| লেখক | আরিফা, আহমদ নুসাইবা নাওয়ার |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | বিজ্ঞান বিষয়ক |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
পয়েন্ট থ্রি টু সিক্স এফ এক্স সাইবার্নোটিক অর্গানিজম অর্থাৎ সাইবর্গ তৈরির পরিকল্পনার প্রায় শেষ মাথায় এসে পেঁৗছেছেন তিনি। যে মগজ এখনো জগৎ চিন্তায় অস্থির হয়নি,ভারাক্রান্ত হয়নি সুখ দুঃখের বেড়াজালে,আবেগের থাবা আঁচড় কাটেনি যার কোষে,এরকম মগজ হলেই তাঁর কাজ চূড়ান্ত হবে। … পৃথিবীর মানুষগুলো সংকীর্ণতা আর হিংসা বিদ্বেষের যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। এরচেয়ে রোবটই ভালো। ধর্ম বোঝে না,হিংসা চেনে না,সংকীর্ণতা খেঁাজে না। ‘… মহাজাগতিক কিছু ভাইরাস জোগাড় করেছি আমি। জানো তো,হিমালয়ের আইসবার্গের তলায় আর উত্তর মেরুর পার্মফ্রস্টে (বরফের স্তরে থাকা চির জমাট মাটি) সেগুলো ঘুমিয়ে ছিল কোটি কোটি বছর। আমিই সেগুলোকে উন্মোচিত করেছি। আর এখন সেগুলোকে কাজে লাগাচ্ছি। এ ভাইরাস সুপার মাইক্রোসেকেন্ডে তোমার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা রাখে।…’ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সংস্থার স্বৈরাচারিত্ব,ট্যাকিয়ন অণু,মহাজাগতিক ভাইরাস,গর্ভমস্তিষ্ক,ষড়যন্ত্র,গোয়েন্দাগিরি ও অ্যাডভেঞ্চারÑ সব মিলে ‘পয়েন্ট থ্রি টু সিক্স এফ এক্স’ বি আর পয়েন্ট টু থ্রি হঠাৎ হঠাৎ অদ্ভুত এক আলোকরশ্মি ঝলক মারতে লাগল পৃথিবীর নানান দেশে। আলোকরশ্মির সকল সূত্রকে উল্টে দিয়েছে এই অদৃশ্য আলোকরশ্মি। গভীর দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন বিজ্ঞানীরা। কী সেই আলোকরশ্মি? কোথা থেকে আসে? জানা নেই কারো। ওই নতুন অদ্ভুত অদৃশ্য আলোকরশ্মির পিছনে ছুটতে গিয়ে উন্মোচিত হতে লাগল একের পর এক রহস্য। বর্তমানে থেকে যতই আমরা ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করি কিংবা কথা বলি- সেটা সসময় যেমন সঠিক হয় না। তেমনি কিছু অনুমানও তো সঠিক হয়ে যায়। কাজেই উন্মোচিত রহস্যগুলো ভবিষ্যতে ঘটবেই, এটা যেমন জোর দিয়ে বলা যায় না, আবার এরকম ঘটনা কখনোই ঘটবে না-সেটাও নিশ্চিত করে বলা যায় না। ঘটতেও তো পারে। কী সেই রহস্য? পাগলাটে যুদ্ধবাজ এক বিজ্ঞানীর পৃথিবী নিয়ে ষড়যন্ত্র, প্রফেসর আইকিউ, ব্রেইন রিডিং রোবট- সবকিছু মিলে ‘বিআর পয়েন্ট টু থ্রি।’ তাঁবুতে তাণ্ডব ফিকে জোছনার রাত। আহনাফ উঠে দাঁড়াল। ধ্রুব আর রিয়ানও উঠে দাঁড়িয়েছে। কোনো শব্দ না করে ধীর পায়ে তারা তিনজন তাঁবুর পেছন দিকে এগিয়ে গেল। দেখল একটা ছায়ামূর্তি তাঁবুর পেছন থেকে দ্রুত হেঁটে বনের গভীরে চলে যাচ্ছে। ছায়ামূর্তি বনের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে দ্বীপচর খালের দিকে। শ্রেয়া তার তাঁবু থেকে একই ঘটনা দেখেছে। ফগনা বন থেকে বেরিয়ে এসেছে। তাকে দেখে বুন্টা বলল, ‘নৌকা থেকে অস্ত্র নিয়ে আয়। পাহারায় থাকবি। তাদের বাঁধন খুলে দেওয়া হচ্ছে। যদি কেউ পালানোর চেষ্টা করে গুলি করে মেরে ফেলবি। জোয়ারের সময় লাশ ভাসিয়ে দিবি। নদী থেকে লাশ চলে যাবে সমুদ্রে। কুমিরে খাবে নাহয় হাঙরে খাবে।’ ধ্রুব, আহনাফ, রিয়ান আর শ্রেয়া কিছু বলল না। কুয়াশামাখা চাঁদের আলোতে চারজনের চোখে চোখে কথা হলো। তাদের কী করতে হবে সেই সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলেছে। বানানো গল্প, তবু মনে হয় সবটা যেন সত্য। তীব্র সংকট, বুদ্ধি, সাহস আর উত্তেজনা- এই চারে ঠাসা রুদ্ধশ্বাস কিশোর অ্যাডভেঞ্চার তাঁবুতে তাণ্ডব। সুন্দরবনে পুতনির দ্বীপে উষ্ণ স্বাগতম। রিভেঞ্জ অব দ্য মমি রিভেঞ্জ অব দ্য মমি কিশোর অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি। প্রায় দুই হাজার বছর আগে ইমহোটেপ নামে মিশরীয় এক পুরোহিতকে ক্ষমার অযোগ্য এক অপরাধের জন্য মমি বানিয়ে জ্যান্ত কবর দেন ফারাও। দুই হাজার বছর পরে কয়েকজন মানুষ ভুল করে সেই অশুভ আত্মাকে আবার জাগিয়ে তোলে। প্রতিহিংসার আগুনে জালতে থাকা ইমহোটেপ প্রতিজ্ঞা করে গোটা পৃথিবীকে সে ধ্বংস করে দেবে। এই ভয়ংয়র শক্তিশালী মমির কবল থেকে কে বাঁচাবে ধরিত্রীকে? এগিয়ে আসে রিক নামে অকুতোভয় এক যুবক এবং তার সঙ্গিনী বিদ ইভলিন। কিন্তু দু’জনেই এমন বিপদে পড়ে যায়, জান নিয়ে টানাটানি। আগে ওরা বাঁচুক তারপরে পৃথিবী রক্ষার কথা ভাবা যাবে। এদিকে শয়তান মমি ইমহোটেপের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ধুরন্ধর বেনি। সে আবার অলৌকিক শক্তির অধিকারী হতে চায়। ইমহোটেপ তার মৃত সেনাদলকে কবর থেকে তুলে এনে লেলিয়ে দেয় মিশরবাসীর ওপর। শুরু হয় মহা দক্ষযজ্ঞকা। বিদেশি কাহিনি অবলম্বনে রচিত দুর্দান্ত এই কিশোর অ্যাডভেঞ্চার কাহিনির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি অধ্যায়েই রয়েছে দারুণ সব চমক এবং উত্তেজনা। বইটি একবার হাতে নিলে পড়া শেষ না করে ওঠবার জো নেই। আরকেন টাইম ১৯৮৯ সাল। টরন্টো,অন্টারিও,কানাডা। শহরটি থেকে বেশ কিছু মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেছে। কে বা কারা এটি করছে? উপন্যাসের মূল চরিত্র তিন কিশোর বন্ধু আরসা,এভারেট ও সানসা। টরন্টো শহরটিতে কিছু রহস্যময় ঘটনা ঘটতে থাকে। এভারেট একটি ঘড়ি খুঁজে পায় এবং বুঝতে পারে তা দিয়ে টাইম ট্রাভেল করা যায়। এভারেট হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর পেছনের কারণ উদ্ঘাটনে ঘড়িটি ব্যবহার করে এবং এর পেছনের অন্ধকার সত্য জানতে পারে। সামনে বিপদ দেখতে পায়। সে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুকে বাঁচানোর পরিকল্পনা করে। এভারেট আরসাকে একটি চিঠি লিখে রেখে যায়। এভারেট কোথায়? দাদার বীরপুরুষ তেরটি শিশু—কিশোর গল্প নিয়ে বীরপুরুষ। বইয়ের দুটি গল্প দুটি পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। অন্য গল্পগুলো কোথাও প্রকাশিত হয়নি। নতুন। তেরো রকমের তেরোটি গল্প।? বীরপুরুষ নামের বড় গল্পটির নামেই এই বই। আশা করি,গল্পগুলো সবার ভালো লাগবে। দন্ত্যস রওশন স্পেস ট্রাভেল মানব সভ্যতার সূচনা লগ্ন থেকে মহাকাশ নিয়ে মানুষের কৌতুহলের অন্তনেই । রাতের আকাশ ভর্তি তারা, রুপলি চাঁদ মানুষ আকৃষ্ট করেছে । আদিকাল থেকে এই মানুষ মহাকাশ এর রহস্য জানতে চেয়েছে । আর তাই তো মহাকাশ নিয়ে মানুষের জল্পনা কল্পনা থেকে সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মিথলজির। মুক্ত আকাশে পাখির ওড়া দেখে মানব মনে ও আকাশে ওড়ার স্বাদ জেগেছে। আর আদিকাল থেকে মানুষের আকাশে ওড়ার অদম্য ইচ্ছা ও প্রচেষ্টার ফলে আজ মানুষ আকাশে উড়তে সক্ষম হয়েছে। মহাকাশের অজানা রহস্য ভেদ করতে মানুষ ছুটে চলেছে । যার ফলে মানুষ চাঁদের মাটিতে পদার্পণ করেছে। মঙ্গলে মহাকাশযান পাঠিয়েছে । উদ্ঘাটন করেছে মহাকাশ এর অনেক অজানা রহস্য। কিন্তু আজকের এই সাফল্য মানুষ একদিনে পায়নি । বহু মানুষের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে আজ মানুষ এই পর্যায়ে এসেছে। মানুষ এখন অব্দি মহাকাশ এর যে রহস্য ভেদ করেছে তা বিপুল রহস্যে ঘেরা মহাকাশ আর খুব ই সামান্য। আর তাই তো মানুষ এই অজানা রহস্য কে জানতে নিরলস প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে । আর এর ই ফল স্বরূপ হয়ত মানুষ একদিন এই পৃথিবীর বাইরে ও অন্য কোনো গ্রহে মানব সভ্যতার বিস্তার ঘটাবে । আর এই সবের অদ্যোপান্ত জানতে বইটি পড়ুন।