Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি ১৯৪৯-৫০ দ্বিতীয় খণ্ড

তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি ১৯৪৯-৫০ দ্বিতীয় খণ্ড

৳550
৳490
১ম ফ্লাপ আত্মপ্রচারবিমুখ ও প্রায় নীরব কর্মী-সংগঠক এই অসাধারণ মানুষটির জীবন সম্বন্ধে আমরা আজ পর্যন্ত খুব অল্পই জানি। সেদিক থেকে এই ডায়েরিগুলোর মূল্য অপরিসীম। বদরুদ্দীন উমরের ভাষা আন্দোলন বিষয়ে গবেষণা ও রচনায় তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি থেকে মূল্যবান তথ্যাদি ব্
  লেখক   তাজউদ্দীন আহমদ, ডায়েরি ও চিঠিপত্র সংকলন
  প্রকাশনী

 প্রথমা প্রকাশন

  সংস্করণ   May 22, 2026
  catagory  জীবনী ,  স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার
  Language   বাংলা
  Number of Pages   256
  Cover Type   হার্ড কভার

১ম ফ্লাপ আত্মপ্রচারবিমুখ ও প্রায় নীরব কর্মী-সংগঠক এই অসাধারণ মানুষটির জীবন সম্বন্ধে আমরা আজ পর্যন্ত খুব অল্পই জানি। সেদিক থেকে এই ডায়েরিগুলোর মূল্য অপরিসীম। বদরুদ্দীন উমরের ভাষা আন্দোলন বিষয়ে গবেষণা ও রচনায় তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি থেকে মূল্যবান তথ্যাদি ব্যবহূত হয়েছে। এই ডায়েরি সে সময়ের এক অসাধারণ দলিল। এর ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম। জাতিকে যে দৃঢ় নেতৃত্ব এ মানুষটি পরবর্তীকালে দিয়েছেন, তার ভিত্তি কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তরুণ বয়সে লেখা এই দিনলিপিগুলো তারই সাক্ষ্য দেয়। ব্যাক কভার চব্বিশ-পঁচিশ বছরের এক তরুণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র, প্রত্যহ দিনপঞ্জি লিখছেন ইংরেজিতে। লিখছেন দৈনন্দিন জীবনের কিছু ঘটনা, বড় রাজনৈতিক বিষয়…। পরে এই তরুণ হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের নেতা আর তাঁর লেখা ডায়েরি বিবেচিত হয়েছে এ দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক ইতিহাসের বিশ্বস্ত উপকরণ হিসেবে। – আনিসুজ্জামান লেখক পরিচিতি তাজউদ্দীন আহমদ জন্ম ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে। বোর্ডে স্ট্যান্ড করেন ম্যাট্রিকুলেশন ও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স এবং কারাগার থেকে পরীক্ষা দিয়ে আইন পাস করেন। ছাত্রজীবনে সমাজকর্মে জড়িয়ে পড়েন। মুসলিম লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশ নেন। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায়। ১৯৪৮ থেকে ভাষা আন্দোলন সংগ্রাম পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে এমএলএ। ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবা সম্পাদক। ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগ পুনরুজ্জীবিত হলে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে সাধারণ সম্পাদক। ছয় দফার পক্ষে আন্দোলন পরিচালনাকালে ১৯৬৬ সালে কারাবরণ। ১৯৬৯-এর গণ-আন্দোলনের সময় মুক্তি। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য। ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন। বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৯ মাস অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন। ১৯৭৪ সালে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার এবং ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেলখ

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।