Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

শিক্ষার্থী প্যাকেজ

শিক্ষার্থী প্যাকেজ

৳1440
৳576
পরীক্ষার সাতসতেরো পরীক্ষা কি আসলেই খুব কঠিন? লোককথা আছে—‘ছাত্রজীবন সুখের জীবন, যদি না থাকত এক্সামিনেশন’। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে খুব ভয়েও থাকেন বেশ। তাদের কিতাব একেকটা ইয়া বড় বড়, আবার প্রতি ক্লাসেই অনেক অনেক কিতাব! কিন্তু প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আপ
  লেখক   সাইয়িদ আবদুল মাজিদ আল-গাওরি, ডক্টর আব্দুর রহমান রাফাত পাশা
  প্রকাশনী

 রাহনুমা প্রকাশনী

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  আত্ম-উন্নয়ন ,  মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

পরীক্ষার সাতসতেরো পরীক্ষা কি আসলেই খুব কঠিন? লোককথা আছে—‘ছাত্রজীবন সুখের জীবন, যদি না থাকত এক্সামিনেশন’। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে খুব ভয়েও থাকেন বেশ। তাদের কিতাব একেকটা ইয়া বড় বড়, আবার প্রতি ক্লাসেই অনেক অনেক কিতাব! কিন্তু প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আপনার হাতে যদি থাকে, ‘পরীক্ষার সাতসতেরো’, তবে নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনার পরীক্ষা হবে মধুর! ‘পরীক্ষার সাতসতেরো’ বইতে এমন কিছু স্পেশাল ট্রিকস আছে, গোপন কলাকৌশল আছে, যা একজন ছাত্রকে পরীক্ষায় সফল হওয়ার সিস্টেমগুলো স্পষ্টভাষায় সহজ করে বলে দিবে। তবে বইটি সবার জন্য নয়, এটি কেবল কওমি মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জন্যই রচিত। বইটিতে হিফজ বিভাগ থেকে শুরু করে, ইবতেদায়ি/তাইসির জামাত হয়ে, একেবারে ক্লাস বাই ক্লাস, কিতাব বাই কিতাব ধরে ধরে—দাওরায়ে হাদিসে গিয়ে শেষ হয়েছে। এবং এখানেই শেষ নয়! মাদ্রাসার প্রতিটা বোর্ড পরীক্ষাকে আলাদা আলাদা অধ্যায়ে এনে চমৎকারভাবে সামগ্রিক প্রস্তুতির মৌলিক কৌশলগুলোও বলে দেওয়া হয়েছে। ফলে, এই বই আপনার শিক্ষাজীবনে কেবল একবছরের জন্যই নয়। বরং আপনার পুরো শিক্ষাজীবনের পরীক্ষা-প্রস্তুতি হিসেবে এটি সিলেবাসের মতো। বইটির লেখক ‘মাসুম আবদুল্লাহ’ জ্ঞানে ও যোগ্যতায় যেমন অনন্য, তেমনই তার শিক্ষাজীবনের রেজাল্টও ছিলো ঈর্ষণীয়। মেধাবী এই মানুষটির জীবনের সামগ্রিক পড়াশোনা ও পরীক্ষা-অভিজ্ঞতার সারনির্যাস এই—‘পরীক্ষার সাতসতেরো’। লেখাপড়া শেখার সহজ কৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বজনমান্য শিক্ষক ড. পাশা এই বইয়ে লিখেছেন, লেখাপড়ার পদ্ধতিগুলো আমার ছাত্র এবং শিক্ষক-জীবনের কিছু বিশেষ অভিজ্ঞতার আয়না থেকে সাজিয়েছি। তাত্ত্বিক কোনো আলোচনার সন্নিবেশ আমি করিনি। প্রতিটি শিক্ষাবর্ষকে সফল করে তোলার জন্য অন্যতম সেরা সহায়ক বিষয় হল, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আদর্শপদ্ধতি সর্বোচ্চ পরিমাপ সম্পর্কে অবগতি লাভ করা। এবং অল্প মেহনতে সর্বোচ্চ পরিমাণ লাভবান হওয়ার জন্য তাদের সামনে এ বিষয়ের সকল পথ ও পন্থা সুস্পষ্ট থাকা উচিত। এ উদ্দেশেই আমার প্রিয়সন্তান শিক্ষার্থীদের