদের প্রায় কেউই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রসব দেখেননি। কোনো রোগের প্যাথলজি বোঝার জন্য শরীরের স্বাভাবিক ফিজিওলজি বোঝাটা যেরকম গুরুত্বপূর্ণ, সেরকম লেবারকে তার নিজস্ব গতিতে এগোতে দিতে চাইলে এর প্রাকৃতিক ও আত্মিক দিকগুলো জানাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি না-ই জানি লেবার পেইনের উদ্দেশ্য কী, কীভাবে ঔষধ ছাড়াই এই পেইনের মোকাবিলা করা সম্ভব, তাহলে আমাদের মায়েদের কীভাবে আমরা অনুপ্রাণিত করতে পারব! এটা সর্বাগ্রে একজন হবু মাকে জানতে হবে, তেমনই জানতে হবে— প্রসব-সহযোগী হিসেবে তার স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যকে; এরপর তার অন্য সেবাপ্রদানকারীদের—যাদের মাঝে নার্স, মিডওয়াইফ, অবস্টেট্রিশিয়ান বা প্রসূতিবিদ ও শিশুচিকিৎসক-সহ সকলেই আছেন। যদিও না জানার কারণে অনেক মেয়ের কাছেই লেবার পেইন একটা ভীতিকর ব্যাপার এবং তারা স্বেচ্ছায় সিজারিয়ান ডেলিভারির দিকে ঝুঁকে পড়ছে, তারপরও আমার দেখা অনেক হবু মা-ই এখন আগের চাইতে সচেতন। নরমাল ডেলিভারির প্রতি তারা অত্যন্ত আগ্রহী। তারা লেবার ও এর প্রিপারেশন সম্পর্কে জানতে চায়, নরমাল ডেলিভারি করাতে আগ্রহী—এমন প্রসব সহযোগীর খোঁজও করে। আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই জানার ক্ষেত্রটা খুবই সীমিত। আমি বিশ্বাস করি, বাংলা ভাষায় বইটি এক্ষেত্রে একটি মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। ~ ডা. ফাতেমা ইয়াসমিন এফসিপিএস (অবস্টেট্রিক্স ও গাইনোকোলজি) মা হওয়ার গল্প পশ্চিমা অনেক দেশেই সন্তান ধারণ ও প্রসব নিয়ে লেখাপড়া বাধ্যতামূলক। এ কারণে ওখানে নরমাল ডেলিভারির হার তুলনামূলক অনেক বেশি। মায়েরাও যথেষ্ট সচেতন ও কো-অপারেটিভ। ডাক্তারদের জন্য এরকম মায়েদের হ্যান্ডল করা অনেক বেশি সহজ। এই বইয়ে আমরা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে প্রেগন্যান্সি, সন্তান জন্মদান বিষয়ে প্রচলিত বিভিন্ন ভুল ধারণা এবং সেগুলোর সমাধান সম্পর্কে যথাসাধ্য আলোচনার চেষ্টা করেছি। সেই সাথে আলচনা করেছি গর্ভকালীন পড়াশোনার গুরুত্ব এবং আমাদের শিক্ষার্থীদের কিছু জীবনঘনিষ্ট অভিজ্ঞতা। ‘মা’ একটিমাত্র শব্দ। একটি ডাক। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ডাক, সম্মানের ডাক। যে ডাক কেবল নারীদের জন্য। নারীদের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর সৃষ্টিকে বিস্তৃত করেছেন। তাই তাঁর কাছে আমাদের কামনা—এই পৃথিবীর প্রতিটি নারীর জীবনে মাতৃত্বের এ যাত্রা যেন সহজ ও নিরাপদ হয়। আমিন। সন্তান প্রতিপালনে এ যুগের চ্যালেঞ্জ প্রত্যেক মাতাপিতাই সুসন্তানের স্বপ্ন লালন করেন যারা বড় হয়ে পরিবার এবং সমাজের জন্য দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। আগের তুলনায় শিক্ষিত, ছোট পরিবার এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও এ যুগের মাতাপিতারা সন্তান লালন-পালন নিয়ে অনেক অজানা এবং অচেনা চ্যালেঞ্জের কারণে দিশেহারা অনুভব করেন। ডিজিটাল প্রযুক্তির অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি এবং