| লেখক | হেদায়াতুল্লাহ মেহমান্দ, হামিদা মুবাশ্বেরা |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইতিহাস ও ঐতিহ্য |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ‘ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা’ বইটি মূলত ওল্ড ওয়ার্ল্ড অর্ডার থেকে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের ইতিহাস নিয়ে রচিত। বইটি পাঠ শেষ হওয়ার পর পাঠক নিজ থেকেই এই প্রশ্নগুলোর জবাব পেয়ে যাবে বর্তমান সময়ে মুসলিমদের কোন পথে অগ্রসর হওয়া উচিৎ? তাদের দাওয়াতের মূল ভিত্তি কী হওয়া জরুরী? তাদের মূল শত্রু কারা? কী তাদের এজেন্ডা ও কর্মপদ্ধতি? লেখক ইতিহাস লেখার মধ্য দিয়ে ইয়াহুদী, খ্রিষ্টান এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের বিশ্বাস ও চিন্তাধারাগুলো অনেক সহজভাবে বর্ণনা করেছেন এবং সেই সাথে সহজ ভাষায় এগুলোর জবাবও লিখেছেন। নিশ্চিতভাবে পশ্চিমাদের ইতিহাস জানা ছাড়াও পশ্চিমাদের বিশ্বাস ও চিন্তাধারা বোঝার জন্য এই বইটি অধ্যয়ন অনেক উপকারী হবে। সিক্রেটস অব জায়োনিজম আমেরিকার বিখ্যাত ফোর্ড মোটরগাড়ি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা মালিক হেনরি ফোর্ড। কোম্পানি পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি তো চক্ষু চড়কগাছ! এ কী! ইহুদিদের জায়োনিষ্ট জাল অক্টোপাসের মতো ঘিরে ধরেছে পৃথিবীকে! ফোর্ড ১৯২০ সালে শুরু করলেন নিজের পত্রিকা ‘দ্য ডিয়ারবর্ন ইনডিপেন্ডেন্ট’। সেখানে ৯১ পর্বের কলামে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরলেন ইহুদি জাল ও নেটওয়ার্ক। বিশ্বব্যাপী তুমুল হইচই শুরু হলো। জায়োনিষ্ট মুখোশ উন্মোচিত হলে আমেরিকান ব্যবসায়ীর কলমে। ইতোমধ্যে ফোর্ড-এর কলামগুলো নিয়ে চার খণ্ডের বই তৈরি হলো; নাম- ‘The International Jew’। প্রতিক্রিয়ায় ইহুদি লবি জবাব দিতে লাগল। আমেরিকা থেকে কয়েকদিনের ব্যবধানেই সব বই লাপাত্তা হলো। পত্রিকার বিরুদ্ধে সম্প্রীতি নষ্টের উস্কানির অভিযোগ উঠল। ১৯২৭ সালে বন্ধ করে দেওয়া হলো তার পত্রিকা এবং আলোচিত এই বই। শিকড়ের সন্ধানে ‘Know Thyself’ সক্রেটিসের বিখ্যাত একটি উক্তি। সক্রেটিস নিজেকে জানতে বলেছেন। নিজেকে জানতে পারার মধ্যেই সক্রেটিস মানবজীবনের সার্থকতা খুঁজেছেন। সক্রেটিসের এই দর্শন আদতে কানায় কানায় সত্য। মানবজীবন ঠিক তখনই পরিপূর্ণভাবে বিকাশ লাভ করে যখন মানুষ নিজেকে জানতে শুরু করে ও আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে প্রলুব্ধ হয়। নিজেকে উদঘাটন করতে পারলেই ঠিক করে ফেলা যায় জীবনের দর্শন। জীবনের গন্তব্য, উদ্দেশ্য এবং রদবদল, সবকিছু সহজ হয়ে যায় যদি নিজেকে জানা যায়। যদি একেবারে শেকড়ে ফিরে চেনা যায় নিজের প্রকৃতি।‘মুসলমান’ হিসেবে এই ব্যাপারটা আরও বিশদভাবে সত্য। আমরা যদি নিজেদের আত্মপরিচয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা প্রদত্ত গৌরবময় মর্যাদা ‘মুসলমানিত্বের’ সঠিক মর্মার্থই বুঝতে না পারি, তাহলে কীভাবে নির্ধারণ করব নিজেদের গন্তব্য এবং উদ্দেশ্য? কেন-ই বা আমরা মুসলিম, অন্যরা কেন নয়, কীভাবে আমরা মুসলিম হলাম, আমাদের ঠিক আগে, আল্লাহর একাত্মবাদে যারা আসীন ছিলেন, তারা কোন পরিচয়ে ধন্য হয়েছেন, তাদের সাথে আমাদের যোগসাজশ কোথায়? সাদৃশ্য আর বৈসাদৃশ্য কী কী—এসব জানতে পারাই হলো আমাদের আত্মপরিচয় সন্ধানের প্রথম সবক।