| লেখক | মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 22, 2026 |
| catagory | রহস্য , গোয়েন্দা , ভৌতিক , থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 44 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
রহস্য-রোমাঞ্চ আর ভূতের গল্পকার ইব্রাহীম খলিলের ভূতের টুপি বইটি পড়তে শুরু করার আগেই সর্বপ্রথম যে প্রশ্নটি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তা হলো, ভূত আবার মাথায় টুপি পরে নাকি? আর যদি বা পরেই তাহলে কেন? দাঁড়াও দাঁড়াও, একটু সবুর করো, ধৈর্য ধরে শোনো আগে। হ্যাঁ ভূত টুপি পরে আর কেন পরে জানো? কারণ ভূতের এই টুপি একখানা আশ্চর্য টুপি। এটা একটা জাদুর টুপি। আর এই টুপি যে পরবে তাকে কেউই দেখতে পাবে না, কিন্তু সে সকলকে দেখতে পাবে। সব জায়গাতে যেতে পারবে। সকল কিছু খেতে পারবে। সমস্ত কাজ করতে পারবে। যা ইচ্ছা ধরতে পারবে। সকলের ভেতর ইচ্ছা অনুযায়ী চলাফেরা করতে পারবে। এমন একটা টুপি পেতে কে না চায়, বলো? আর এই ভূতের টুপি নিয়ে মেতে ওঠার ফলেই শুরু হলো ধুন্ধুমার কাণ্ডকারখানা। কারণ জাদুর টুপি পাওয়ার বিষয়টি তেমন সহজ নয়। এজন্য ঝুঁকি নিতে হবে। কিছুটা গোপনীয় কাজও করতে হবে। মাথামোটা একটা ভূতের সাথে কৌশলের লড়াই করতে হবে। জাদুর টুপির জন্য জীবন বাজি রাখার প্রয়োজন হবে। সেইসঙ্গে জোগাড় করতে হবে একটা জীবন্ত প্যাঁচা। এ কি সোজা কথা! কাজ শুরু করার আগেই বুকের ভেতর ভয় ও বিস্ময় মিশিয়ে অদ্ভুত কাঁপন তৈরি হয়। রক্তের ভেতর টগবগ করে ওঠে উৎসাহের বুদ্বুদ। শরীরের সব লোম খাড়া হয়ে যায়। নিশ্বাস ভারী হয়ে ওঠে। শিরা দপদপ করতে থাকে। বুকের ভেতর হঠাৎ হঠাৎ রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ভূতের মাথার ওই জাদুর টুপিটা পাওয়া যাবে তো? সেটা জানার জন্যই তো জীবন্ত এই গল্পের মধ্যে ঝটপট ঢুকে পড়ি চলো।