সহজলভ্যতার কারণে সামাজিক আবহের যে আমুল পরিবর্তন হচ্ছে যা সিংহভাগ পিতামাতার কাছে কল্পনাতীত মনে হতে পারে। শরীরের সব পূর্নাংগ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্ম গ্রহন করলেও একটি শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ শুরু হয় ভুমিষ্ঠ লাভের পর থেকে এবং ২০ বছর বয়সের মধ্যে তা পরিপূর্ণতা পায়। শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে পরিবেশের (পিতামাতার সাথে সম্পর্ক, সামাজিক যোগাযোগ, প্রকৃতির সাথে সংস্পর্শ, বন্ধুবান্ধবের প্রভাব, ডিজিটাল মিডিয়া ইত্যাদি) ভূমিকা রয়েছে যা নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। শিশুদের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে (০-৫ বছর) নিউরোলোজিক্যাল কিছু ত্রুটি (যেমন-অটিজম, এডিএইচডি, লিখতে-পড়তে অসুবিধা), থ্যালাসেমিয়াসহ আরো স্বাস্থ্যগত বিষয় সম্পর্কে আমাদের দেশের পিতামাতারা অসচেতন। শিশুর স্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক বিকাশ (০-৬ বছরের চেকলিস্টসহ) নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে যেন পিতামাতারা সচেতন হতে পারেন। মস্তিষ্ক বিকাশের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়কালে (৯-১৪ বছর) কিশোর-কিশোরীদের ধর্মীয় চিন্তা-চেতনা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, আত্মপরিচয়, যৌন পরিপক্বতা ইত্যাদির বিকাশ ঘটে। এই সময়টিতে এলজিবিটি বা ট্রান্সজেন্ডার মতাদর্শ, পর্নোগ্রাফি, মাদকাসক্তি, স্ক্রিন (স্মার্টফোন, ডিজিটাল ডিভাইস) আসক্তি, অপর্যাপ্ত ঘুম ইত্যাদি নতুন চ্যালেঞ্জিং ইস্যুগুলো গবেষণালব্ধ তথ্যের মাধ্যমে আলোচনা করে এর মোকাবেলার কৌশল নিয়ে বইটিতে দিক-নির্দেশনা রয়েছে। বইটি সকল শ্রেনীর পাঠকদের জন্য উপযোগী, বিশেষ করে পিতামাতা, শিক্ষক এবং রিলিজিয়াস স্কলারদের জন্য অবশ্যপাঠ্য। সন্তান : স্বপ্নের পরিচর্যা একটি সন্তানকে শুধু খাইয়ে-পরিয়ে বড় করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। পোষা প্রাণীর ক্ষেত্রে এটা যথেষ্ঠ হতে পারে, কিন্তু মানব-সন্তানের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট নয়। একটি শিশুকে আদর-যত্ন-ভালোবাসা দিয়ে লালন-পালন করতে হয়। সমাজে তার স্থান সম্পর্কে ধারণা দিতে হয়। সাফল্য লাভের উপায়গুলো শিখিয়ে দিতে হয়। তার দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে তাকে সচেতন করে গড়ে তুলতে হয়। প্রতিটি শিশুকেই এ বিষয়গুলো শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন; তবে মুসলিম শিশুদের জন্য এর প্রয়োজনীয়তা আরও অনেক বেশি, অনেক…। আমাদের এ বইটি আমাদের সন্তান প্রতিপালন ও পরিচর্যা নিয়ে। লিখেছেন মির্জা ইয়াওয়ার বেগ। দুনিয়াকে তিনি ব্যবসায়ীর নির্মোহ চোখে দেখেছেন, ধর্মের নির্ভুল দণ্ডে ব্যবচ্ছেদ করেছেন। অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, উপদেশ দিয়েছেন। কখনও কঠিনভাবে; কখনও কোমলভাবে। উভয়টাই আমাদের কল্যাণের জন্য—সেই জীবন ও এই জীবনের।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।