জন্য কথাগুলো লিখেছি। লেখাপড়ার জন্য যথার্থ পথ কোনটি, যেন নিজেরাই আবিষ্কার করতে পারে, সে উদ্দেশে আমি তাদের সামনে আলোকিত একটি পথচিত্র এঁকে দিয়েছি। অনেক ছাত্র আমার কাছে অভিযোগ করেছে, সারাদিন কিতাবে উবু হয়ে থাকি, বইয়ের পাতায় দীর্ঘ রাত বুঁদ হয়ে থাকি, কিন্তু এ পরিশ্রমের ফল পাই না। যে ফল আসে, তা নগণ্য! অনেক ছাত্রের হৃদয়ের নিরাশ-ধ্বনি আমাকে দুঃখ দিয়েছে। তারা একটি অধ্যায় শুরু করে, শেষ হতে না হতেই শুরুটা ভুলে যায়। অনেক ছাত্র বলেছে, অলসতা ঝেড়ে ফেলে উদ্যম নিয়ে দরসে/ক্লাসে যায়। পড়তে বসে। কিন্তু কোনো গত্যন্তর তার হয় না। ক্লাসে স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না। বিরক্তি আসে। বিরাগ হয়ে ওঠে। কিতাব ও লেখাপড়া থেকে আপনাআপনিই বিমুখতা পেয়ে বসে। মুখব্যাদান করে হাই তুলে স্বস্তি খোঁজে। হাতদু’টো ছড়িয়ে আড়মোড় খেয়ে আলস্য ভাঙ্গে। বসে থাকতে পারে না। কিতাব বন্ধ করে। এরপর যা হওয়ার, তাই হয়। বক্ষমান পুস্তকটি এসব ছাত্রের সমীপে রেখেছি। এ পুস্তকে তারা তাদের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা পাবে, ইনশাআল্লাহ। ড. রাফাত পাশা ছিলেন একজন অতি উচ্চমানের শিক্ষক। বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার। আরবী ভাষা-সাহিত্যের প্রবাদ পুরুষ, লেখক ও গবেষক। তাঁর এই পুস্তকের পাতায় পাতায় চিত্রিত হয়েছে একজন ছাত্রের ভেতরের শক্তি জাগিয়ে তোলার আকুতি। অঙ্কিত হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সুপ্ত সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলার পথচিত্র। যোগানো হয়েছে লেখাপড়ার আঁকাবাঁকা পথঘাটে অবাধে বিচরণ করার পাথেয়। দেখানো হয়েছে শিক্ষা অর্জনের সহজ ও সোজা পথ। যেন শিক্ষাদীক্ষার বর্ণিল ভূবন! সাজানো স্বপ্নময় পৃথিবী! বড় যদি হতে চাও বন্ধু, তোমার জন্যে আমার নির্দ্বিধ পরামর্শ হলো—ছুটিকালীন কোনো নীরব রাতের নির্জন প্রহরে বইটি হাতে নিয়ে বসো! দেখবে—তরতর করে কেটে যাচ্ছে নির্ঘুম রাত! আরো দেখবে—স্বপ্ন দেখে-দেখে আর সংকল্প করে-করে মহান বড়দের বড় হওয়ার শ্রেষ্ঠ মধুর কাহিনীগাথা পড়তে পড়তে—তোমার অনুভব-অনুভূতি তাঁদের মতোই বড় হওয়ার ‘স্বপ্ন’ ও ‘সংকল্পে’ টইটম্বুর হয়ে গেছে! পরের দিনের নতুন সূর্যালোকের মিষ্টি রোদে দাঁড়িয়ে মনে হবে—আজকের ভোরটা অন্যরকম এক ভোর! স্বপ্নমাখা! সংকল্প-ছাওয়া! আদর্শ ছাত্রের সন্ধানে ‘আদর্শ ছাত্রের সন্ধানে’ বইটিতে লেখক সাইয়িদ আবদুল মাজিদ আল-গাওরি আমাদের উলামায়ে আসলাফের বহু কিতাব ঘেঁটে মহামূল্যবান আলোচনা দিয়ে প্রত্যেকটি বিষয়বস্তু সাজিয়েছেন। এই গ্রন্থ নিরেট ইলমি আলোচনা। একজন তালিবুল ইলম আদর্শ ছাত্র হয়ে উঠবে কীভাবে, এবং কীভাবে পড়াশোনা করলে সে প্রকৃত ইলম-সম্পন্ন ছাত্র হতে পারবে, মূলত তাই এই বইতে গোছানোভাবে আলোচনা করা হয়েছে। ১৩৬ জন মনীষীর মহামূল্যবান কিতাবের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাণী ও আলোচনা স্থান পেয়েছে এই কিতাবে। কিতাবটির আদ্যোপান্ত পড়লে পাঠক খুব সহজেই বিষয়টি ঠাহর করতে পারবেন