| লেখক | শাইখ মুহাম্মাদ ইসমাইল আল-মুকাদ্দাম, মুজাহিদ রাসেল |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স (নববি দর্পণে সমকালীন ধারণা) নেতা হতে হলে নেতৃত্বের গুণাবলি থাকা চাই। আর তাই নেতৃত্বের গুণাবলি বা লিডারশীপ স্কিল নিয়ে আজকাল বেশ আলোচনা হচ্ছে। একজন আদর্শ নেতার যে গুণটাকে গবেষকরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা হলো ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। অর্থাৎ, অপরের হৃদয়ের অনুভূতি বোঝার মানবীয় দক্ষতা। মজার ব্যাপার হলো, হালের এই বিশেষ স্কিল নিয়ে আজ থেকে প্রায় সাড়ে চৌদ্দশো বছর আগেই কাজ করে গিয়েছেন আমাদের প্রিয় রাসূল মুহাম্মাদ (সাঃ)। শুধু তাই নয়, নিজের পবিত্র জীবনে এই গুণের এমন সর্বোচ্চ ও সুচারু প্রয়োগ ঘটিয়েছেন যে, এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ের কোনো একাডেমিক আলোচনা ক্ষেত্রবিশেষে তাঁর ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। নবিজির সেই বিশেষ গুণটি নিয়েই আমাদের এই বই—ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। এতে কোনো রকমের তত্ত্বকথা না কপচিয়ে নবিজির পবিত্র সীরাতের ঘটনাগুলোকে বাস্তবধর্মী দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়েছে। এতে আপনি সীরাতের ঘটনাগুলোকে ভিন্ন আঙ্গিকে ভাবতে পারবেন। এছাড়াও নিজের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের অবস্থান বুঝার জন্যে বইটিতে একটি চেকলিস্ট দেওয়া হয়েছে—যা আত্মোন্নয়নের পথে আপনাকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। সর্বোপরি বইটি একজন সচেতন প্র্যাক্টিসিং মুসলিমের জন্যে হবে উন্নত মানসিকতা গঠনের বুনিয়াদ, ইন শা আল্লাহ। এনজয় ইয়োর লাইফ জীবন কারও কাছে রঙিন, কারও কাছে সাদাকালো। কারও জন্য সুখের নীড়, কারও জন্য তাসের ঘর। জীবনকে দেখে কেউ মেকি হাসে, কেউ করে মায়াকান্না। কেউ বিমল আনন্দ উদযাপন করে আর কেউ পুড়ে মরে অব্যক্ত বেদনায়। এতসব রূপ-রং-বৈচিত্র্য বিপরীতে বেশিরভাগ মানুষই কেবল কোনোরকমে জীবনটাকে পার করে যায়; জীবনকে উপভোগ করা আর হয়ে ওঠে না। অথচ ভোগ নয়, উপভোগ; যাপন নয়, উদযাপনই কাম্য। জীবনকে উপভোগ করতে হলে দরকার একটি প্রশান্ত হৃদয়। যে হৃদয়ে ভরপুর থাকবে দয়ামায়া, ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সদাচরণের মতো মহৎ গুণাবলি। হিংসাবিদ্বেষ, অহংকার, নির্মমতা ও জিঘাংসার কোনো বালাই থাকবে না সেখানে। এমন হৃদয়ের অধিকারীগণ জীবনকে যথাযথভাবে উপভোগ করতে পারেন। দুনিয়া ও আখিরাতে তারাই লাভ করেন মহিমান্বিত জীবন। জীবন উপভোগের অজস্র পন্থা পাঠকের সামনে উন্মোচিত করবে এ বই। উচ্চ মনোবল পৌঁছে দেয় সাফল্যের শিখরে উচ্চ মনোবল কাজের সূচনা। মহৎকর্মের প্রবেশিকা। শুরু থেকে যার মনোবল উচ্চ থাকে, তার সফর হয় সহজ-অনায়াসে। বস্তুত, উচ্চ মনোবলের অধিকারী জীবন চলার পথে আপতিত সকল দুঃখকষ্টকে সয়ে যায় হাসিমুখে—সব ধরনের বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে সে সামনে এগিয়ে চলে; ফলে তার পথচলা হয়ে ওঠে আনন্দময়। অধ্যবসায় ও অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে একসময় সে পেীঁছে যায় সাফল্যের শিখরে… — ‘উচ্চ মনোবল – পৌঁছে দেয় সাফল্যের শিখরে’ ৫টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত এই বইটিতে উচ্চ মনোবল পরিচিতি, এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, কুরআন ও সুন্নাহতে উচ্চ মনোবলের প্রতি উৎসাহ, উচ্চ মনোবলের ক্ষেত্রসমূহ বিশেষ করে—ইলম অর্জন ও এর প্রচার-প্রসারে সালাফের আগ্রহ, ইলমের পথে তাঁদের নানান কষ্টক্লেশ সহ্য করা; ইবাদত ও অবিচলতায় সালাফের উচ্চ মনোবল, সত্যের সন্ধানে উচ্চ মনোবলের পরিচয়, আল্লাহর পথে দাওয়াত ও দ্বীনের ঝান্ডাকে সমুন্নত রাখতে উচ্চ মনোবলের দৃষ্টান্ত; মনোবলশূন্য উম্মাহর অবস্থা, মনোবল বাড়ানোর পথ ও পদ্ধতি, উম্মাহ ও ব্যক্তি সংশোধনে উচ্চ মনোবলের প্রভাব ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। হীনমন্যতা দূর করে উচ্চ মনোবলে বলীয়ান হতে বইটি সকল শ্রেণির পাঠকের জন্যই উপকারী হবে, ইনশাআল্লাহ।