Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

সমাজতান্ত্রিক আদর্শের পুনরুত্থান

সমাজতান্ত্রিক আদর্শের পুনরুত্থান

৳300
৳255
যারা বিশ্বাস করেন ‘আমটি পাকিলেই গাছ হইতে ঝরিয়া পড়িবে’; তারা স্বপ্ন দেখতে জানেন না। জানলেও স্বপ্নকে সাকার রূপ দিতে পারেন না। ফলটি পাকার আগেও পেড়ে আনা যায়। সে জন্য ঝড় দরকার। তেমনই এক ‘ঝড়’ উঠেছিল উনবিংশ শতকের প্রথমভাগে। সর্বহারার মহান শিক্ষক কার্ল মার্কস আর
  লেখক   মনজুরুল হক
  প্রকাশনী

 গ্রন্থিক প্রকাশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  রাজনীতি বিষয়ক বই
  Language   : বাংলা
  Number of Pages   160
  Cover Type   হার্ড কভার

যারা বিশ্বাস করেন ‘আমটি পাকিলেই গাছ হইতে ঝরিয়া পড়িবে’; তারা স্বপ্ন দেখতে জানেন না। জানলেও স্বপ্নকে সাকার রূপ দিতে পারেন না। ফলটি পাকার আগেও পেড়ে আনা যায়। সে জন্য ঝড় দরকার। তেমনই এক ‘ঝড়’ উঠেছিল উনবিংশ শতকের প্রথমভাগে। সর্বহারার মহান শিক্ষক কার্ল মার্কস আর তার যোগ্য পণ্ডিত ফেডারিক এঙ্গেলস যে মানবমুক্তির দিশা দিয়েছিলেন বছরের পর বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে, তারই নির্যাস হয়ে মানব সভ্যতা পেয়েছিল ‘কমিউনিস্ট পার্টির ইসতেহার’, ‘ডাস ক্যাপিটাল’ প্রমূখ গ্রন্থ। মহামতি ভ.ই.লেনিন মার্কসের সেই অধরা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন ঐতিহাসিক বলশেভিক বিপ্লব সম্পন্ন করে পৃথিবীর বুকে প্রথম পূর্ণাঙ্গ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন’ গঠন করে। পথটি মসৃণ ছিল না। লাখ লাখ মানুষের অকাতরে বিলিয়ে দেওয়ার রক্তের নদী বেয়ে এসেছিল। সারা বিশ্ব প্লাবিত হয়েছিল সেই মানবমুক্তির জোয়ারে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে জোয়ার দুভাবে আসে; এক. ইতিবাচকভাবে, যা সৃষ্টি করে। দুই. নেকিবাচকভাবে; যা ধ্বংস করে। বলশেভিক বিপ্লবের পর পরই সারা বিশ্ব মুক্তির জোয়ার প্লাবিত হয়েছিল। সেই প্লাবনে ইয়োরোপ, এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকার দেশে দেশে সমাজতন্ত্রে বিজয় সুনিশ্চিত হয়েছিল। আরও একটি ‘ঝড়’ উঠেছিল গত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কালে। হিটলারের নাৎসি বাহিনী যখন গোটা বিশ্বকে পরাভূত করে পদানত করতে চলেছে, সেই সময় সোভিয়ের ইউনিয়নের জনগণের নেতা তথা বিশ্বনেতা জোসেফ স্তালিনের দৃঢ়তায় এবং বীরত্বে দানব হিটলারকে থামতে হয়। হাত গুটিয়ে নেয় পরাজিত নাৎসি দল। স্তালিনের সেই বিজয়ের প্লাবন আরও একবার বিশ্বকে প্লাবিত করে। ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত তথা বিশ্বমানবতার জয় হলে বিভিন্ন মহাদেশে সামন্তবাদী-পুঁজিবাদী বুর্জোয়া রাষ্ট্রগুলো ভাঙতে থাকে। দিকে দিকে পত পত উড়তে শুরু করে সমাজতন্ত্রের লাল পতাকা। বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ মানুষই তখন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিক। এর পরের ‘ঝড়’টি আসে নেতিবাচক রূপে। সমাজতন্ত্রের দুশমন, সোভিয়েতের আদর্শ হন্তারক কুখ্যাত ক্রুশ্চেভের হাত ধরে। যার যবনিকা টানেন তারই অপভ্রংশ নিকৃষ্টতম পুঁজিবাদের দালাল মিখাইল গর্বাচেভ-এর হাতে। ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটান গর্বাচেভ। আর সেই নেতিবাচক জোয়ারে খুব দ্রুত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যারা এক সময় সমাজতন্ত্রের পতাকা উড়িয়ে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ মুছে দিতে চেয়েছিল, সেই তারাই আবার ব্যক্তিস্বার্থে এবং তথাকথিত উন্নয়নের শ্যাম্পেন গিলে পুঁ

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।