ও এখান থেকে নিজের ছাত্রজীবনের জন্য পাথেয় সংগ্রহ করতে পারবেন। আজকের পৃথিবীতে কেউ যদি আদর্শ ছাত্র হতে চান, তবে পাঠ্যবইয়ের মতো করেই এই গ্রন্থকে শিথানের পাশে রেখে দিতে হবে। প্রিয় লেখক প্রিয় বই মেধা, জ্ঞান ও প্রতিভায় যারা আমাদের আকাশে আলো ছড়িয়েছেন তাদের এ অধিষ্ঠান হয়েছিল কিভাবে―একজন স্বপ্নচারী ও প্রত্যয়ী শিক্ষার্থীকে এ জিজ্ঞাসা তাড়া করাটাই স্বাভাবিক। যে নবীন ইতিহাসের সোনালী ধারায় যুক্ত হতে চায় পূর্বসূরির জ্ঞান, সাধনা ও প্রতিষ্ঠার রহস্য তাকে উন্মুক্ত করতেই হবে। সাধারণত প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বের প্রতিষ্ঠায় তিনটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অভিভাবক, শিক্ষক ও বই। বই এমন এক মাধ্যম যা যুগপৎ হাজার বছরের জ্ঞান-সাধনাকে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরে এবং হাজার বছরের লেখক, গবেষক ও খ্যাতিমানদের সাহচর্য প্রদান করে। এজন্যই সাইয়িদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. আন-নাদওয়া পত্রিকায় মাশাহীর আহলে ইলম কী মুহসিন কিতাবেঁ নামে একটি বিভাগ চালু করেছিলেন। এ বিভাগে সমকালীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আলেম ও জ্ঞানীরা তাদের প্রিয় বইয়ের কথা লিখেছিলেন। মাওলানা নদভী এ বিভাগ চালু করেছিলেন মিশরের আলহেলাল এর الكتب التي أفادتني (যে বই আমাকে উপকৃত করেছে) বিভাগের অনুসরণে। মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী নিজেও লিখেছেন, الشخصيات والكتب। কিন্তু বাংলাভাষায় আমাদের অঙ্গনে এ বিষয়ে কাজ হয়তো এটাই প্রথম। প্রিয় লেখক প্রিয় বই―লেখক ও বইয়ের জীবনী। জীবনী এত সুখপাঠ্য হতে পারে এ বই না পড়লে কেউ বুঝতে পারবে না। এতে স্থান পেয়েছে আমাদের নিকটঅতীতের ও সমকালীন পাঁচজন মনীষীর প্রতিষ্ঠার গল্প ও তাদের জীবনগঠনমূলক বইয়ের আলোচনা। ব্যক্তিত্ব গঠনের মুখ্য বিষয়গুলো তুলে এনেছেন খুব সুন্দরভাবে। যে বইগুলোর কথা তিনি আলোচনা করেছেন তা-ও করেছেন খুবই চমৎকার ভঙ্গিতে। এখানে উল্লিখিত বইগুলোর অনেকগুলোই হয়তো আপনি পড়ে থাকবেন তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রিয় লেখক প্রিয় বই পড়ার পর সে বই পড়ার পিপাসা আবার জেগে উঠবে। যে লেখককে আপনি জেনেছেন পড়েছেন, তাকেই জানবেন ও অধ্যয়ন করবেন নতুনভাবে। বড় যদি হতে চাও (বইটি এপ্রিল 2017 সালে প্রথম প্রকাশিত হয়ে ফেব্রুয়ারি 2019-এ এসে মাত্র দুই বছরেরও কম সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রায় বারো হাজার কপি) এর পর এটাই (প্রিয় লেখক প্রিয় বই) হয়তো মাওলানার সেরা উপহার হবে। বইটি শুরু করেই চমৎকৃত হবেন, মুগ্ধ হবেন। একেকটি পৃষ্ঠা পড়বেন আর আন্দোলিত হবেন, নিজেদের সোনাঝরা ইতিহাস পড়ে গর্বে বুক ফুলে উঠবে, তাদের মেধা ও কীর্তিতে হবেন অভিভূত ও মুগ্ধ। সে মুগ্ধতা ধরে রাখবে শেষ পর্যন্ত। ২১৬ পৃষ্ঠার বইটি শেষ করে আফসোস করে বলতেই হবে, আর কয়েক পৃষ্ঠা লিখলে তেমন কী ক্ষতি হয়ে যেত …

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।