| লেখক | আল্লামা ইবনে ফজলুল্লাহ |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইতিহাস ও ঐতিহ্য |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 104 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
‘মাসালিকুল আবসার ফি মামালিকিল আমসার’ হলো ভূগোল ও ইতিহাসের সমৃদ্ধ এক বিশ্বকোষ। সাধারণ জ্ঞানের বৃহৎ একটি গ্রন্থ। আল্লামা সফদির মন্তব্য হলো,‘সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এত সমৃদ্ধ কোনো গ্রন্থ আমি আর দেখিনি।’ গ্রন্থকার এটি ২৭ খণ্ডে সুবিন্যস্ত করে লিখেছেন। আরবি ভাষায় সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের ওপর গ্রন্থ রচনা শুরু হয় হিজরি তৃতীয় শতকে। এই কাজে অগ্রগামী ছিলেন ইসলামি সালতানাতের কর্মচারী,সচিব,লেখক ও উজিরগণ। গবেষকদের মতে,ইবনে কুতায়বা (মৃত.২৭৬ হি.)-এর উয়ুনুল আখবার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রথম রচনা। অষ্টম হিজরি শতকের সামসময়িক দুজন প্রসিদ্ধ সাহিত্যিক সাধারণ জ্ঞানের ওপর দুটো বৃহৎ গ্রন্থ রচনা করেন— নুওয়াইরি (মৃত. ৭৩৩ হি.) রচিত নিহায়াতুল আরব ফি ফুনুনিল আরব এবং ইবনে ফজলুল্লাহ উমরি আরও বৃহৎ পরিসরে রচনা করেন মাসালিকুল আবসার। ভূগোল ও মানব-ইতিহাসের বিশাল এই বিশ্বকোষ থেকেই ইবনে কালকাশান্দী সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন। ঐতিহাসিক সূত্র পর্যালোচনা,নগর ও নাগরিক সভ্যতা-সংক্রান্ত ধারণা পেশের ক্ষেত্রে লেখক ইবনে খালদুনের অগ্রপুরুষ ছিলেন। তিনি এই গ্রন্থটিকে দুভাগে বিভক্ত করেছেন : প্রথম ভাগ : পৃথিবী ও তার মধ্যস্থিত জল ও স্থলভাগের আলোচনা। দ্বিতীয় ভাগ : পৃথিবীর অধিবাসী ও জাতিগোষ্ঠীর আলোচনা। প্রথম ভাগকে আবার তার ভাষায় দুটি ‘নওউ’-এ সাজিয়েছেন। প্রথম নওউ হলো,আল-মাসালিক; তথা পৃথিবীর পথঘাটের আলোচনা। আর দ্বিতীয় নওউ হলো,আল-মামালিক; তথা রাজ্য ও দেশসমূহের আলোচনা। প্রথম নওউ বা আল-মাসালিক-সম্পর্কিত আলোচনার জন্য তিনি পাঁচটি অধ্যায় সাজিয়েছেন। আর দ্বিতীয় নওউ বা আল-মামালিকের জন্য সাজিয়েছেন পনেরোটি অধ্যায়। আলোচ্য গ্রন্থের দ্বিতীয় ভাগ-তথা পৃথিবীর অধিবাসী ও জাতিগোষ্ঠীর অধ্যায়কে তিনি চারটি ‘নওউ’-এ সাজিয়েছেন : (১) প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিষয়বস্তু ও জ্ঞানীসমাজের তুলনামূলক বিবরণ। (২) বিভিনড়ব ধর্মবিশ্বাস ও মতবাদ। (৩) বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসীদের আলোচনা। (৪) পৃথিবীর ইতিহাস। আর এই চতুর্থ ‘নওউ’-এ রয়েছে দুটি অধ্যায় : (১) ইসলাম-পূর্ববর্তী যুগের বিভিন্ন রাজ্যের ইতিহাস। (২) মুসলমানদের বিভিন্ন সালতানাতের ইতিহাস। গ্রন্থকার হিন্দুস্তান-সম্পর্কিত অধ্যায়ে তৎকালীন সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক-এর আলোচনা করেছেন। মুহাম্মদ বিন তুঘলক ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে এক মহান বাদশাহ। পিতা গিয়াসুদ্দিন তুঘলকের মৃত্যুর পর তিনি সিংহাসনে বসেন। ১৩২৫ থেকে ১৩৫১ ঈসাব্দ পর্যন্ত ভারতবর্ষ শাসন করেন। তিনি