| লেখক | স. ম. শামসুল আলম |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | ছড়া , কবিতা ও আবৃত্তি |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
ছড়ার রয়েছে প্রায় দেড় হাজার বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাস। ছড়ার প্রধান দাবি ধ্বনিময়তা ও সুরঝংকার,অর্থময়তা নয়। প্রাচীন যুগে ‘ছড়া’ সাহিত্যের মর্যাদা না পেলেও বর্তমানে সে তার প্রাপ্য সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও এখনও অনেকেই ছড়াসাহিত্যকে শিশুসাহিত্যেরই একটি শাখা মনে করেন কিংবা সাহিত্যের মূলধারায় ছড়াকে স্বীকৃতি দিতে চান না। এরপরও বর্তমান সময়ে ছড়ার বিকল্প কিছু তৈরি হয়নি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ছড়ার জয় জয়কার। অনেক কবিরাও লিখেছেন ছড়া। বিশেষ করে রাজনৈতিক ছড়ার যে প্রভাব তার অনেক প্রমাণ ইতিমধ্যেই আমরা পেয়েছি। সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা সমস্যা নিয়ে লড়াই করতে গেলে ছড়াই প্রথম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। স.ম. শামসুল আলম সাহিত্যের অন্যান্য শাখার পাশাপাশি ছড়াকে বেছে নিয়েছেন তার দ্রোহ,বিদ্রোহ ও অভিব্যক্তি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে। ‘তবক দেব সবক দেব’ নামের এ বইটি স.ম. শামসুল আলমের একটি ছড়ার বই। ‘আস্ত গরু জবাই করে লোক খাওয়ালাম কেন? এবার আমি ইলেকশনে জিততে পারি যেন।’ (জিততে পারি যেন/ পৃষ্ঠা ১০) ‘আমরা জোটে তোমরা জোটে যুগটা এখন জোটের জোট ছাড়া ভোট পাই কি না পাই সন্দেহ তাই ভোটের।’ (যুগটা এখন জোটের/পৃষ্ঠা ২৪) রাজনীতি যখন নীতিহীন হয়ে পড়ে তখন এ নিয়ে কথা বলা হয়ে পড়ে খুবই বিপদজনক। কিন্তু এ বিপদের কথা চিন্তা করে তো আর হাতগুটিয়ে বসে থাকা যায় না। দেশের এই সব অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে ছড়াই সম্বল। স.ম. শামসুল আলম একজন সমাজ ও রাষ্ট্র সচেতন মানুষ। ফলে তার চোখ থেকে এড়িয়ে যায় না অনেক বিষয়। যা কিছুই অনিয়ম,অসংগতি তার বিরুদ্ধে ছড়াকে দাঁড় করিয়ে দেন অনায়াসে। বইটির নামের সাথে সংগতি রেখে তিনি ছড়ায় ছড়ায় সবক দিয়েছেন আমাদের রাষ্ট্রের অমঙ্গলকারীদের।