Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

রব্বানী দৃষ্টিতে

রব্বানী দৃষ্টিতে

৳300
৳234
রব্বানী দৃষ্টিতে গ্রন্থটি আবু জর গিফারি সোসাইটির পক্ষে ১৯৭০ সালে অধ্যাপক শাহেদ আলী প্রথম প্রকাশ করেন। বর্তমান গ্রন্থ তারই পুনঃপ্রকাশ। এ গ্রন্থে কয়েকটি রচনা সংকলিত হয়েছে। যেমন Ñ আল ফাতিহা,ইজতিহাদ,সমাজের জন্ম ও জীবন,সমাজ জীবনের গতি বৈচিত্র্য,সমাজ পুনর্গঠনের
  লেখক   আবুল হাশিম
  প্রকাশনী

 বাঙ্গালা গবেষণা

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   124
  Cover Type   হার্ড কভার

রব্বানী দৃষ্টিতে গ্রন্থটি আবু জর গিফারি সোসাইটির পক্ষে ১৯৭০ সালে অধ্যাপক শাহেদ আলী প্রথম প্রকাশ করেন। বর্তমান গ্রন্থ তারই পুনঃপ্রকাশ। এ গ্রন্থে কয়েকটি রচনা সংকলিত হয়েছে। যেমন Ñ আল ফাতিহা,ইজতিহাদ,সমাজের জন্ম ও জীবন,সমাজ জীবনের গতি বৈচিত্র্য,সমাজ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয় ইসলামী মূল্যবোধ,ইসলাম ও অর্থনৈতিক সমস্যা,ইসলামী সংস্কৃতির অর্থ,ইসলামে পরিবারের মর্যাদা ও নারীর স্থান ইত্যাদি। আবুল হাশিমের (২৭.০১.১৯০৫Ñ০৫.১০.১৯৭৪ ) পিতা আবুল কাসেম (০২.০২.১৮৭২- ১০.১০. ১৯ ৩৬) মন্টেগু চেমসফোর্ড সংস্কারের সময় থেকে আমৃত্যু (১৯১৯-৩৬) প্রাদেশিক বা কেন্দ্রীয় আইনসভার সদস্য ছিলেন। মৌলভী আবুল কাসেমের জীবনব্যাপী জনকল্যাণমুখী কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বর্ধমানবাসী ভোট দিয়ে আবুল হাশিমকে বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত করেন। ১৯৩৭ সালে কলকাতায় মহম্মদ আলী জিন্নাহর আহ্বানে মুসলিম লিগে যোগ দেন। ১৯৩৮ সালে আবুল হাশিম বর্ধমান জেলা মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৪০ সালের ৩০ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে যোগদান করেন। ১৯৪৩ সালের ৭ নভেম্বর কলকাতা মুসলিম ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত সভায় আবুল হাশিম বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং মুসলিম লীগকে একটি গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল দল হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেন যা তিনি বাস্তবায়ন করেছিলেন। ১৯৪৪ সালের মধ্যে ৫ লক্ষের বেশি ২ আনার সদস্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। প্রাদেশিক মুসলিম লিগের আফিস ও পার্টিহাউজ ছিল বাঙ্গালার মুসলিম যুব নেতৃবৃন্দের মিলনকেন্দ্র। জমিদার ও নবাবদের হাত থেকে সাধারণ মানুষের মুসলিম লিগ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। সবুর খানের মতে,আবুল হাশিম বাঙ্গালার সন্ত্রাসবাদীদের সার্থে সম্পর্কিত এবং একজন কমিউনিস্ট। শাহ আজিজুর রহমানও আবুল হাশিমকে কমিউনিস্ট হিসেবে দোষারোপ করতেন। খাজা নাজিমুদ্দিন মনে করতেন,আবুল হাশিম ইসলামকে আশ্রয় করে কমিউনিজম প্রচার করেন। আবুল হাশিমের আদর্শবাদ বিষয়ে সুহরাওয়ার্দীও তেমন সমর্থন করতেন না। একবার তিনি হাশিমকে বলেছিলেন,‘হাশেম আদর্শের প্রতি এত নিষ্ঠা আমার মনঃপুত নয়; আদর্শ আমার কর্মজীবনে কখনও কোনো কাজে আসেনি।’ আবুল হাশিম তাঁর জীবনের এই আদর্শ পেয়েছিলেন রসুলের নেতৃত্বে খেলাফতের পথ অনুযায়ী। তাঁর এই প্যান ইসলামিক চিন্তার অন্যতম উপাদান ছিল কমিউনিজমের সাথে ইসলামী সাম্যের সাযুজ্য অন্বেষণ। এই কারণে তাঁকে সব সময় বলা হয়েছে বামপন্থী। ১৯৫০ সালের এপ্রিল মাসে কলিকাতা ত্যাগ করে ঢাক

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।